১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৩৮
অধ্যায়- ২১ : ফিরাউনের ভরাডুবি
সমুদ্রকে স্থির রাখা হলো :
وَاتْرُكِ الْبَحْرَ رَهْوًاؕ اِنَّهُمْ جُنْدٌ مُّغْرَقُوْنَ
সমুদ্রকে স্থির থাকতে দাও, কেননা তারা এমন এক বাহিনী যারা নিমজ্জিত হবেই। (সূরা দুখানু ২৪)
ফিরাউন তার দল নিয়ে নদীতে নামল :
وَاَزْلَفْنَا ثَمَّ الْاٰخَرِيْنَ
অতঃপর আমি অপর দলটিকে সেথায় উপনীত করলাম। (সূরা শু‘আরা– ৬৪)
পানিতে ডুবার সময় ফিরাউন ঈমান আনল :
حَتّٰۤى اِذَاۤ اَدْرَكَهُ الْغَرَقُ قَالَ اٰمَنْتُ اَنَّهٗ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا الَّذِيْۤ اٰمَنَتْ بِه بَنُوْاۤ اِسْرَآئِيْلَ وَاَنَاْ مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ
পরিশেষে যখন সে নিমজ্জিত হলো তখন বলল, বনী ইসরাঈলরা যাতে ঈমান আনয়ন করেছে আমিও তাতে ঈমান আনয়ন করলাম। নিশ্চয় তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই। আর আমি আত্মসমর্পণকারীদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা ইউনুস– ৯০)
আল্লাহ বললেন, এখন কি টনক নড়েছে?
آٰلْاٰنَ وَقَدْ عَصَيْتَ قَبْلُ وَكُنْتَ مِنَ الْمُفْسِدِيْنَ
এখন! ইতোপূর্বে তুমি তো অমান্য করেছ এবং তুমি অশান্তি সৃষ্টিকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে। (সূরা ইউনুস– ৯১)
ফিরাউনের দল ডুবে মরল :
فَانْتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَاَغْرَقْنَاهُمْ فِى الْيَمِّ بِاَنَّهُمْ كَذَّبُوْا بِاٰيَاتِنَا وَكَانُوْا عَنْهَا غَافِلِيْنَ
সুতরাং আমি তাদেরকে শাস্তি দিয়েছি এবং তাদেরকে অতল সমুদ্রে নিমজ্জিত করেছি। কারণ তারা আমার নিদর্শনকে অস্বীকার করত এবং এ সম্বন্ধে তারা ছিল গাফিল। (সূরা আ‘রাফু ১৩৬)
ثُمَّ اَغْرَقْنَا الْاٰخَرِيْنَ
অতঃপর অপর দলটিকে নিমজ্জিত করলাম। (সূরা শু‘আরা– ৬৬)
فَاَتْبَعَهُمْ فِرْعَوْنُ بِجُنُوْدِه فَغَشِيَهُمْ مِّنَ الْيَمِّ مَا غَشِيَهُمْ
অতঃপর ফিরাউন তার সৈন্যসামন্ত নিয়ে তাদের পিছু নিল। আর সমুদ্র তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে ডুবিয়ে দিল। (সূরা ত্বা–হা– ৭৮)
আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিলেন :
فَلَمَّاۤ اٰسَفُوْنَا انْتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَاَغْرَقْنَاهُمْ اَجْمَعِيْنَ
যখন তারা আমাকে ক্রোধান্বিত করল, তখন আমি তাদেরকে শাস্তি দিলাম এবং তাদের সবাইকে নিমজ্জিত করলাম। (সূরা যুখরুফু ৫৫)
فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ
অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন। (সূরা ফাজর– ১৩)
তাকে কঠোরভাবে পাকড়াও করলেন :
فَعَصٰى فِرْعَوْنُ الرَّسُوْلَ فَاَخَذْنَاهُ اَخْذًا وَّبِيْلًا
ফিরাউন রাসূলকে অমান্য করেছিল, ফলে আমি তাকে কঠোরভাবে পাকড়াও করেছিলাম। (সূরা মুয্যাম্মিল– ১৬)
وَجَآءَ فِرْعَوْنُ وَمَنْ قَبْلَهٗ وَالْمُؤْتَفِكَاتُ بِالْخَاطِئَةِ ‐ فَعَصَوْا رَسُوْلَ رَبِّهِمْ فَاَخَذَهُمْ اَخْذَةً رَّابِيَةً
