১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫০
অধ্যায়- ১১ : মুমিনের কতিপয় বর্জণীয় কাজ
শিরক না করা :
وَالَّذِيْنَ هُمْ بِرَبِّهِمْ لَا يُشْرِكُوْنَ
যারা তাদের প্রতিপালকের সাথে শিরক করে না। (সূরা মু’মিনূন- ৫৯)
রাগ দমন করা :
وَاِذَا مَا غَضِبُوْا هُمْ يَغْفِرُوْنَ
যখন তারা ক্রোধান্বিত হয়, তখন ক্ষমা করে দেয়। (সূরা শূরা- ৩৭)
ব্যাখ্যা : মুমিনগণ কঠোর স্বভাবের হয় না, বরং নম্র মেজাজের অধিকারী হয়। তাদের স্বভাব প্রতিশোধ পরায়ণ হয় না। তারা আল্লাহর বান্দাদের সাথে ক্ষমাসূলভ আচরণ করে এবং কোন কারণে ক্রোধান্বিত হলেও তা নিয়ন্ত্রণ করে। এগুলো মানুষের সর্বোত্তম গুণাবলির অন্তর্ভুক্ত। রাসূল ﷺ ব্যক্তিগত কারণে কখনো প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। তবে আল্লাহর কোন মর্যাদার অবমাননা করা হলে তিনি শাস্তির বিধান জারি করতেন।
অপব্যয় না করা :
وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيْرًا اِنَّ الْمُبَذِّرِيْنَ كَانُوْاۤ اِخْوَانَ الشَّيَاطِيْنِ وَكَانَ الشَّيْطَانُ لِرَبِّه كَفُوْرًا
তোমরা কিছুতেই অপব্যয় করো না; নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। আর শয়তান তার প্রতিপালকের প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ। (সূরা বনী ইসরাঈল- ২৬, ২৭)
গান-বাজনা থেকে দূরে থাকা :
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَّشْتَرِيْ لَهْوَ الْحَدِيْثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّيَتَّخِذَهَا هُزُوًاؕ اُولٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِيْنٌ
মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও রয়েছে, যারা অর্থহীন ও বেহুদা গল্প-কাহিনী ক্রয় করে নেয়। যাতে করে তারা (মানুষদেরকে) অজ্ঞতাবশত আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে এবং আল্লাহর দেখানো পথকে ঠাট্টা-বিদ্রূপের বস্তু বানিয়ে নেয়। এদের জন্যই রয়েছে অপমানজনক শাস্তি। (সূরা লুক্বমান- ৬)
ব্যাখ্যা : لَهْوُ الْحَدِيْثِ (লাহভুল হাদীস) এমন কথা, যা মানুষকে অন্য সবকিছু থেকে গাফিল করে দেয়। এ শব্দটি খারাপ ও অর্থহীন কথা অর্থেও ব্যবহৃত হয়। যেমন, কিসসা-কাহিনী, হাসি-ঠাট্টা এবং গান-বাজনা ইত্যাদি। ‘লাহভুল হাদীস’ কিনে নেয়ার অর্থ ঐ ব্যক্তি সত্য কথাকে বাদ দিয়ে মিথ্যা কথা গ্রহণ করে এবং সঠিক পথনির্দেশনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে এমন কথার প্রতি আগ্রহী হয়, যার মধ্যে দুনিয়াতেও কোন মঙ্গল নেই এবং আখিরাতেও নেই। এক কথায় এর অর্থ হচ্ছে, মানুষ নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে কোন বাজে জিনিস ক্রয় করে।
চালবাজি, ধোঁকাবাজী, দালালী ও প্রতারণা না করা :
وَالَّذِيْنَ يَمْكُرُوْنَ السَّيِّئَاتِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيْدٌؕ وَمَكْرُ اُولٰٓئِكَ هُوَ يَبُوْرُ
যারা খারাপ কাজের চক্রান্ত করে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি, তাদের চক্রান্ত বিফল হবেই। (সূরা ফাতির- ১০)
মানুষকে অবহেলা না করা :
وَلَا تُصَعِّرْ خَدَّكَ لِلنَّاسِ وَلَا تَمْشِ فِى الْاَرْضِ مَرَحًاؕ اِنَّ اللهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُوْرٍ
