১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০৪
অধ্যায়- ৮ : ন্যায়বিচার করা
আল্লাহ ন্যায়বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন :
اِنَّ اللهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْاِحْسَانِ وَاِيْتَآءِ ذِى الْقُرْبٰى وَيَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَآءِ وَالْمُنْكَرِ وَالْبَغْيِۚ يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُوْنَ
আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ ও আত্মীয়স্বজনকে দানের নির্দেশ দেন এবং তিনি অশ্লীলতা, অসৎকার্য ও সীমালঙ্ঘন করা থেকে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদেরকে উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পার। (সূরা নাহল- ৯০)
اِعْدِلُوْاؕ هُوَ اَقْرَبُ لِلتَّقْوٰى وَاتَّقُوا اللهَؕ اِنَّ اللهَ خَبِيْرٌ ۢبِمَا تَعْمَلُوْنَ
তোমরা ন্যায়বিচার করো; কেননা তা তাক্বওয়ার অধিকতর নিকটবর্তী এবং আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয় তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা মায়েদা- ৮)
ইনসাফ ও ন্যায়ের দৃষ্টিতে বিচার করার জন্য আল্লাহর নির্দেশ :
وَاِذَا حَكَمْتُمْ بَيْنَ النَّاسِ اَنْ تَحْكُمُوْا بِالْعَدْلِؕ اِنَّ اللهَ نِعِمَّا يَعِظُكُمْ بِهٖؕ اِنَّ اللهَ كَانَ سَمِيْعًا ۢبَصِيْرًا
তোমরা যখন মানুষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করবে তখন ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে বিচার করবে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে উপদেশ দেন তা কতই না উৎকৃষ্ট! নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা। (সূরা নিসা- ৫৮)
ব্যাখ্যা : বনী ইসরাঈলরা যেসব খারাপ কাজে লিপ্ত হয়েছিল তোমরা সেগুলো থেকে দূরে থেকো। বনী ইসরাঈলদের একটি মৌলিক দোষ ছিল এই যে, তারা নিজেদের পতনের যুগে আমানতসমূহ অর্থাৎ ধর্মীয় ও জাতীয় নেতৃত্বের দায়িত্বপূর্ণ পদসমূহ এমনসব লোকদেরকে দেয়া শুরু করেছিল যারা ছিল অযোগ্য, সংকীর্ণমনা, দুশ্চরিত্র, দুর্নীতিপরায়ণ, খেয়ানতকারী ও ব্যভিচারী। ফলে অসৎ লোকদের নেতৃত্বে সমগ্র জাতি অনাচারে লিপ্ত হয়ে গিয়েছিল। এজন্য মুসলিমদেরকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে যে, তোমরা বনী ইসরাঈলদের মতো আচরণ করো না। বরং তোমরা যোগ্য লোকদের কাছে আমানত সোপর্দ করো। অর্থাৎ আমানতের বোঝা বহন করার ক্ষমতা যাদের আছে কেবল তাদের হাতে আমানত তুলে দাও। বনী ইসরাঈলদের দ্বিতীয় বড় দুর্বলতা ছিল এই যে, তাদের মধ্যে ইনসাফ ও ন্যায়নীতির প্রাণশক্তি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। ব্যক্তিগত ও জাতীয় স্বার্থে তারা নির্দ্বিধায় ঈমান বিরোধী কাজ করে চলত। ইনসাফের গলায় ছুরি চালাতে তারা কখনো একটুও কুণ্ঠাবোধ করত না। মহান আল্লাহ তাদের এ বেইনসাফির বিরুদ্ধে সতর্কবাণী উচ্চারণ করার পর এবার মুসলিমদের উপদেশ দিচ্ছেন, তোমরা তাদের মতো বেইনসাফকারী হয়ো না। কারো সাথে বন্ধুত্ব বা শত্রুতা যাই হোক না কেন সব অবস্থায় ইনসাফ ও ন্যায়নীতির কথা বলবে এবং ইনসাফ ও সুবিচার সহকারে ফায়সালা করবে।
ন্যায়বিচার করার জন্য দাউদ (আঃ) এর প্রতি আল্লাহর নির্দেশ :