ফিরাউন ও তার পূর্ববর্তীরা এবং উল্টে যাওয়া বস্তিবাসীরা (লূত সম্প্রদায়) গুরুতর পাপকাজে লিপ্ত ছিল। তারা তাদের প্রতিপালকের রাসূলকে অমান্য করেছিল, ফলে তিনি তাদেরকে কঠোরভাবে পাকড়াও করলেন। (সূরা হাক্কাহ– ৯, ১০)
সে উভয় জগতের আযাবে গ্রেফতার হলো :
فَاَخَذَهُ اللهُ نَكَالَ الْاٰخِرَةِ وَالْاُوْلٰى
অতঃপর আল্লাহ তাকে পরকালের ও ইহকালের আযাব দ্বারা পাকড়াও করলেন। (সূরা নাযি‘আত– ২৫)
তাদের তৈরি করা সবকিছু ধ্বংস হলো :
وَدَمَّرْنَا مَا كَانَ يَصْنَعُ فِرْعَوْنُ وَقَوْمُهٗ وَمَا كَانُوْا يَعْرِشُوْنَ
আর ফিরাউন ও তার সম্প্রদায়রা যেসব (শিল্প ও প্রাসাদ) নির্মাণ করেছিল, তা ধ্বংস করে দেই। (সূরা আ‘রাফু ১৩৭)
তাদের বাগবাগিচা বিফলে গেল :
كَمْ تَرَكُوْا مِنْ جَنَّاتٍ وَّعُيُوْنٍ ‐ وَزُرُوْعٍ وَّمَقَامٍ كَرِيْمٍ ‐ وَنَعْمَةٍ كَانُوْا فِيْهَا فَاكِهِيْنَ
তারা ছেড়ে গিয়েছিল কত উদ্যান ও কত ঝর্ণাধারা, কত শস্যক্ষেত্র ও সুরম্য প্রাসাদ এবং কতই না বিলাসবহুল উপকরণ, যা তাদেরকে আনন্দ দিত! (সূরা দুখান, ২৫–২৭)
তারা লাঞ্ছিত হয়ে মারা গেল :
فَاَخَذْنَاهُ وَجُنُوْدَهٗ فَنَبَذْنَاهُمْ فِى الْيَمِّ وَهُوَ مُلِيْمٌ
সুতরাং আমি তাকে ও তার সৈন্যবাহিনীকে পাকড়াও করলাম এবং তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম; ফলে সে তিরস্কৃত হলো। (সূরা যারিয়াত– ৪০)
তাদের দরদী কাউকে পাওয়া গেল না :
فَمَا بَكَتْ عَلَيْهِمُ السَّمَآءُ وَالْاَرْضُ وَمَا كَانُوْا مُنْظَرِيْنَ
অতঃপর আকাশ এবং পৃথিবী কেউই তাদের জন্য অশ্রুপাত করেনি এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হয়নি। (সূরা দুখানু ২৯)
এখন তারা বারযাখের শাস্তি ভোগ করছে :
وَحَاقَ بِاٰلِ فِرْعَوْنَ سُوْٓءُ الْعَذَابِ ‐ اَلنَّارُ يُعْرَضُوْنَ عَلَيْهَا غُدُوًّا وَّعَشِيًّا
আর ফিরাউনের সম্প্রদায়কে নিকৃষ্ট শাস্তি পরিবেষ্টন করল। সকাল–সন্ধ্যায় তাদেরকে উপস্থিত করা হয় আগুনের সম্মুখে। (সূরা মু’মিনু ৪৫)
কিয়ামতের দিন তারা ঘৃণিত হবে :
وَاَتْبَعْنَاهُمْ فِيْ هٰذِهِ الدُّنْيَا لَعْنَةًۚ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ هُمْ مِّنَ الْمَقْبُوْحِيْنَ
এ পৃথিবীতে আমি তাদের সাথে লাগিয়ে দিয়েছি অভিশাপ এবং কিয়ামতের দিন তারা ঘৃণিতদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা ক্বাসাস– ৪২)
তারা কঠিন আযাবে নিক্ষিপ্ত হবে :
وَيَوْمَ تَقُوْمُ السَّاعَةُ اَدْخِلُوْاۤ اٰلَ فِرْعَوْنَ اَشَدَّ الْعَذَابِ
আর যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, সেদিন (বলা হবে) ফিরাউন সম্প্রদায়কে আরো কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ করো। (সূরা মু’মিনু ৪৬)
ফিরাউন নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে :
يَقْدُمُ قَوْمَهٗ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَاَوْرَدَهُمُ النَّارَؕ وَبِئْسَ الْوِرْدُ الْمَوْرُوْدُ
সে কিয়ামতের দিন তার সম্প্রদায়ের অগ্রভাগে থাকবে এবং সে তাদেরকে নিয়ে অগ্নিতে প্রবেশ করবে। আর তাদের প্রবেশস্থল কতই না নিকৃষ্ট! (সূরা হুদু ৯৮)
