hadith book logo

ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড

লেখকঃ মাওলানা আকবর শাহ খান নজিববাদী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৮৩

সিদ্দীকে আকবর (রা)-এর খিলাফতের কর্মকর্তাবৃন্দ

হযরত আবূ বকর সিদ্দীক (রা)-এর খিলাফতকালে আমীরুল মিল্লাত হযরত আবূ উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা) বায়তুল মালের কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। বিচার বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন হযরত ফারূকে আযম (রা), হযরত আলী (রা) ও হযরত উছমান (রা)-কে ‘কিতাবত’ (পত্র লিখন) ও অফিস পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। উপরোক্ত ব্যক্তিগণের মধ্যে কেউ অনুপস্থিত থাকলে, যিনি উপস্থিত থাকতেন তিনিই তার দায়িত্ব আনজাম দিতেন। হযরত আত্তাব ইব্‌ন উসায়দ (রা) ছিলেন মক্কা মুয়ায্‌যমার কর্মকর্তা। তিনি এবং হযরত আবূ বকর (রা) একই দিনে ইন্তিকাল করেন। তায়িফের কর্মকর্তা ছিলেন হযরত উছমান ইব্‌ন ‘আস (রা)। হযরত মুহাজির ইব্‌ন উমাইয়া (রা) সানআর এবং হযরত যিয়াদ ইব্‌ন লাবীদ (রা) হাদরামাউতের কর্মকর্তা ছিলেন। ইয়ালা ইব্‌ন উমাইয়া (রা) খাওলান প্রদেশের, হযরত আবূ মূসা আশআরী (রা) ইয়ামানের, হযরত মুআয ইব্‌ন জাবাল (রা) জুনদের, হযরত আলা ইব্‌ন হাযরামী (রা) বাহ্‌রায়নের, হযরত আয়ায ইব্‌ন গানাম (রা) দূমাতুল জান্দালের, এবং হযরত মুছান্না ইব্‌ন হারিছা (রা) ইরাকের কর্মকর্তা অথবা প্রশাসক পদে নিযুক্ত ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত হযরত আবূ উবায়দা ইব্‌ন জাররাহ (রা)-কে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব দিয়ে সিরিয়ায় পাঠানো হয়। ইয়াযীদ ইব্‌ন আবূ সুফিয়ান (রা), আমর ইব্‌ন ‘আস (রা) এবং শুরাহবীল ইব্‌ন হাসানা (রা) ও সিরিয়ার বিভিন্ন ফ্রন্টে সেনাপতিত্বের দায়িত্বে নিযুক্ত ছিলেন। সিদ্দীকে আকবর খিলাফতকালে হযরত খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদ (রা) প্রধান সেনাপতির পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। কায়কাউস ও কায় খসরুর সাম্রাজ্যের সাথে একজন সেনাপতি হিসাবে রুস্তমের যেরূপ ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ ছিল, খিলাফতে সিদ্দীকে আকবর (রা)-এর সাথে হযরত খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদ (রা)-এরও ছিলো সেরূপ সম্বন্ধ।