يَا دَاوُوْدُ اِنَّا جَعَلْنَاكَ خَلِيْفَةً فِى الْاَرْضِ فَاحْكُمْ بَيْنَ النَّاسِ بِالْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ الْهَوٰى فَيُضِلَّكَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِؕ اِنَّ الَّذِيْنَ يَضِلُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيْدٌ
হে দাউদ! আমি আপনাকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করেছি। অতএব আপনি মানুষের মধ্যে ন্যায়ভাবে বিচার-মীমাংসা করতে থাকুন এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। নতুবা তা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। (সূরা সোয়াদ- ২৬)
কারো উপর অবিচার করা যাবে না :
وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَاٰنُ قَوْمٍ عَلٰۤى اَلَّا تَعْدِلُوْاؕ اِعْدِلُوْا هُوَ اَقْرَبُ لِلتَّقْوٰى وَاتَّقُوا اللهَؕ اِنَّ اللهَ خَبِيْرٌ ۢبِمَا تَعْمَلُوْنَ
কোন সম্প্রদায়ের শত্রুতা যেন তোমাদেরকে এর প্রতি উদ্যত না করে যে, তোমরা ন্যায়বিচার করবে না। তোমরা ন্যায়বিচার করো, কেননা এটা তাক্বওয়ার অধিকতর নিকটবর্তী। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয় তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ অবহিত। (সূরা মায়েদা- ৮)
ব্যক্তিগত ও গোত্রীয় স্বার্থের কারণে অবিচার করা যাবে না :
وَاِذَا قُلْتُمْ فَاعْدِلُوْا وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبٰىۚ وَبِعَهْدِ اللهِ اَوْفُوْاؕ ذٰلِكُمْ وَصَّاكُمْ بِهٖ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُوْنَ
যখন তোমরা কথা বলবে তখন ন্যায্যভাবে বলবে, যদিও তা আত্মীয়ের বিরুদ্ধে হয়। আর আল্লাহকে প্রদত্ত অঙ্গীকার পূর্ণ করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন, যেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর। (সূরা আন‘আম- ১৫২)
ন্যায়বিচার না করলে আল্লাহর সতর্কবাণী :
فَلَا تَتَّبِعُوا الْهَوٰۤى اَنْ تَعْدِلُوْاۚ وَاِنْ تَلْوُوْاۤ اَوْ تُعْرِضُوْا فَاِنَّ اللهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُوْنَ خَبِيْرًا
সুতরাং তোমরা ন্যায়বিচার করতে প্রবৃত্তির অনুগামী হয়ো না। যদি তোমরা (বিচার করতে গিয়ে) পেঁচালো কথা বল অথবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে (জেনে রেখো) তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক খবর রাখেন। (সূরা নিসা- ১৩৫)
কিছু লোক আছে যারা ন্যায়সঙ্গত বিচার করে :
وَمِمَّنْ خَلَقْنَاۤ اُمَّةٌ يَّهْدُوْنَ بِالْحَقِّ وَبِهٖ يَعْدِلُوْنَ
যাদেরকে আমি সৃষ্টি করেছি তাদের মধ্যে একদল লোক আছে, যারা সঠিক পথ দেখায় এবং ন্যায়সঙ্গতভাবে বিচার-ফায়সালা করে। (সূরা আ‘রাফ- ১৮১)
ঘুষ খেয়ে বিচারে পক্ষপাতিত্ব করা ইয়াহুদিদের কাজ :
سَمَّاعُوْنَ لِلْكَذِبِ اَكَّالُوْنَ لِلسُّحْتِ
তারা যেমন মিথ্যা কথা শুনতে অভ্যস্ত, তেমনিভাবে হারাম খেতেও অত্যন্ত আসক্ত। (সূরা মায়েদা- ৪২)
وَتَرٰى كَثِيْرًا مِّنْهُمْ يُسَارِعُوْنَ فِى الْاِثْمِ وَالْعُدْوَانِ وَاَكْلِهِمُ السُّحْتَؕ لَبِئْسَ مَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ
আর তুমি তাদের মধ্যে এমন অসংখ্য লোক দেখবে, যারা প্রতিযোগিতামূলকভাবে পাপ, যুলুম ও হারাম ভক্ষণে নিপতিত হচ্ছে, বাস্তবিকই তাদের এ কাজ (খুবই) মন্দ (কাজ)। (সূরা মায়েদা- ৬২)
