hadith book logo

ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড

লেখকঃ মাওলানা আকবর শাহ খান নজিববাদী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪৩৭

হযরত সাঈদ ইব্‌ন যায়দ (রা)

তিনি ছিলেন হযরত উমর ফারুক (রা)-এর চাচাত ভাই ও ভগ্নিপতি। তাঁর বংশতালিকা নিম্নরূপ : সাঈদ ইব্‌ন যায়দ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন নুফায়ল ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন কুরত ইব্‌ন রিবাহ ইব্‌ন আদী। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর অধিনায়কত্বে পরিচালিত সব কয়টি যুদ্ধেই তিনি তার সঙ্গী ছিলেন। শুধু বদর যুদ্ধে তিনি অংশগ্রহণ করেননি। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) তাঁকে বদরযুদ্ধের গনীমতের অংশ দেন এবং তাঁকে বদরীদেরও অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি অনেক কারামত তথা অলৌকিক ঘটনার অধিকারী এবং ‘মুসতাজাবুদ দাওয়াত’ (যার জিকির">দু’আ কবূল হয়) ছিলেন। হিজরী ৫১ সনে ৭২ বয়সে তিনি ইনতিকাল করেন। একদা জনৈক স্ত্রীলোক তার বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত একটি মিথ্যা দাবী উত্থাপন করে। তিনি তার জন্য এই বলে বদ দুআ করেন, “হে আল্লাহ্! যদি এই স্ত্রীলোক তার দাবীতে মিথ্যাবাদী হয় তাহলে তাকে অন্ধ করে দাও। সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীলোকটি অন্ধ হয়ে গেল এবং কিছুদিন পর কোথাও যাওয়ার সময় একটি কুয়ায় পড়ে মারা গেল। একদা কূফার জামে মসজিদে হযরত আলী (রা) সম্পর্কে জনৈক ব্যক্তিকে কিছু অপ্রীতিকর শব্দ উচ্চারণ করতে শুনে তিনি বললেন : আবূ বকর, উমর, উসমান, আলী, তালহা, যুবায়র, আবূ উবায়দা, সা‘দ ইব্‌ন আবূ ওয়াক্কাস এবং আবদুর রহমান ইব্‌ন আওফ (রা)—এই নয় ব্যক্তি হচ্ছেন ‘আশারায়ে মুবাশশারা-এর অন্তর্ভুক্ত। জনৈক ব্যক্তি তখন বলল, দশম ব্যক্তির নামটিও অনুগ্রহ করে বলে দিন। একথা শুনে তিনি চুপ হয়ে গেলেন। ঐ ব্যক্তি পুনরায় তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তর দিলেন, আমি হচ্ছি ঐ দশম ব্যক্তি।