তুমি অহংকারের বশবর্তী হয়ে মানুষকে অবহেলা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে বিচরণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোন দাম্ভিক ও অহংকারীকে ভালোবাসেন না। (সূরা লুক্বমান- ১৮)
নিজেকে ত্রুটিমুক্ত মনে না করা :
اَلَمْ تَرَ اِلَى الَّذِيْنَ يُزَكُّوْنَ اَنْفُسَهُمْ بَلِ اللهُ يُزَكِّيْ مَنْ يَّشَآءُؕ وَلَا يُظْلَمُوْنَ فَتِيْلًا
তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা নিজেদেরকে পবিত্র মনে করে? বরং আল্লাহ যাকে চান তাকে পবিত্র করেন এবং তাদের উপর সামান্য পরিমাণও যুলুম করা হবে না। (সূরা নিসা- ৪৯)
আত্মপ্রশংসা না করা :
فَلَا تُزَكُّوْاۤ اَنْفُسَكُمْ هُوَ اَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقٰى
তোমরা নিজেদেরকে পবিত্র মনে করো না, তিনি ভালো করেই জানেন কে মুত্তাক্বী। (সূরা নাজম- ৩২)
অন্যায়, হত্যা ও যিনা থেকে দূরে থাকা :
وَالَّذِيْنَ لَا يَدْعُوْنَ مَعَ اللهِ اِلٰهًا اٰخَرَ وَلَا يَقْتُلُوْنَ النَّفْسَ الَّتِيْ حَرَّمَ اللهُ اِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُوْنَۚ وَمَنْ يَّفْعَلْ ذٰلِكَ يَلْقَ اَثَامًا
তারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডাকে না, আল্লাহ যাকে হত্যা করতে নিষেধ করেছেন উপযুক্ত কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং তারা ব্যভিচার করে না। তবে যে এগুলো করে, সে শাস্তি ভোগ করবে। (সূরা ফুরক্বান- ৬৮)
পরস্পরের মধ্যে বিবাদ না করা :
وَلَا تَنَازَعُوْا فَتَفْشَلُوْا وَتَذْهَبَ رِيْحُكُمْ وَاصْبِرُوْاؕ اِنَّ اللهَ مَعَ الصَّابِرِيْنَ
(হে ঈমানদারগণ) তোমরা নিজেদের মধ্যে বিবাদ করো না, যদি তা কর তবে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সুতরাং তোমরা ধৈর্যধারণ করো, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন। (সূরা আনফাল- ৪৬)
মিথ্যা সাক্ষ্য না দেয়া :
وَالَّذِيْنَ لَا يَشْهَدُوْنَ الزُّوْرَ وَاِذَا مَرُّوْا بِاللَّغْوِ مَرُّوْا كِرَامًا
যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় না এবং যখন তারা কোন অযথা বিষয়ের সম্মুখীন হয়ে যায়, তখন একান্ত ভদ্রতার সাথে সেখান থেকে কেটে পড়ে। (সূরা ফুরক্বান- ৭২)
মন্দ কাজে সুপারিশ না করা :
مَنْ يَّشْفَعْ شَفَاعَةً حَسَنَةً يَّكُنْ لَّهٗ نَصِيْبٌ مِّنْهَاۚ وَمَنْ يَّشْفَعْ شَفَاعَةً سَيِّئَةً يَّكُنْ لَّهٗ كِفْلٌ مِّنْهَاؕ وَكَانَ اللهُ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ مُّقِيْتًا
যে ব্যক্তি কোন ভালো কাজের সুপারিশ করবে, তাতে তার জন্যও (সওয়াবের) একটি অংশ থাকবে এবং যে ব্যক্তি কোন মন্দকাজের সুপারিশ করবে, তাতে তার জন্যও (পাপের) একটি অংশ থাকবে। আল্লাহ সর্ববিষয়ে নজর রাখেন। (সূরা নিসা- ৮৫)
পাপিষ্ঠদের প্রতি আকৃষ্ট না হওয়া :
وَلَا تَرْكَنُوْاۤ اِلَى الَّذِيْنَ ظَلَمُوْا فَتَمَسَّكُمُ النَّارُ وَمَا لَكُمْ مِّنْ دُوْنِ اللهِ مِنْ اَوْلِيَآءَ ثُمَّ لَا تُنْصَرُوْنَ
যারা যুলুম করেছে তোমরা তাদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না, তাহলে (জাহান্নামের) অগ্নি তোমাদেরকে স্পর্শ করবে। তখন আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক থাকবে না এবং তোমাদেরকে কোন সাহায্যও করা হবে না। (সূরা হুদ- ১১৩)
