১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৩
অধ্যায়- ৭ : সিজদার বিবরণ
আল্লাহকে সিজদা করার আদেশ :
فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُنْ مِّنَ السَّاجِدِيْنَ
অতএব প্রশংসার সাথে তোমার প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করো এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও। (সূরা হিজর- ৯৮)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا ارْكَعُوْا وَاسْجُدُوْا وَاعْبُدُوْا رَبَّكُمْ وَافْعَلُوا الْخَيْرَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা রুকূ করো ও সিজদা করো। আর তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদাত করো এবং সৎকাজ করো, যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার। (সূরা হজ্জ- ৭৭)
ব্যাখ্যা : সিজদা বলতে বুঝায় আনুগত্য প্রকাশ করার জন্য ঝুঁকে পড়া, আদেশ পালন করা এবং মাথা নত করা। পৃথিবী ও আকাশের প্রত্যেকটি সৃষ্টি আল্লাহর আইনের অনুগত। তারা তাঁর ইচ্ছার একটুও বিরোধিতা করতে পারে না। এ অর্থে তারা প্রত্যেকেই আল্লাহকে সিজদা করছে। মুমিন স্বেচ্ছায় আল্লাহর সামনে নত হয়, কিন্তু কাফিরকে বাধ্য হয়ে নত হতে হয়। কারণ আল্লাহর প্রাকৃতিক আইনের বাইরে চলে যাওয়ার ক্ষমতা কারো নেই।
সিজদা আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় :
كَلَّاؕ لَا تُطِعْهُ وَاسْجُدْ وَاقْتَرِبْ
কখনো নয়, তুমি কিছুতেই তার অনুসরণ করো না; বরং তুমি তোমার মালিকের সামনে সিজদাবনত হও এবং তাঁর নৈকট্য লাভ করো। (সূরা আলাক্ব- ১৯)
পৃথিবীর সবকিছু আল্লাহকে সিজদা করে :
اَلَمْ تَرَ اَنَّ اللهَ يَسْجُدُ لَهٗ مَنْ فِى السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِى الْاَرْضِ وَالشَّمْسُ وَالْقَمَرُ وَالنُّجُوْمُ وَالْجِبَالُ وَالشَّجَرُ وَالدَّوَآبُّ وَكَثِيْرٌ مِّنَ النَّاسِ
তুমি কি দেখ না যে, আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু আল্লাহকে সিজদা করে। (সিজদা করে) চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্রসমূহ, পর্বতরাজি, বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং মানুষের মধ্যে অনেকে। (সূরা হজ্জ- ১৮)
وَلِلّٰهِ يَسْجُدُ مَا فِى السَّمَاوَاتِ وَمَا فِى الْاَرْضِ مِنْ دَآبَّةٍ وَّالْمَلَآئِكَةُ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُوْنَ
আসমানসমূহ ও জমিনে বিচরণশীল যা কিছু আছে সবকিছু এবং ফেরেশতারা আল্লাহকে সিজদা করে। আর তারা কেউই অহংকার করে না। (সূরা নাহল- ৪৯)
ফেরেশতারা আল্লাহকে সিজদা করে :
اِنَّ الَّذِيْنَ عِنْدَ رَبِّكَ لَا يَسْتَكْبِرُوْنَ عَنْ عِبَادَتِهٖ وَيُسَبِّحُوْنَهٗ وَلَهٗ يَسْجُدُوْنَ
যারা তোমার প্রতিপালকের সান্নিধ্যে রয়েছে তারা তাঁর ইবাদাতের ক্ষেত্রে অহংকার প্রকাশ করে না। তারা তাঁর মহিমা ঘোষণা করে এবং তাঁরই নিকট সিজদাবনত হয়। (সূরা আ‘রাফ- ২০৬)
গাছপালা আল্লাহকে সিজদা করে :
وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ
তারকা ও বৃক্ষরাজী (আল্লাহকে) সিজদা করে। (সূরা আর রহমান- ৬)
সবকিছুর ছায়া আল্লাহকে সিজদা করে :
اَوَلَمْ يَرَوْا اِلٰى مَا خَلَقَ اللهُ مِنْ شَيْءٍ يَّتَفَيَّاُ ظِلَالُهٗ عَنِ الْيَمِيْنِ وَالشَّمَآئِلِ سُجَّدًا لِّلّٰهِ وَهُمْ دَاخِرُوْنَ
