১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
অধ্যায়- ৫ : আল্লাহ রিযিকদাতা
আল্লাহ সর্বোত্তম রিযিকদাতা :
قُلْ مَا عِنْدَ اللهِ خَيْرٌ مِّنَ اللَّهْوِ وَمِنَ التِّجَارَةِ ؕ وَاللهُ خَيْرُ الرَّازِقِيْنَ
(হে মুহাম্মাদ) বলো, আল্লাহর নিকট যা আছে তা খেলতামাশা ও ব্যবসা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা। (সূরা জুমু‘আ- ১১)
وَالَّذِيْنَ هَاجَرُوْا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ ثُمَّ قُتِلُوْاۤ اَوْ مَاتُوْا لَيَرْزُقَنَّهُمُ اللهُ رِزْقًا حَسَنًاؕ وَاِنَّ اللهَ لَهُوَ خَيْرُ الرَّازِقِيْنَ
যারা আল্লাহর পথে হিজরত করেছে, অতঃপর নিহত হয়েছে অথবা মারা গেছে, আল্লাহ তাদেরকে অবশ্যই উৎকৃষ্ট জীবিকা দান করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বোত্তম রিযিকদাতা। (সূরা হজ্জ- ৫৮)
ব্যাখ্যা : যদি পৃথিবী ও আকাশের অগণিত শক্তিকে জীবিকার উপকরণ সৃষ্টি করার কাজে না লাগিয়ে দেয়া হতো এবং পৃথিবীতে মানুষের জন্য জীবিকার অসংখ্য উপায় সৃষ্টি না করা হতো, তাহলে মানুষ নিজেদের জীবিকার সন্ধানই খুঁজে পেত না। আল্লাহ তা‘আলা মানবজাতির জন্য এ সবকিছুর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এমনকি তাদের জীবিকার অনুসন্ধান এবং তা উপার্জনের জন্য উপযোগী অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং দৈহিক ও মানসিক যোগ্যতাও দান করেছেন।
আল্লাহ সকল প্রাণীকে রিযিক দান করেন :
وَمَا مِنْ دَآبَّةٍ فِى الْاَ رْضِ اِلَّا عَلَى اللهِ رِزْقُهَا وَيَعْلَمُ مُسْتَقَرَّهَا وَمُسْتَوْدَعَهَاؕ كُلٌّ فِيْ كِتَابٍ مُّبِيْنٍ
ভূপৃষ্ঠে বিচরণকারী সকলের জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহরই। তিনি তাদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সকল অবস্থান সম্পর্কে অবহিত; সবকিছুই সুস্পষ্ট কিতাবে (লিপিবদ্ধ) রয়েছে। (সূরা হুদ- ৬)
وَكَاَيِّنْ مِّنْ دَآبَّةٍ لَّا تَحْمِلُ رِزْقَهَا ؕ اَللهُ يَرْزُقُهَا وَاِيَّاكُمْ وَهُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ
এমন কতক জীবজন্তু আছে যারা নিজেদের খাদ্য মওজুদ রাখে না। আল্লাহই তাদেরকে ও তোমাদেরকে রিযিক দান করেন; আর তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। (সূরা আনকাবূত- ৬০)
আল্লাহ সবাইকে সমানভাবে রিযিক দান করেন না :
وَاللهُ فَضَّلَ بَعْضَكُمْ عَلٰى بَعْضٍ فِى الرِّزْقِ
আল্লাহ জীবিকা প্রদানে তোমাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। (সূরা নাহল- ৭১)
আল্লাহ রিযিক বৃদ্ধি করেন এবং কমান :
اَوَلَمْ يَعْلَمُوْاۤ اَنَّ اللهَ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَّشَآءُ وَيَقْدِرُؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّقَوْمٍ يُّؤْمِنُوْنَ
তারা কি জানে না যে, আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা রিযিক বর্ধিত করেন এবং (যার জন্য ইচ্ছা) হ্রাস করেন। এতে অবশ্যই মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে নিদর্শন। (সূরা যুমার- ৫২)
اِنَّ رَبَّكَ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَّشَآءُ وَيَقْدِرُؕ اِنَّهٗ كَانَ بِعِبَادِهٖ خَبِيْرًا ۢبَصِيْرًا
