hadith book logo

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

লেখকঃ ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৯২

প্রশ্ন-৩৯৬: শাড়ি বা ম্যাক্সি পরে মহিলারা নামায পড়তে পারবে কি না?

উত্তর: শাড়ি একটা অশালীন পোশাক। এটা সর্বোচ্চ বিছানায় শোয়ার সময় পরা যেতে পারে। চাদর পরে কি রিকশা চালানো যায়? মাটি কাটা যায়? চাদরের মতো শাড়ি, এটা কর্মে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী এবং অশোভন পোশাক। এটা পরে সতর রক্ষা করা যায় না। পুরোপুরি পর্দা হয় না। হাফ পর্দাও হয় না। এ জন্য মুসলিম মেয়েদের শাড়ি পরা উচিত নয়। আবার শাড়ির সাথে যে পোশাক আমরা পরি, শাড়িটা তো উপরের চাদর, এর নিচে ব্লাউজ পরি, সেটা ছোট। এ জন্য শাড়ি পরে নামায হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা এক ভাগ। কারণ, নামাযের মধ্যে শুধু মুখমণ্ডল এবং হাতের দুই কজি ছাড়া বাকি সব ঢেকে রাখা ফরয। কাপড় নেই, উলঙ্গ হয়ে নামায পড়তে পারে। কিন্তু কাপড় যার আছে, সে তো পারে না। শাড়ি পরে মাথায় কাপড় দিলে রুকু সিজদায় সরে যায়। কান বেরিয়ে যায়। চুল বেরিয়ে যায়। আবার কনুই বেরিয়ে যায়। পেটের দিকে বেরিয়ে যায়। মুসলিম মেয়েদের সুন্নত পোশাক হল, আপনারা তো পুরুষদের টুপি পাঞ্জাবির সুন্নাত নিয়ে মারামারি করেন, মেয়েদের সুন্নাত এবং ফরয পোশাক হল। ম্যাক্সি। ম্যাক্সির হাট বড় হবে। পায়ের দিকে গোড়ালির নিচ পর্যন্ত কুল থাকবে। মহিলা সাহাবিরা এটা পরতেন। আর উপরে পরবে বড় ওড়না। নিচে থাকবে সায়া অথবা পায়জামা। আর স্বাভাবিক জামা যেটা, আমরা যাকে কামিস বলি, আজকাল কামিসও অশালীন হয়ে গিয়েছে, যদি কামিসের হাতা বড় হয়, ঢিলেঢালা হয়, তাহলে এটা পরে নামায হতে পারে। এ জন্য আমাদের নারীদের সুন্নাত পোশক হল ম্যাক্সি। রাসূলের স্ত্রীগণ, কন্যাগণ, মাহিলা সাহাবিগ এটা পরতেন। আবার তাঁরা নামাযের জন্য জিলবাব, বড় চাদর, বোরকার মতো, এটা পরতেন।