اِنَّ اللهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْاِحْسَانِ وَاِيْتَآءِ ذِى الْقُرْبٰى وَيَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَآءِ وَالْمُنْكَرِ وَالْبَغْيِۚ يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُوْنَ
আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ ও আত্মীয়স্বজনকে দানের নির্দেশ দেন এবং তিনি অশ্লীলতা, অসৎকার্য ও সীমালঙ্ঘন করা থেকে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদেরকে উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পার। (সূরা নাহল- ৯০)
اِعْدِلُوْاؕ هُوَ اَقْرَبُ لِلتَّقْوٰى وَاتَّقُوا اللهَؕ اِنَّ اللهَ خَبِيْرٌ ۢبِمَا تَعْمَلُوْنَ
তোমরা ন্যায়বিচার করো; কেননা তা তাক্বওয়ার অধিকতর নিকটবর্তী এবং আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয় তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা মায়েদা- ৮)
ইনসাফ ও ন্যায়ের দৃষ্টিতে বিচার করার জন্য আল্লাহর নির্দেশ :
وَاِذَا حَكَمْتُمْ بَيْنَ النَّاسِ اَنْ تَحْكُمُوْا بِالْعَدْلِؕ اِنَّ اللهَ نِعِمَّا يَعِظُكُمْ بِهٖؕ اِنَّ اللهَ كَانَ سَمِيْعًا ۢبَصِيْرًا
তোমরা যখন মানুষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করবে তখন ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে বিচার করবে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে উপদেশ দেন তা কতই না উৎকৃষ্ট! নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা। (সূরা নিসা- ৫৮)
ব্যাখ্যা : বনী ইসরাঈলরা যেসব খারাপ কাজে লিপ্ত হয়েছিল তোমরা সেগুলো থেকে দূরে থেকো। বনী ইসরাঈলদের একটি মৌলিক দোষ ছিল এই যে, তারা নিজেদের পতনের যুগে আমানতসমূহ অর্থাৎ ধর্মীয় ও জাতীয় নেতৃত্বের দায়িত্বপূর্ণ পদসমূহ এমনসব লোকদেরকে দেয়া শুরু করেছিল যারা ছিল অযোগ্য, সংকীর্ণমনা, দুশ্চরিত্র, দুর্নীতিপরায়ণ, খেয়ানতকারী ও ব্যভিচারী। ফলে অসৎ লোকদের নেতৃত্বে সমগ্র জাতি অনাচারে লিপ্ত হয়ে গিয়েছিল। এজন্য মুসলিমদেরকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে যে, তোমরা বনী ইসরাঈলদের মতো আচরণ করো না। বরং তোমরা যোগ্য লোকদের কাছে আমানত সোপর্দ করো। অর্থাৎ আমানতের বোঝা বহন করার ক্ষমতা যাদের আছে কেবল তাদের হাতে আমানত তুলে দাও। বনী ইসরাঈলদের দ্বিতীয় বড় দুর্বলতা ছিল এই যে, তাদের মধ্যে ইনসাফ ও ন্যায়নীতির প্রাণশক্তি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। ব্যক্তিগত ও জাতীয় স্বার্থে তারা নির্দ্বিধায় ঈমান বিরোধী কাজ করে চলত। ইনসাফের গলায় ছুরি চালাতে তারা কখনো একটুও কুণ্ঠাবোধ করত না। মহান আল্লাহ তাদের এ বেইনসাফির বিরুদ্ধে সতর্কবাণী উচ্চারণ করার পর এবার মুসলিমদের উপদেশ দিচ্ছেন, তোমরা তাদের মতো বেইনসাফকারী হয়ো না। কারো সাথে বন্ধুত্ব বা শত্রুতা যাই হোক না কেন সব অবস্থায় ইনসাফ ও ন্যায়নীতির কথা বলবে এবং ইনসাফ ও সুবিচার সহকারে ফায়সালা করবে।
ন্যায়বিচার করার জন্য দাউদ (আঃ) এর প্রতি আল্লাহর নির্দেশ :