وَالَّذِيْنَ هُمْ بِرَبِّهِمْ لَا يُشْرِكُوْنَ
যারা তাদের প্রতিপালকের সাথে শিরক করে না। (সূরা মু’মিনূন- ৫৯)
রাগ দমন করা :
وَاِذَا مَا غَضِبُوْا هُمْ يَغْفِرُوْنَ
যখন তারা ক্রোধান্বিত হয়, তখন ক্ষমা করে দেয়। (সূরা শূরা- ৩৭)
ব্যাখ্যা : মুমিনগণ কঠোর স্বভাবের হয় না, বরং নম্র মেজাজের অধিকারী হয়। তাদের স্বভাব প্রতিশোধ পরায়ণ হয় না। তারা আল্লাহর বান্দাদের সাথে ক্ষমাসূলভ আচরণ করে এবং কোন কারণে ক্রোধান্বিত হলেও তা নিয়ন্ত্রণ করে। এগুলো মানুষের সর্বোত্তম গুণাবলির অন্তর্ভুক্ত। রাসূল ﷺ ব্যক্তিগত কারণে কখনো প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। তবে আল্লাহর কোন মর্যাদার অবমাননা করা হলে তিনি শাস্তির বিধান জারি করতেন।
অপব্যয় না করা :
وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيْرًا اِنَّ الْمُبَذِّرِيْنَ كَانُوْاۤ اِخْوَانَ الشَّيَاطِيْنِ وَكَانَ الشَّيْطَانُ لِرَبِّه كَفُوْرًا
তোমরা কিছুতেই অপব্যয় করো না; নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। আর শয়তান তার প্রতিপালকের প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ। (সূরা বনী ইসরাঈল- ২৬, ২৭)
গান-বাজনা থেকে দূরে থাকা :
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَّشْتَرِيْ لَهْوَ الْحَدِيْثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّيَتَّخِذَهَا هُزُوًاؕ اُولٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِيْنٌ
মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও রয়েছে, যারা অর্থহীন ও বেহুদা গল্প-কাহিনী ক্রয় করে নেয়। যাতে করে তারা (মানুষদেরকে) অজ্ঞতাবশত আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে এবং আল্লাহর দেখানো পথকে ঠাট্টা-বিদ্রূপের বস্তু বানিয়ে নেয়। এদের জন্যই রয়েছে অপমানজনক শাস্তি। (সূরা লুক্বমান- ৬)
ব্যাখ্যা : لَهْوُ الْحَدِيْثِ (লাহভুল হাদীস) এমন কথা, যা মানুষকে অন্য সবকিছু থেকে গাফিল করে দেয়। এ শব্দটি খারাপ ও অর্থহীন কথা অর্থেও ব্যবহৃত হয়। যেমন, কিসসা-কাহিনী, হাসি-ঠাট্টা এবং গান-বাজনা ইত্যাদি। ‘লাহভুল হাদীস’ কিনে নেয়ার অর্থ ঐ ব্যক্তি সত্য কথাকে বাদ দিয়ে মিথ্যা কথা গ্রহণ করে এবং সঠিক পথনির্দেশনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে এমন কথার প্রতি আগ্রহী হয়, যার মধ্যে দুনিয়াতেও কোন মঙ্গল নেই এবং আখিরাতেও নেই। এক কথায় এর অর্থ হচ্ছে, মানুষ নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে কোন বাজে জিনিস ক্রয় করে।
চালবাজি, ধোঁকাবাজী, দালালী ও প্রতারণা না করা :
وَالَّذِيْنَ يَمْكُرُوْنَ السَّيِّئَاتِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيْدٌؕ وَمَكْرُ اُولٰٓئِكَ هُوَ يَبُوْرُ
যারা খারাপ কাজের চক্রান্ত করে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি, তাদের চক্রান্ত বিফল হবেই। (সূরা ফাতির- ১০)
মানুষকে অবহেলা না করা :
وَلَا تُصَعِّرْ خَدَّكَ لِلنَّاسِ وَلَا تَمْشِ فِى الْاَرْضِ مَرَحًاؕ اِنَّ اللهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُوْرٍ
তুমি অহংকারের বশবর্তী হয়ে মানুষকে অবহেলা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে বিচরণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোন দাম্ভিক ও অহংকারীকে ভালোবাসেন না। (সূরা লুক্বমান- ১৮)
নিজেকে ত্রুটিমুক্ত মনে না করা :
اَلَمْ تَرَ اِلَى الَّذِيْنَ يُزَكُّوْنَ اَنْفُسَهُمْ بَلِ اللهُ يُزَكِّيْ مَنْ يَّشَآءُؕ وَلَا يُظْلَمُوْنَ فَتِيْلًا
তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা নিজেদেরকে পবিত্র মনে করে? বরং আল্লাহ যাকে চান তাকে পবিত্র করেন এবং তাদের উপর সামান্য পরিমাণও যুলুম করা হবে না। (সূরা নিসা- ৪৯)
আত্মপ্রশংসা না করা :
فَلَا تُزَكُّوْاۤ اَنْفُسَكُمْ هُوَ اَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقٰى
তোমরা নিজেদেরকে পবিত্র মনে করো না, তিনি ভালো করেই জানেন কে মুত্তাক্বী। (সূরা নাজম- ৩২)
অন্যায়, হত্যা ও যিনা থেকে দূরে থাকা :
وَالَّذِيْنَ لَا يَدْعُوْنَ مَعَ اللهِ اِلٰهًا اٰخَرَ وَلَا يَقْتُلُوْنَ النَّفْسَ الَّتِيْ حَرَّمَ اللهُ اِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُوْنَۚ وَمَنْ يَّفْعَلْ ذٰلِكَ يَلْقَ اَثَامًا
তারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডাকে না, আল্লাহ যাকে হত্যা করতে নিষেধ করেছেন উপযুক্ত কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং তারা ব্যভিচার করে না। তবে যে এগুলো করে, সে শাস্তি ভোগ করবে। (সূরা ফুরক্বান- ৬৮)
পরস্পরের মধ্যে বিবাদ না করা :
وَلَا تَنَازَعُوْا فَتَفْشَلُوْا وَتَذْهَبَ رِيْحُكُمْ وَاصْبِرُوْاؕ اِنَّ اللهَ مَعَ الصَّابِرِيْنَ
(হে ঈমানদারগণ) তোমরা নিজেদের মধ্যে বিবাদ করো না, যদি তা কর তবে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সুতরাং তোমরা ধৈর্যধারণ করো, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন। (সূরা আনফাল- ৪৬)
মিথ্যা সাক্ষ্য না দেয়া :
وَالَّذِيْنَ لَا يَشْهَدُوْنَ الزُّوْرَ وَاِذَا مَرُّوْا بِاللَّغْوِ مَرُّوْا كِرَامًا
যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় না এবং যখন তারা কোন অযথা বিষয়ের সম্মুখীন হয়ে যায়, তখন একান্ত ভদ্রতার সাথে সেখান থেকে কেটে পড়ে। (সূরা ফুরক্বান- ৭২)
মন্দ কাজে সুপারিশ না করা :
مَنْ يَّشْفَعْ شَفَاعَةً حَسَنَةً يَّكُنْ لَّهٗ نَصِيْبٌ مِّنْهَاۚ وَمَنْ يَّشْفَعْ شَفَاعَةً سَيِّئَةً يَّكُنْ لَّهٗ كِفْلٌ مِّنْهَاؕ وَكَانَ اللهُ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ مُّقِيْتًا
যে ব্যক্তি কোন ভালো কাজের সুপারিশ করবে, তাতে তার জন্যও (সওয়াবের) একটি অংশ থাকবে এবং যে ব্যক্তি কোন মন্দকাজের সুপারিশ করবে, তাতে তার জন্যও (পাপের) একটি অংশ থাকবে। আল্লাহ সর্ববিষয়ে নজর রাখেন। (সূরা নিসা- ৮৫)
পাপিষ্ঠদের প্রতি আকৃষ্ট না হওয়া :
وَلَا تَرْكَنُوْاۤ اِلَى الَّذِيْنَ ظَلَمُوْا فَتَمَسَّكُمُ النَّارُ وَمَا لَكُمْ مِّنْ دُوْنِ اللهِ مِنْ اَوْلِيَآءَ ثُمَّ لَا تُنْصَرُوْنَ
যারা যুলুম করেছে তোমরা তাদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না, তাহলে (জাহান্নামের) অগ্নি তোমাদেরকে স্পর্শ করবে। তখন আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক থাকবে না এবং তোমাদেরকে কোন সাহায্যও করা হবে না। (সূরা হুদ- ১১৩)