hadith book logo

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

লেখকঃ ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৪২

প্রশ্ন-৩৪২: ব্যবহৃত অলঙ্কারের যাকাত দেয়া লাগবে কি না জানতে চাই।

উত্তর: ব্যবহৃত টাকার যাকাত দেয়া লাগে কি না? টাকা ব্যবহার করে করে একদম ময়লা হয়ে গেছে, এর যাকাত দেবেন না? সোনা, রূপা, টাকা- ব্যবহারে এগুলোর মান কমে না। এ জন্য এর যাকাত দিতে হবে। আর একটা ব্যাপার হল, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজেই বলেছেন, ব্যবহৃত অলঙ্কারে যাকাত দিতে হবে।

প্রশ্ন-৩৪৩: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি কখনো কোনো ইমামের পিছনে নামা আদায় করেছেন?

উত্তর: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অল্পকিছু সময়ের জন্য আবু বাকর রা, এর পিছনে দাঁড়িয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহর (ﷺ) বাইরে কাজে গেছিলেন। এক জায়গায় গোলমাল হচ্ছিল তিনি গিয়েছিলেন মিটমাট করতে। আবু বাকর রা.এর ইমামতিতে জামাআত দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আসলেন, নামাযে দাঁড়ালেন। তখন সাহাবিরা হাতে তালি দিতে লাগলেন। আবু বকর রা. যখন নামাযে দাঁড়াতেন, কোনো দিকে খেয়াল থাকত না। তিনি নামায পড়েই যাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পরে যখন সবাই তালি দিচ্ছে, পেছনে তাকালেন। দেখলেন রাসূলুল্লাহর (ﷺ) মুক্তাদি। তখন আবু বকর রা. নামায অবস্থায় কেবলার দিকে বুক ঠিক রেখে পিছিয়ে আসতে লাগলেন। আপনারা তো ভাবছেন, সর্বনাশ! নামাযের ভেতর হাঁটল, নামায তো শেষ! তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাত দিয়ে ইশারা করলেন- তুমি নামায পড়াও। তখন আবু বকর রা. নামাযের ভেতর কয়েক বার আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ হামদ পড়লেন। কয়েক মিনিট পর আবার পিছিয়ে আসলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইমামের জায়গায় দাঁড়ালেন। বাকি নামায শেষ করে তিনি আবু বকর রা.কে বললেন, আমি তো তোমাকে বললাম নামায শেষ করতে। তুমি পিছিয়ে আসলে কেন? তখন আবু বকর রা. বললেন, আবু কুহাফার ছেলের এই অধিকার নেই যে, নবীর উপরে ইমামতি করবে। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সবাইকে বললেন, নামাযের ভেতর যদি কোনো সমস্যা হয়, তাহলে পুরুষেরা সুবহানাল্লাহ' বলবে আর নারীরা হাততালি দেবে।

প্রশ্ন-৩৪৪: মুহাম্মাদ (ﷺ) নবুওয়াত পাওয়ার আগে নিয়মিত সালাত আদায় করতেন কি না?

উত্তর: না, এমন কিছু পাওয়া যায় না।