وَاتْرُكِ الْبَحْرَ رَهْوًاؕ اِنَّهُمْ جُنْدٌ مُّغْرَقُوْنَ
সমুদ্রকে স্থির থাকতে দাও, কেননা তারা এমন এক বাহিনী যারা নিমজ্জিত হবেই। (সূরা দুখানু ২৪)
ফিরাউন তার দল নিয়ে নদীতে নামল :
وَاَزْلَفْنَا ثَمَّ الْاٰخَرِيْنَ
অতঃপর আমি অপর দলটিকে সেথায় উপনীত করলাম। (সূরা শু‘আরা– ৬৪)
পানিতে ডুবার সময় ফিরাউন ঈমান আনল :
حَتّٰۤى اِذَاۤ اَدْرَكَهُ الْغَرَقُ قَالَ اٰمَنْتُ اَنَّهٗ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا الَّذِيْۤ اٰمَنَتْ بِه بَنُوْاۤ اِسْرَآئِيْلَ وَاَنَاْ مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ
পরিশেষে যখন সে নিমজ্জিত হলো তখন বলল, বনী ইসরাঈলরা যাতে ঈমান আনয়ন করেছে আমিও তাতে ঈমান আনয়ন করলাম। নিশ্চয় তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই। আর আমি আত্মসমর্পণকারীদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা ইউনুস– ৯০)
আল্লাহ বললেন, এখন কি টনক নড়েছে?
آٰلْاٰنَ وَقَدْ عَصَيْتَ قَبْلُ وَكُنْتَ مِنَ الْمُفْسِدِيْنَ
এখন! ইতোপূর্বে তুমি তো অমান্য করেছ এবং তুমি অশান্তি সৃষ্টিকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে। (সূরা ইউনুস– ৯১)
ফিরাউনের দল ডুবে মরল :
فَانْتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَاَغْرَقْنَاهُمْ فِى الْيَمِّ بِاَنَّهُمْ كَذَّبُوْا بِاٰيَاتِنَا وَكَانُوْا عَنْهَا غَافِلِيْنَ
সুতরাং আমি তাদেরকে শাস্তি দিয়েছি এবং তাদেরকে অতল সমুদ্রে নিমজ্জিত করেছি। কারণ তারা আমার নিদর্শনকে অস্বীকার করত এবং এ সম্বন্ধে তারা ছিল গাফিল। (সূরা আ‘রাফু ১৩৬)
ثُمَّ اَغْرَقْنَا الْاٰخَرِيْنَ
অতঃপর অপর দলটিকে নিমজ্জিত করলাম। (সূরা শু‘আরা– ৬৬)
فَاَتْبَعَهُمْ فِرْعَوْنُ بِجُنُوْدِه فَغَشِيَهُمْ مِّنَ الْيَمِّ مَا غَشِيَهُمْ
অতঃপর ফিরাউন তার সৈন্যসামন্ত নিয়ে তাদের পিছু নিল। আর সমুদ্র তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে ডুবিয়ে দিল। (সূরা ত্বা–হা– ৭৮)
আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিলেন :
فَلَمَّاۤ اٰسَفُوْنَا انْتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَاَغْرَقْنَاهُمْ اَجْمَعِيْنَ
যখন তারা আমাকে ক্রোধান্বিত করল, তখন আমি তাদেরকে শাস্তি দিলাম এবং তাদের সবাইকে নিমজ্জিত করলাম। (সূরা যুখরুফু ৫৫)
فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ
অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন। (সূরা ফাজর– ১৩)
তাকে কঠোরভাবে পাকড়াও করলেন :
فَعَصٰى فِرْعَوْنُ الرَّسُوْلَ فَاَخَذْنَاهُ اَخْذًا وَّبِيْلًا
ফিরাউন রাসূলকে অমান্য করেছিল, ফলে আমি তাকে কঠোরভাবে পাকড়াও করেছিলাম। (সূরা মুয্যাম্মিল– ১৬)
وَجَآءَ فِرْعَوْنُ وَمَنْ قَبْلَهٗ وَالْمُؤْتَفِكَاتُ بِالْخَاطِئَةِ ‐ فَعَصَوْا رَسُوْلَ رَبِّهِمْ فَاَخَذَهُمْ اَخْذَةً رَّابِيَةً