يَا دَاوُوْدُ اِنَّا جَعَلْنَاكَ خَلِيْفَةً فِى الْاَرْضِ فَاحْكُمْ بَيْنَ النَّاسِ بِالْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ الْهَوٰى فَيُضِلَّكَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِؕ اِنَّ الَّذِيْنَ يَضِلُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيْدٌ
হে দাউদ! আমি আপনাকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করেছি। অতএব আপনি মানুষের মধ্যে ন্যায়ভাবে বিচার-মীমাংসা করতে থাকুন এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। নতুবা তা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। (সূরা সোয়াদ- ২৬)
কারো উপর অবিচার করা যাবে না :
وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَاٰنُ قَوْمٍ عَلٰۤى اَلَّا تَعْدِلُوْاؕ اِعْدِلُوْا هُوَ اَقْرَبُ لِلتَّقْوٰى وَاتَّقُوا اللهَؕ اِنَّ اللهَ خَبِيْرٌ ۢبِمَا تَعْمَلُوْنَ
কোন সম্প্রদায়ের শত্রুতা যেন তোমাদেরকে এর প্রতি উদ্যত না করে যে, তোমরা ন্যায়বিচার করবে না। তোমরা ন্যায়বিচার করো, কেননা এটা তাক্বওয়ার অধিকতর নিকটবর্তী। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয় তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ অবহিত। (সূরা মায়েদা- ৮)
ব্যক্তিগত ও গোত্রীয় স্বার্থের কারণে অবিচার করা যাবে না :
وَاِذَا قُلْتُمْ فَاعْدِلُوْا وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبٰىۚ وَبِعَهْدِ اللهِ اَوْفُوْاؕ ذٰلِكُمْ وَصَّاكُمْ بِهٖ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُوْنَ
যখন তোমরা কথা বলবে তখন ন্যায্যভাবে বলবে, যদিও তা আত্মীয়ের বিরুদ্ধে হয়। আর আল্লাহকে প্রদত্ত অঙ্গীকার পূর্ণ করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন, যেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর। (সূরা আন‘আম- ১৫২)
ন্যায়বিচার না করলে আল্লাহর সতর্কবাণী :
فَلَا تَتَّبِعُوا الْهَوٰۤى اَنْ تَعْدِلُوْاۚ وَاِنْ تَلْوُوْاۤ اَوْ تُعْرِضُوْا فَاِنَّ اللهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُوْنَ خَبِيْرًا
সুতরাং তোমরা ন্যায়বিচার করতে প্রবৃত্তির অনুগামী হয়ো না। যদি তোমরা (বিচার করতে গিয়ে) পেঁচালো কথা বল অথবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে (জেনে রেখো) তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক খবর রাখেন। (সূরা নিসা- ১৩৫)
কিছু লোক আছে যারা ন্যায়সঙ্গত বিচার করে :
وَمِمَّنْ خَلَقْنَاۤ اُمَّةٌ يَّهْدُوْنَ بِالْحَقِّ وَبِهٖ يَعْدِلُوْنَ
যাদেরকে আমি সৃষ্টি করেছি তাদের মধ্যে একদল লোক আছে, যারা সঠিক পথ দেখায় এবং ন্যায়সঙ্গতভাবে বিচার-ফায়সালা করে। (সূরা আ‘রাফ- ১৮১)
ঘুষ খেয়ে বিচারে পক্ষপাতিত্ব করা ইয়াহুদিদের কাজ :
سَمَّاعُوْنَ لِلْكَذِبِ اَكَّالُوْنَ لِلسُّحْتِ
তারা যেমন মিথ্যা কথা শুনতে অভ্যস্ত, তেমনিভাবে হারাম খেতেও অত্যন্ত আসক্ত। (সূরা মায়েদা- ৪২)
وَتَرٰى كَثِيْرًا مِّنْهُمْ يُسَارِعُوْنَ فِى الْاِثْمِ وَالْعُدْوَانِ وَاَكْلِهِمُ السُّحْتَؕ لَبِئْسَ مَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ
আর তুমি তাদের মধ্যে এমন অসংখ্য লোক দেখবে, যারা প্রতিযোগিতামূলকভাবে পাপ, যুলুম ও হারাম ভক্ষণে নিপতিত হচ্ছে, বাস্তবিকই তাদের এ কাজ (খুবই) মন্দ (কাজ)। (সূরা মায়েদা- ৬২)