১
ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড
লেখকঃ মাওলানা আকবর শাহ খান নজিববাদী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭৩
কয়েকটি জরুরী কথা
যখন বিক্ষোভকারীরা মদীনা শরীফে প্রবেশ করে অত্যন্ত গর্হিত ও অশিষ্ট আচরণ করতে থাকে তখন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা) হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা শরীফ অভিমুখে রওয়ানা হন। হজ্জ সমাপনান্তে মদীনা শরীফে ফিরে আসার সময় পথিমধ্যে সারফ নামক স্থানে জনৈক উবায়দ ইব্ন আবূ সালামার কাছ থেকে তিনি এ সংবাদ পান যে, হযরত উসমান গনী (রা)-কে বিক্ষোভকারীরা শহীদ করে ফেলেছে। তখন তিনি মদীনা শরীফে এসে পুনরায় মক্কা শরীফে ফিরে যান।
যখন বিক্ষোভকারীরা মদীনা শরীফে ভিড় জমায়, তখন হযরত আমর ইব্ন ‘আস (রা)-ও মদীনা শরীফে ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি দেখলেন যে, বিক্ষোভকারীদের অশিষ্ট আচরণ ও অত্যধিক বাড়াবাড়ি সমগ্র মদীনা শরীফ অবদমিত করে ফেলেছে এবং মদীনা শরীফের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিক্ষোভকারীদের মুকাবিলায় আবদুল্লাহ এবং মুহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে মদীনা শরীফ থেকে ফিলিস্তীন চলে যান এবং সেখানে বসবাস করতে থাকেন। সেখানেই তার কাছে হযরত উসমান গনী (রা)-এর দুঃখজনক মৃত্যুসংবাদ গিয়ে পৌঁছে।
মিসরের গভর্নর আবদুল্লাহ ইব্ন সা‘দ যখন এ সংবাদ পান যে, মদীনা শরীফে বিক্ষোভকারীরা হযরত উসমান গনী (রা)-কে অবরোধ করে রেখেছে, তখন তিনি মিসর থেকে মদীনা শরীফ অভিমুখে রওয়ানা হন। কিন্তু পথিমধ্যে যখন শুনতে পান যে, হযরত উসমান গনী (রা) শাহাদত বরণ করেছেন তখন মদীনায় না এসে মিসরের দিকে প্রত্যাবর্তন করেন। কিন্তু পথিমধ্যে যখন জানতে পারেন যে, মুহাম্মদ ইব্ন রাবীআ’ মিসর দখল করে নিয়েছে তখন বাধ্য হয়ে ফিলিস্তীনে অবস্থান করেন। তারপর সেখান থেকে দামিশকের দিকে চলে যান।
হযরত উসমান গনী (রা)-এর শাহাদতের সময় হযরত আলী (রা), হযরত তালহা (রা) ও হযরত যুবায়র (রা) এ তিনজন অতি গণ্যমান্য ও প্রভাবশালী সাহাবী মদীনায় ছিলেন। এ ছাড়াও হযরত আবদুল্লাহ্ ইব্ন উমর (রা), হযরত সা‘দ ইব্ন ওয়াক্কাস (রা) প্রমুখ শ্রদ্ধাভাজন সাহাবীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ঐ উচ্ছৃঙ্খল বিক্ষোভকারীদের হাতে সবাই যেন অসহায় যিম্মীতে পরিণত হয়েছিলেন। মদীনা শরীফের কর্তৃত্ব বিক্ষোভকারীদের হাতে চলে গিয়েছিল। প্রথমোক্ত ব্যক্তিত্রয় যদিও বিক্ষোভকারীদের চোখে যথেষ্ট সম্মান ও মর্যাদার পাত্র ছিলেন, কিন্তু তারা তাদের ইয্যত ও সম্মানের ভয়ে নিজ নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে নিজে থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের কেউই তখন ঘর থেকে বের হতেন না। অবশ্য হযরত আলী (রা) বিশেষ কোন প্রয়োজন দেখা দিলে মদীনা শরীফের বাইরে যেতেন। কারো কারো মতে, বিক্ষোভকারীদের অশিষ্ট আচরণ থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই তিনি মদীনা শরীফের বাইরে চলে গিয়েছিলেন। তাই যখন উসমান গনী (রা)-কে শহীদ করা হয়, তখন হযরত আলী (রা) মদীনা শরীফ থেকে বেশ কয়েক মাইল দূরে অবস্থান করছিলেন।