ফিরাউন ও তার পূর্ববর্তীরা এবং উল্টে যাওয়া বস্তিবাসীরা (লূত সম্প্রদায়) গুরুতর পাপকাজে লিপ্ত ছিল। তারা তাদের প্রতিপালকের রাসূলকে অমান্য করেছিল, ফলে তিনি তাদেরকে কঠোরভাবে পাকড়াও করলেন। (সূরা হাক্কাহ– ৯, ১০)
সে উভয় জগতের আযাবে গ্রেফতার হলো :
فَاَخَذَهُ اللهُ نَكَالَ الْاٰخِرَةِ وَالْاُوْلٰى
অতঃপর আল্লাহ তাকে পরকালের ও ইহকালের আযাব দ্বারা পাকড়াও করলেন। (সূরা নাযি‘আত– ২৫)
তাদের তৈরি করা সবকিছু ধ্বংস হলো :
وَدَمَّرْنَا مَا كَانَ يَصْنَعُ فِرْعَوْنُ وَقَوْمُهٗ وَمَا كَانُوْا يَعْرِشُوْنَ
আর ফিরাউন ও তার সম্প্রদায়রা যেসব (শিল্প ও প্রাসাদ) নির্মাণ করেছিল, তা ধ্বংস করে দেই। (সূরা আ‘রাফু ১৩৭)
তাদের বাগবাগিচা বিফলে গেল :
كَمْ تَرَكُوْا مِنْ جَنَّاتٍ وَّعُيُوْنٍ ‐ وَزُرُوْعٍ وَّمَقَامٍ كَرِيْمٍ ‐ وَنَعْمَةٍ كَانُوْا فِيْهَا فَاكِهِيْنَ
তারা ছেড়ে গিয়েছিল কত উদ্যান ও কত ঝর্ণাধারা, কত শস্যক্ষেত্র ও সুরম্য প্রাসাদ এবং কতই না বিলাসবহুল উপকরণ, যা তাদেরকে আনন্দ দিত! (সূরা দুখান, ২৫–২৭)
তারা লাঞ্ছিত হয়ে মারা গেল :
فَاَخَذْنَاهُ وَجُنُوْدَهٗ فَنَبَذْنَاهُمْ فِى الْيَمِّ وَهُوَ مُلِيْمٌ
সুতরাং আমি তাকে ও তার সৈন্যবাহিনীকে পাকড়াও করলাম এবং তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম; ফলে সে তিরস্কৃত হলো। (সূরা যারিয়াত– ৪০)
তাদের দরদী কাউকে পাওয়া গেল না :
فَمَا بَكَتْ عَلَيْهِمُ السَّمَآءُ وَالْاَرْضُ وَمَا كَانُوْا مُنْظَرِيْنَ
অতঃপর আকাশ এবং পৃথিবী কেউই তাদের জন্য অশ্রুপাত করেনি এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হয়নি। (সূরা দুখানু ২৯)
এখন তারা বারযাখের শাস্তি ভোগ করছে :
وَحَاقَ بِاٰلِ فِرْعَوْنَ سُوْٓءُ الْعَذَابِ ‐ اَلنَّارُ يُعْرَضُوْنَ عَلَيْهَا غُدُوًّا وَّعَشِيًّا
আর ফিরাউনের সম্প্রদায়কে নিকৃষ্ট শাস্তি পরিবেষ্টন করল। সকাল–সন্ধ্যায় তাদেরকে উপস্থিত করা হয় আগুনের সম্মুখে। (সূরা মু’মিনু ৪৫)
কিয়ামতের দিন তারা ঘৃণিত হবে :
وَاَتْبَعْنَاهُمْ فِيْ هٰذِهِ الدُّنْيَا لَعْنَةًۚ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ هُمْ مِّنَ الْمَقْبُوْحِيْنَ
এ পৃথিবীতে আমি তাদের সাথে লাগিয়ে দিয়েছি অভিশাপ এবং কিয়ামতের দিন তারা ঘৃণিতদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা ক্বাসাস– ৪২)
তারা কঠিন আযাবে নিক্ষিপ্ত হবে :
وَيَوْمَ تَقُوْمُ السَّاعَةُ اَدْخِلُوْاۤ اٰلَ فِرْعَوْنَ اَشَدَّ الْعَذَابِ
আর যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, সেদিন (বলা হবে) ফিরাউন সম্প্রদায়কে আরো কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ করো। (সূরা মু’মিনু ৪৬)
ফিরাউন নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে :
يَقْدُمُ قَوْمَهٗ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَاَوْرَدَهُمُ النَّارَؕ وَبِئْسَ الْوِرْدُ الْمَوْرُوْدُ
সে কিয়ামতের দিন তার সম্প্রদায়ের অগ্রভাগে থাকবে এবং সে তাদেরকে নিয়ে অগ্নিতে প্রবেশ করবে। আর তাদের প্রবেশস্থল কতই না নিকৃষ্ট! (সূরা হুদু ৯৮)