তোমার প্রতিপালক যার জন্য ইচ্ছা রিযিক বর্ধিত করেন এবং (যার জন্য ইচ্ছা) হ্রাস করেন; তিনি তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে সবকিছু জানেন এবং দেখেন। (সূরা বনী ইসরাঈল- ৩০)
اَللهُ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَّشَآءُ وَيَقْدِرُ وَفَرِحُوْا بِالْحَيَاةِ الدُّنْيَاؕ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا فِى الْاٰخِرَةِ اِلَّا مَتَاعٌ
আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা তার জীবিকা বর্ধিত করেন এবং সংকুচিতও করেন। ফলে তারা পার্থিব জীবনে উল্লাসিত হয়, অথচ দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় ক্ষণস্থায়ী ভোগমাত্র। (সূরা রা‘দ- ২৬)
সবাইকে অঢেল রিযিক না দেয়ার কারণ :
وَلَوْ بَسَطَ اللهُ الرِّزْقَ لِعِبَادِهٖ لَبَغَوْا فِى الْاَ رْضِ وَلٰكِنْ يُّنَزِّلُ بِقَدَرٍ مَّا يَشَآءُۚ اِنَّهٗ بِعِبَادِهٖ خَبِيْرٌ ۢبَصِيْرٌ
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের রিযিক বাড়িয়ে দিলে তারা পৃথিবীতে অবশ্যই সীমালঙ্ঘন করত; কিন্তু তিনি তাঁর ইচ্ছানুযায়ী পরিমাণ মতো দিয়ে থাকেন। তিনি তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে সবকিছু জানেন এবং দেখেন। (সূরা শূরা- ২৭)
ব্যাখ্যা : রিযিকের স্বল্পতা ও প্রাচুর্যতা আল্লাহর বিধানের উপর নির্ভরশীল। সেই বিধানের উদ্দেশ্যও সম্পূর্ণ ভিন্ন। মক্কাবাসীরা যে সচ্ছলতা ও শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছিল তা তাদেরকে এতটাই অহংকারী করে তুলেছিল যে, তারা আল্লাহর নবীর কথা শুনতে কোনভাবেই প্রস্তুত ছিল না। এ কারণে আল্লাহ যদি সংকীর্ণমনা লোকদের জন্য রিযিকের দরজা খুলে দেন, তাহলে তারা পুরোপুরিভাবে গর্বে ফেটে পড়বে। তাই তিনি তাদেরকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন এবং বুঝেশুনে একটি পরিমাণ মতো রিযিক দিচ্ছেন।
তিনি যাকে চান তাকে অপরিমিত রিযিক দান করেন :
وَاللهُ يَرْزُقُ مَنْ يَّشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত জীবিকা দান করেন। (সূরা নূর- ৩৮)
اِنَّ اللهَ يَرْزُقُ مَنْ يَّشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ
নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন অপরিমিত রিযিক দান করেন। (সূরা আলে ইমরান- ৩৭)
ব্যাখ্যা : আরবি ভাষায় রিযিক এর অর্থ শুধু খাদ্যবস্তুর মধ্যে সীমিত নয়; বরং দান ও অনুগ্রহ অর্থেও তা ব্যবহৃত হয়। আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে দুনিয়ায় যা কিছু দিয়েছেন তা সবই মানুষের জন্য রিযিক। এমনকি ইলিম এবং বিভিন্ন গুণাবলিও রিযিকের অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহর হাত প্রশস্ত :
وَقَالَتِ الْيَهُوْدُ يَدُ اللهِ مَغْلُوْلَةٌ ؕ غُلَّتْ اَيْدِيْهِمْ وَلُعِنُوْا بِمَا قَالُوْا بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوْطَتَانِ يُنْفِقُ كَيْفَ يَشَآءُ
ইয়াহুদিরা বলে, ‘আল্লাহর হাত রুদ্ধ’; (বরং) তারাই রুদ্ধহস্ত এবং তারা যা বলে সেজন্য তারা অভিশপ্ত। আর আল্লাহর উভয় হাতই প্রসারিত; যেভাবে ইচ্ছা তিনি দান করেন। (সূরা মায়েদা- ৬৪)
