hadith book logo

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

লেখকঃ ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪২৮

প্রশ্ন-৪৩২: মীলাদ এবং দুআ করার আগে আমরা সুর করে যে দরুদ শরীফ পড়ি, এটা কি সত্যিই কোনো দরুদ?

মীলাদ এবং দুআ করার আগে আমরা সুর করে যে দরুদ শরীফ পড়ি, এটা কি সত্যিই কোনো দরুদ? এটা পাঠ করা কি বিদআত?

উত্তর: এটা দরুদ। দরুদ যে কোনো শব্দে পড়লেই দরুদ। কুরআন হাদীসে অবশ্য দুরুদ শব্দটা নেই। সালাত আছে। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ- এটুকুই সালাত বা দরুদ। যারা বলে এটা দরুদ না, তারা ভুল বলে। যেমন দুআ করা- আল্লাহ আমাকে মাফ করে দাও- এটাও দুআ। মাসনুন শব্দের বাইরেও নিজের বানানো শব্দে দুআ করা যায়। আল্লাহ, আমার নবীর উপর সালাম বর্ষণ করো, তাঁকে দরুদ দাও- এটাও হবে। কাজেই সুর করে যে দরুদ পড়া হয় এটা নাজায়েয নয়। যারা বলেন এটা দরুদ না, তারা আসলে সাহাবিদের যুগের আমল জানেন না। দরুদে ইবরাহীম ছাড়াও সাহাবাগণ, তাবেয়ীন, তাবে-তাবেয়ীরা বিভিন্ন দরুদ নিজেদের ভাষায় বানিয়েছেন। তবে এখানে দুটো কিন্তু আছে। একটা হল, সুন্নাত শব্দ উত্তম। কেউ যদি সুন্নাতের বাইরে অন্যকিছুকে রীতি বানিয়ে নেয়, সুন্নাতকে অবজ্ঞা করে, আরে দরুদে ইবরাহীম লাগবে না, আমাদের বানানো দরুদই ভালো- ওই ব্যক্তি বিদআতি। কারণ সে সুন্নাতকে অবজ্ঞা করেছে। দুই নাম্বার হল, সুর করে পড়া, সমবেত হয়ে পড়া, এটা সুন্নাত না। এটা রেওয়াজ করলে বিদআত হবে।