hadith book logo

ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড

লেখকঃ মাওলানা আকবর শাহ খান নজিববাদী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৫২

মিথ্যুক মহিলা নবীর বিবাহ

সাজাহ এই পয়গাম পেয়েই মুসায়লামার নিকট গমন করলো। সে তার দুর্গের সামনে একটি তাঁবু স্থাপন করলো। সাজাহকে সেখানে অবতরণ করালো। উভয়ের কথোপকথন হলো। সাজাহ মুসায়লামার পয়গাম্বরী মেনে নিলো। তার উপর ঈমান আনলো। তারপর উভয়ের বিবাহ হলো। বিবাহের পর সাজাহ তিন দিন পর্যন্ত মুসায়লামার নিকট থাকলো। সেখান থেকে বিদায় হয়ে তার লশকরের মধ্যে এলো। লশকররা বললো, বিবাহের মোহর কোথায়? বিনা মোহরে তুমি কিরূপে বিবাহ করলে? তারপর সে মুসায়লামার নিকট গেলো। মুসায়লামা বললো, আমি তোমার মোহরের বিনিময়ে তোমার দলের জন্য দুই ওয়াকত নামায অর্থাৎ ঈশা ও ফরয মাফ করে দিলাম। সাজাহ সেখান থেকে বিদায় হয়ে এলো। হুযায়ল ও উক্‌বাকে ইয়ামামার অর্ধেক ফসল আদায় করার জন্য নিয়োগ করে যাত্রা করেছিল। ইত্যবসরে খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদ (রা) যিনি বনু তামীমের দিকে অগ্রসর হয়ে আসছিলেন, সামনে পড়ে গেলেন। খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদের লশকর দেখেই সাজাহ’র সঙ্গীরা পলায়ন করলো। আর সে অতিকষ্টে আপন বনূ তাগ্‌লিব গোত্রের জাযীরা নামক স্থানে পৌঁছে অজ্ঞাত জীবন যাপন করতে লাগলো।

হযরত খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদ (রা) বনূ তামীম এলাকায় পৌঁছে যারা ইসলামের উপর বহাল ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন না। কিন্তু যারা মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল তারা গ্রেফতার ও নিহত হলো। মুরতাদ ও মুসলমানের পরিচয় হতো আযানের মাধ্যমে। যেমন পূর্বে হযরত আবূ বকর সিদ্দীক (রা)-এর ফরমানে আলোচিত হয়েছে। মালিক ইব্‌ন নুওয়ায়রার বস্তিগুলোর উপরও আযানের পরই হামলা হয়েছিল।