قُلْ مَا عِنْدَ اللهِ خَيْرٌ مِّنَ اللَّهْوِ وَمِنَ التِّجَارَةِ ؕ وَاللهُ خَيْرُ الرَّازِقِيْنَ
(হে মুহাম্মাদ) বলো, আল্লাহর নিকট যা আছে তা খেলতামাশা ও ব্যবসা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা। (সূরা জুমু‘আ- ১১)
وَالَّذِيْنَ هَاجَرُوْا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ ثُمَّ قُتِلُوْاۤ اَوْ مَاتُوْا لَيَرْزُقَنَّهُمُ اللهُ رِزْقًا حَسَنًاؕ وَاِنَّ اللهَ لَهُوَ خَيْرُ الرَّازِقِيْنَ
যারা আল্লাহর পথে হিজরত করেছে, অতঃপর নিহত হয়েছে অথবা মারা গেছে, আল্লাহ তাদেরকে অবশ্যই উৎকৃষ্ট জীবিকা দান করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বোত্তম রিযিকদাতা। (সূরা হজ্জ- ৫৮)
ব্যাখ্যা : যদি পৃথিবী ও আকাশের অগণিত শক্তিকে জীবিকার উপকরণ সৃষ্টি করার কাজে না লাগিয়ে দেয়া হতো এবং পৃথিবীতে মানুষের জন্য জীবিকার অসংখ্য উপায় সৃষ্টি না করা হতো, তাহলে মানুষ নিজেদের জীবিকার সন্ধানই খুঁজে পেত না। আল্লাহ তা‘আলা মানবজাতির জন্য এ সবকিছুর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এমনকি তাদের জীবিকার অনুসন্ধান এবং তা উপার্জনের জন্য উপযোগী অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং দৈহিক ও মানসিক যোগ্যতাও দান করেছেন।
আল্লাহ সকল প্রাণীকে রিযিক দান করেন :
وَمَا مِنْ دَآبَّةٍ فِى الْاَ رْضِ اِلَّا عَلَى اللهِ رِزْقُهَا وَيَعْلَمُ مُسْتَقَرَّهَا وَمُسْتَوْدَعَهَاؕ كُلٌّ فِيْ كِتَابٍ مُّبِيْنٍ
ভূপৃষ্ঠে বিচরণকারী সকলের জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহরই। তিনি তাদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সকল অবস্থান সম্পর্কে অবহিত; সবকিছুই সুস্পষ্ট কিতাবে (লিপিবদ্ধ) রয়েছে। (সূরা হুদ- ৬)
وَكَاَيِّنْ مِّنْ دَآبَّةٍ لَّا تَحْمِلُ رِزْقَهَا ؕ اَللهُ يَرْزُقُهَا وَاِيَّاكُمْ وَهُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ
এমন কতক জীবজন্তু আছে যারা নিজেদের খাদ্য মওজুদ রাখে না। আল্লাহই তাদেরকে ও তোমাদেরকে রিযিক দান করেন; আর তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। (সূরা আনকাবূত- ৬০)
আল্লাহ সবাইকে সমানভাবে রিযিক দান করেন না :
وَاللهُ فَضَّلَ بَعْضَكُمْ عَلٰى بَعْضٍ فِى الرِّزْقِ
আল্লাহ জীবিকা প্রদানে তোমাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। (সূরা নাহল- ৭১)
আল্লাহ রিযিক বৃদ্ধি করেন এবং কমান :
اَوَلَمْ يَعْلَمُوْاۤ اَنَّ اللهَ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَّشَآءُ وَيَقْدِرُؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّقَوْمٍ يُّؤْمِنُوْنَ
তারা কি জানে না যে, আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা রিযিক বর্ধিত করেন এবং (যার জন্য ইচ্ছা) হ্রাস করেন। এতে অবশ্যই মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে নিদর্শন। (সূরা যুমার- ৫২)
اِنَّ رَبَّكَ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَّشَآءُ وَيَقْدِرُؕ اِنَّهٗ كَانَ بِعِبَادِهٖ خَبِيْرًا ۢبَصِيْرًا