যখন বিক্ষোভকারীরা মদীনা শরীফে ভিড় জমায়, তখন হযরত আমর ইব্ন ‘আস (রা)-ও মদীনা শরীফে ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি দেখলেন যে, বিক্ষোভকারীদের অশিষ্ট আচরণ ও অত্যধিক বাড়াবাড়ি সমগ্র মদীনা শরীফ অবদমিত করে ফেলেছে এবং মদীনা শরীফের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিক্ষোভকারীদের মুকাবিলায় আবদুল্লাহ এবং মুহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে মদীনা শরীফ থেকে ফিলিস্তীন চলে যান এবং সেখানে বসবাস করতে থাকেন। সেখানেই তার কাছে হযরত উসমান গনী (রা)-এর দুঃখজনক মৃত্যুসংবাদ গিয়ে পৌঁছে।
মিসরের গভর্নর আবদুল্লাহ ইব্ন সা‘দ যখন এ সংবাদ পান যে, মদীনা শরীফে বিক্ষোভকারীরা হযরত উসমান গনী (রা)-কে অবরোধ করে রেখেছে, তখন তিনি মিসর থেকে মদীনা শরীফ অভিমুখে রওয়ানা হন। কিন্তু পথিমধ্যে যখন শুনতে পান যে, হযরত উসমান গনী (রা) শাহাদত বরণ করেছেন তখন মদীনায় না এসে মিসরের দিকে প্রত্যাবর্তন করেন। কিন্তু পথিমধ্যে যখন জানতে পারেন যে, মুহাম্মদ ইব্ন রাবীআ’ মিসর দখল করে নিয়েছে তখন বাধ্য হয়ে ফিলিস্তীনে অবস্থান করেন। তারপর সেখান থেকে দামিশকের দিকে চলে যান।
হযরত উসমান গনী (রা)-এর শাহাদতের সময় হযরত আলী (রা), হযরত তালহা (রা) ও হযরত যুবায়র (রা) এ তিনজন অতি গণ্যমান্য ও প্রভাবশালী সাহাবী মদীনায় ছিলেন। এ ছাড়াও হযরত আবদুল্লাহ্ ইব্ন উমর (রা), হযরত সা‘দ ইব্ন ওয়াক্কাস (রা) প্রমুখ শ্রদ্ধাভাজন সাহাবীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ঐ উচ্ছৃঙ্খল বিক্ষোভকারীদের হাতে সবাই যেন অসহায় যিম্মীতে পরিণত হয়েছিলেন। মদীনা শরীফের কর্তৃত্ব বিক্ষোভকারীদের হাতে চলে গিয়েছিল। প্রথমোক্ত ব্যক্তিত্রয় যদিও বিক্ষোভকারীদের চোখে যথেষ্ট সম্মান ও মর্যাদার পাত্র ছিলেন, কিন্তু তারা তাদের ইয্যত ও সম্মানের ভয়ে নিজ নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে নিজে থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের কেউই তখন ঘর থেকে বের হতেন না। অবশ্য হযরত আলী (রা) বিশেষ কোন প্রয়োজন দেখা দিলে মদীনা শরীফের বাইরে যেতেন। কারো কারো মতে, বিক্ষোভকারীদের অশিষ্ট আচরণ থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই তিনি মদীনা শরীফের বাইরে চলে গিয়েছিলেন। তাই যখন উসমান গনী (রা)-কে শহীদ করা হয়, তখন হযরত আলী (রা) মদীনা শরীফ থেকে বেশ কয়েক মাইল দূরে অবস্থান করছিলেন।