আল্লাহ যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তারা কি সেগুলোর প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তার ছায়া ডানে ও বামে আল্লাহর প্রতি সিজদাবনত হয়ে ঢলে পড়ে। (সূরা নাহল- ৪৮)
وَلِلّٰهِ يَسْجُدُ مَنْ فِى السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ طَوْعًا وَّكَرْهًا وَّظِلَالُهُمْ بِالْغُدُوِّ وَالْاٰصَالِ
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সর্বাবস্থায় আল্লাহকে সিজদা করে। এমনকি সকাল-সন্ধ্যায় তাদের ছায়াগুলোও (সিজদা করে)। (সূরা রা‘দ- ১৫)
সাহাবীদের চেহারায় সিজদার চিহ্ন ফুটে উঠত :
تَرَاهُمْ رُكَّعًا سُجَّدًا يَّبْتَغُوْنَ فَضْلًا مِّنَ اللّٰهِ وَرِضْوَانًاؕ سِيْمَاهُمْ فِيْ وُجُوْهِهِمْ مِّنْ اَثَرِ السُّجُوْدِ
তুমি তাদেরকে দেখবে রুকূ ও সিজদা অবস্থায়, তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি অনুসন্ধানে নিয়োজিত। তাদের চেহারায় সিজদার প্রভাব পরিস্ফুটিত হয়। (সূরা ফাতহ- ২৯)
কতক মানুষ আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাঁর সৃষ্টিকে সিজদা করে :
وَجَدْتُّهَا وَقَوْمَهَا يَسْجُدُوْنَ لِلشَّمْسِ مِنْ دُوْنِ اللهِ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ اَعْمَالَهُمْ فَصَدَّهُمْ عَنِ السَّبِيْلِ فَهُمْ لَا يَهْتَدُوْنَ
আমি তাকে ও তার সম্প্রদায়কে দেখলাম তারা আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সিজদা করছে। শয়তান তাদের কার্যাবলি তাদের নিকট সুন্দর করে দিয়েছে এবং তাদেরকে সৎপথ হতে বিরত রেখেছে, ফলে তারা হেদায়াতপ্রাপ্ত হয় না। (সূরা নামল- ২৪)
এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুকে সিজদা করা যাবে না :
لَا تَسْجُدُوْا لِلشَّمْسِ وَلَا لِلْقَمَرِ وَاسْجُدُوْا لِلّٰهِ الَّذِيْ خَلَقَهُنَّ اِنْ كُنْتُمْ اِيَّاهُ تَعْبُدُوْنَ
তোমরা সূর্য ও চন্দ্রকে সিজদা করো না; বরং আল্লাহকে সিজদা করো, যিনি এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা তাঁরই ইবাদাত করে থাক। (সূরা হা-মীম সাজদা- ৩৭)
অনেকেই আল্লাহকে সিজদা করে না :
وَاِذَا قِيْلَ لَهُمُ اسْجُدُوْا لِلرَّحْمٰنِ قَالُوْا وَمَا الرَّحْمٰنُ اَنَسْجُدُ لِمَا تَاْمُرُنَا وَزَادَهُمْ نُفُوْرًا
যখন তাদেরকে বলা হলো, তোমরা দয়াময় আল্লাহর প্রতি সিজদাবনত হও তখন তারা বলল, দয়াময় আল্লাহ আবার কে? যাকেই তোমরা আমাদেরকে সিজদা করতে বলবে তাকেই কি আমরা সিজদা করব? বস্তুত এটা তাদের বিদ্বেষ আরো বাড়িয়ে দেয়। (সূরা ফুরক্বান- ৬০)
وَاِذَا قُرِئَ عَلَيْهِمُ الْقُرْاٰنُ لَا يَسْجُدُوْنَ
আর যখন তাদের সামনে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়, তখন তারা সিজদাবনত হয় না। (সূরা ইনশিক্বাক- ২১)
যারা দুনিয়াতে সিজদা করে না, তারা পরকালে অপমানিত হবে :
خَاشِعَةً اَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌؕ وَقَدْ كَانُوْا يُدْعَوْنَ اِلَى السُّجُوْدِ وَهُمْ سَالِمُوْنَ
তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, অপমান ও লাঞ্ছনা তাদের উপর চেপে বসবে। (দুনিয়াতে) তারা যখন সুস্থ ও নিরাপদ ছিল তখনও তাদেরকে সিজদা করার জন্য ডাকা হতো (কিন্তু তারা সিজদা করত না)। (সূরা ক্বালাম- ৪৩)
فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُنْ مِّنَ السَّاجِدِيْنَ
অতএব প্রশংসার সাথে তোমার প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করো এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও। (সূরা হিজর- ৯৮)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا ارْكَعُوْا وَاسْجُدُوْا وَاعْبُدُوْا رَبَّكُمْ وَافْعَلُوا الْخَيْرَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা রুকূ করো ও সিজদা করো। আর তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদাত করো এবং সৎকাজ করো, যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার। (সূরা হজ্জ- ৭৭)
ব্যাখ্যা : সিজদা বলতে বুঝায় আনুগত্য প্রকাশ করার জন্য ঝুঁকে পড়া, আদেশ পালন করা এবং মাথা নত করা। পৃথিবী ও আকাশের প্রত্যেকটি সৃষ্টি আল্লাহর আইনের অনুগত। তারা তাঁর ইচ্ছার একটুও বিরোধিতা করতে পারে না। এ অর্থে তারা প্রত্যেকেই আল্লাহকে সিজদা করছে। মুমিন স্বেচ্ছায় আল্লাহর সামনে নত হয়, কিন্তু কাফিরকে বাধ্য হয়ে নত হতে হয়। কারণ আল্লাহর প্রাকৃতিক আইনের বাইরে চলে যাওয়ার ক্ষমতা কারো নেই।
সিজদা আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় :
كَلَّاؕ لَا تُطِعْهُ وَاسْجُدْ وَاقْتَرِبْ
কখনো নয়, তুমি কিছুতেই তার অনুসরণ করো না; বরং তুমি তোমার মালিকের সামনে সিজদাবনত হও এবং তাঁর নৈকট্য লাভ করো। (সূরা আলাক্ব- ১৯)
পৃথিবীর সবকিছু আল্লাহকে সিজদা করে :
اَلَمْ تَرَ اَنَّ اللهَ يَسْجُدُ لَهٗ مَنْ فِى السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِى الْاَرْضِ وَالشَّمْسُ وَالْقَمَرُ وَالنُّجُوْمُ وَالْجِبَالُ وَالشَّجَرُ وَالدَّوَآبُّ وَكَثِيْرٌ مِّنَ النَّاسِ
তুমি কি দেখ না যে, আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু আল্লাহকে সিজদা করে। (সিজদা করে) চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্রসমূহ, পর্বতরাজি, বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং মানুষের মধ্যে অনেকে। (সূরা হজ্জ- ১৮)
وَلِلّٰهِ يَسْجُدُ مَا فِى السَّمَاوَاتِ وَمَا فِى الْاَرْضِ مِنْ دَآبَّةٍ وَّالْمَلَآئِكَةُ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُوْنَ
আসমানসমূহ ও জমিনে বিচরণশীল যা কিছু আছে সবকিছু এবং ফেরেশতারা আল্লাহকে সিজদা করে। আর তারা কেউই অহংকার করে না। (সূরা নাহল- ৪৯)
ফেরেশতারা আল্লাহকে সিজদা করে :
اِنَّ الَّذِيْنَ عِنْدَ رَبِّكَ لَا يَسْتَكْبِرُوْنَ عَنْ عِبَادَتِهٖ وَيُسَبِّحُوْنَهٗ وَلَهٗ يَسْجُدُوْنَ
যারা তোমার প্রতিপালকের সান্নিধ্যে রয়েছে তারা তাঁর ইবাদাতের ক্ষেত্রে অহংকার প্রকাশ করে না। তারা তাঁর মহিমা ঘোষণা করে এবং তাঁরই নিকট সিজদাবনত হয়। (সূরা আ‘রাফ- ২০৬)
গাছপালা আল্লাহকে সিজদা করে :
وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ
তারকা ও বৃক্ষরাজী (আল্লাহকে) সিজদা করে। (সূরা আর রহমান- ৬)
সবকিছুর ছায়া আল্লাহকে সিজদা করে :
اَوَلَمْ يَرَوْا اِلٰى مَا خَلَقَ اللهُ مِنْ شَيْءٍ يَّتَفَيَّاُ ظِلَالُهٗ عَنِ الْيَمِيْنِ وَالشَّمَآئِلِ سُجَّدًا لِّلّٰهِ وَهُمْ دَاخِرُوْنَ