তোমার প্রতিপালক যার জন্য ইচ্ছা রিযিক বর্ধিত করেন এবং (যার জন্য ইচ্ছা) হ্রাস করেন; তিনি তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে সবকিছু জানেন এবং দেখেন। (সূরা বনী ইসরাঈল- ৩০)
اَللهُ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَّشَآءُ وَيَقْدِرُ وَفَرِحُوْا بِالْحَيَاةِ الدُّنْيَاؕ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا فِى الْاٰخِرَةِ اِلَّا مَتَاعٌ
আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা তার জীবিকা বর্ধিত করেন এবং সংকুচিতও করেন। ফলে তারা পার্থিব জীবনে উল্লাসিত হয়, অথচ দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় ক্ষণস্থায়ী ভোগমাত্র। (সূরা রা‘দ- ২৬)
সবাইকে অঢেল রিযিক না দেয়ার কারণ :
وَلَوْ بَسَطَ اللهُ الرِّزْقَ لِعِبَادِهٖ لَبَغَوْا فِى الْاَ رْضِ وَلٰكِنْ يُّنَزِّلُ بِقَدَرٍ مَّا يَشَآءُۚ اِنَّهٗ بِعِبَادِهٖ خَبِيْرٌ ۢبَصِيْرٌ
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের রিযিক বাড়িয়ে দিলে তারা পৃথিবীতে অবশ্যই সীমালঙ্ঘন করত; কিন্তু তিনি তাঁর ইচ্ছানুযায়ী পরিমাণ মতো দিয়ে থাকেন। তিনি তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে সবকিছু জানেন এবং দেখেন। (সূরা শূরা- ২৭)
ব্যাখ্যা : রিযিকের স্বল্পতা ও প্রাচুর্যতা আল্লাহর বিধানের উপর নির্ভরশীল। সেই বিধানের উদ্দেশ্যও সম্পূর্ণ ভিন্ন। মক্কাবাসীরা যে সচ্ছলতা ও শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছিল তা তাদেরকে এতটাই অহংকারী করে তুলেছিল যে, তারা আল্লাহর নবীর কথা শুনতে কোনভাবেই প্রস্তুত ছিল না। এ কারণে আল্লাহ যদি সংকীর্ণমনা লোকদের জন্য রিযিকের দরজা খুলে দেন, তাহলে তারা পুরোপুরিভাবে গর্বে ফেটে পড়বে। তাই তিনি তাদেরকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন এবং বুঝেশুনে একটি পরিমাণ মতো রিযিক দিচ্ছেন।
তিনি যাকে চান তাকে অপরিমিত রিযিক দান করেন :
وَاللهُ يَرْزُقُ مَنْ يَّشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত জীবিকা দান করেন। (সূরা নূর- ৩৮)
اِنَّ اللهَ يَرْزُقُ مَنْ يَّشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ
নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন অপরিমিত রিযিক দান করেন। (সূরা আলে ইমরান- ৩৭)
ব্যাখ্যা : আরবি ভাষায় রিযিক এর অর্থ শুধু খাদ্যবস্তুর মধ্যে সীমিত নয়; বরং দান ও অনুগ্রহ অর্থেও তা ব্যবহৃত হয়। আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে দুনিয়ায় যা কিছু দিয়েছেন তা সবই মানুষের জন্য রিযিক। এমনকি ইলিম এবং বিভিন্ন গুণাবলিও রিযিকের অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহর হাত প্রশস্ত :
وَقَالَتِ الْيَهُوْدُ يَدُ اللهِ مَغْلُوْلَةٌ ؕ غُلَّتْ اَيْدِيْهِمْ وَلُعِنُوْا بِمَا قَالُوْا بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوْطَتَانِ يُنْفِقُ كَيْفَ يَشَآءُ
ইয়াহুদিরা বলে, ‘আল্লাহর হাত রুদ্ধ’; (বরং) তারাই রুদ্ধহস্ত এবং তারা যা বলে সেজন্য তারা অভিশপ্ত। আর আল্লাহর উভয় হাতই প্রসারিত; যেভাবে ইচ্ছা তিনি দান করেন। (সূরা মায়েদা- ৬৪)