hadith book logo

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

লেখকঃ ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৫৩

প্রশ্ন-৩৫৫: একমাস রোযা রেখে আবার রোযা, নামায ছেড়ে দিয়ে অন্যায় কাজে লিপ্ত হওয়া ব্যক্তির রোযা কি কবুল হবে?

একমাস রোযা রেখে, নামায পড়ে, অন্যায় কাজ ত্যাগ করে আবার রোযা চলে যাওয়ার সাথে সাথে নামায ছেড়ে দিয়ে অন্যায় কাজে লিপ্ত হওয়া ব্যক্তির রোযা কি কবুল হবে?

উত্তর: এটা খুবই অন্যায় কাজ। কবুল না হওয়ারই লক্ষণ। তবে তিনি যে ভালো কাজগুলো করেছেন, সেগুলোকে আমরা ভালো বলব। আরো ভালো কাজে ডাকব। আপনার প্রশ্নের আলোকে আমি একটা কথা বলতে চাই। আমি এক বিশ্ববিদ্যালয়ে রোযার আলোচনা করতে গিয়েছিলাম। তো ছেলেরা ঠিক এই রকম প্রশ্ন করেছিল। সিজনাল মুসলিমদের কী বিধান, তাদের রোযা কি কবুল হবে? আমি বললাম, সিজনাল মুসলিমদের কী হবে সেটা আমি বলতে পারব না। কিন্তু যারা রেগুলার মুসলিম, তাদের ব্যাপারে একটা কথা আমরা জানি। সেটা হল, যারা সিজনাল মুসলিমদের রেগুলার করে না, তাদের খবর আছে। আমাদের কাজ হল শুধু সমালোচনা করা। ও সারা বছর। গোনাহ করে, হজ্জ করে এসে গোনাহ করে আমরা খালি পরের দোষ খোঁজার চেষ্টা করি। তার মানে আল্লাহ আমাদের বিচারক বানিয়েছেন। কিয়ামতের দিন বলবেন, ও আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, অমুককে দোযখে দেব নাকি বেহেশতে দেব! বিচারক তো আল্লাহ। তিনি বিচার করবেন। আমার কাজ হল যার খারাপ দেখব তাকে ডেকে ভালো করা। যে ব্যক্তি সিজনাল মুসলিম, অর্থাৎ রমাযানে নামাযও পড়ছে, রোযাও রাখছে, তার ঈমান আছে। কিন্তু তার ভেতরে কিছু ভুল বুঝ আছে। তার পরিণতির মাসআলা জেনে আমাদের উচিত সঠিক বুঝ দেয়া।