আল্লাহ যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তারা কি সেগুলোর প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তার ছায়া ডানে ও বামে আল্লাহর প্রতি সিজদাবনত হয়ে ঢলে পড়ে। (সূরা নাহল- ৪৮)
وَلِلّٰهِ يَسْجُدُ مَنْ فِى السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ طَوْعًا وَّكَرْهًا وَّظِلَالُهُمْ بِالْغُدُوِّ وَالْاٰصَالِ
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সর্বাবস্থায় আল্লাহকে সিজদা করে। এমনকি সকাল-সন্ধ্যায় তাদের ছায়াগুলোও (সিজদা করে)। (সূরা রা‘দ- ১৫)
সাহাবীদের চেহারায় সিজদার চিহ্ন ফুটে উঠত :
تَرَاهُمْ رُكَّعًا سُجَّدًا يَّبْتَغُوْنَ فَضْلًا مِّنَ اللّٰهِ وَرِضْوَانًاؕ سِيْمَاهُمْ فِيْ وُجُوْهِهِمْ مِّنْ اَثَرِ السُّجُوْدِ
তুমি তাদেরকে দেখবে রুকূ ও সিজদা অবস্থায়, তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি অনুসন্ধানে নিয়োজিত। তাদের চেহারায় সিজদার প্রভাব পরিস্ফুটিত হয়। (সূরা ফাতহ- ২৯)
কতক মানুষ আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাঁর সৃষ্টিকে সিজদা করে :
وَجَدْتُّهَا وَقَوْمَهَا يَسْجُدُوْنَ لِلشَّمْسِ مِنْ دُوْنِ اللهِ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ اَعْمَالَهُمْ فَصَدَّهُمْ عَنِ السَّبِيْلِ فَهُمْ لَا يَهْتَدُوْنَ
আমি তাকে ও তার সম্প্রদায়কে দেখলাম তারা আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সিজদা করছে। শয়তান তাদের কার্যাবলি তাদের নিকট সুন্দর করে দিয়েছে এবং তাদেরকে সৎপথ হতে বিরত রেখেছে, ফলে তারা হেদায়াতপ্রাপ্ত হয় না। (সূরা নামল- ২৪)
এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুকে সিজদা করা যাবে না :
لَا تَسْجُدُوْا لِلشَّمْسِ وَلَا لِلْقَمَرِ وَاسْجُدُوْا لِلّٰهِ الَّذِيْ خَلَقَهُنَّ اِنْ كُنْتُمْ اِيَّاهُ تَعْبُدُوْنَ
তোমরা সূর্য ও চন্দ্রকে সিজদা করো না; বরং আল্লাহকে সিজদা করো, যিনি এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা তাঁরই ইবাদাত করে থাক। (সূরা হা-মীম সাজদা- ৩৭)
অনেকেই আল্লাহকে সিজদা করে না :
وَاِذَا قِيْلَ لَهُمُ اسْجُدُوْا لِلرَّحْمٰنِ قَالُوْا وَمَا الرَّحْمٰنُ اَنَسْجُدُ لِمَا تَاْمُرُنَا وَزَادَهُمْ نُفُوْرًا
যখন তাদেরকে বলা হলো, তোমরা দয়াময় আল্লাহর প্রতি সিজদাবনত হও তখন তারা বলল, দয়াময় আল্লাহ আবার কে? যাকেই তোমরা আমাদেরকে সিজদা করতে বলবে তাকেই কি আমরা সিজদা করব? বস্তুত এটা তাদের বিদ্বেষ আরো বাড়িয়ে দেয়। (সূরা ফুরক্বান- ৬০)
وَاِذَا قُرِئَ عَلَيْهِمُ الْقُرْاٰنُ لَا يَسْجُدُوْنَ
আর যখন তাদের সামনে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়, তখন তারা সিজদাবনত হয় না। (সূরা ইনশিক্বাক- ২১)
যারা দুনিয়াতে সিজদা করে না, তারা পরকালে অপমানিত হবে :
خَاشِعَةً اَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌؕ وَقَدْ كَانُوْا يُدْعَوْنَ اِلَى السُّجُوْدِ وَهُمْ سَالِمُوْنَ
তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, অপমান ও লাঞ্ছনা তাদের উপর চেপে বসবে। (দুনিয়াতে) তারা যখন সুস্থ ও নিরাপদ ছিল তখনও তাদেরকে সিজদা করার জন্য ডাকা হতো (কিন্তু তারা সিজদা করত না)। (সূরা ক্বালাম- ৪৩)