১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫৯
অধ্যায়- ৪ : নবী জাতিকে ভালোভাবে বুঝালেন
নবী বললেন, আমি নির্বোধ নই :
قَالَ يَا قَوْمِ لَيْسَ بِيْ سَفَاهَةٌ وَّلٰكِنِّيْ رَسُوْلٌ مِّنْ رَّبِّ الْعَالَمِيْنَ
সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি নির্বোধ নই, বরং আমি জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রেরিত রাসূল।
(সূরা আ‘রাফু ৬৭)
আমি তোমাদের রাসূল :
اِنِّيْ لَكُمْ رَسُوْلٌ اَمِيْنٌ
আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল। (সূরা শু‘আরা– ১২৫)
আমি তোমাদের হিতাকাঙ্খী :
اُبَلِّغُكُمْ رِسَالَاتِ رَبِّيْ وَاَنَاْ لَكُمْ نَاصِحٌ اَمِيْنٌ
আমি আমার প্রতিপালকের বাণী তোমাদের নিকট পৌঁছে দিচ্ছি। নিশ্চয় আমি তোমাদের বিশ্বস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী। (সূরা আ‘রাফ – ৬৮)
তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও আমার অনুসরণ করো :
فَاتَّقُوا اللهَ وَاَطِيْعُوْنِ
অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো। (সূরা শু‘আরা– ১২৬)
আমি তোমাদের নিকট কোন পারিশ্রমিক চাই না :
وَمَاۤ اَسْاَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ اَجْرٍۚ اِنْ اَجْرِيَ اِلَّا عَلٰى رَبِّ الْعَالَمِيْنَ
আমি তোমাদের নিকট এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট। (সূরা শু‘আরা– ১২৭)
يَا قَوْمِ لَاۤ اَسْاَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًاؕ اِنْ اَجْرِيَ اِلَّا عَلَى الَّذِيْ فَطَرَنِيْؕ اَفَلَا تَعْقِلُوْنَ
হে আমার সম্প্রদায়! আমি এর পরিবর্তে তোমাদের নিকট পারিশ্রমিক চাই না। আমার পারিশ্রমিক তাঁরই নিকট (সংরক্ষিত) আছে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করবে না? (সূরা হুদু ৫১)
আমি শিরক থেকে মুক্ত :
وَاشْهَدُوْاۤ اَنِّيْ بَرِيْٓءٌ مِّمَّا تُشْرِكُوْنَ
তোমরাও সাক্ষী হও যে, নিশ্চয় আমি তা হতে মুক্ত, যাকে তোমরা তাঁর সাথে শরীক কর। (সূরা হুদু ৫৪)
আযাব সম্পর্কে আমার জ্ঞান নেই :
قَالَ اِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللهِؗ وَاُبَلِّغُكُمْ مَّاۤ اُرْسِلْتُ بِهٖ وَلٰكِنِّيْۤ اَرَاكُمْ قَوْمًا تَجْهَلُوْنَ
তিনি বললেন, এ বিষয়ে ইলিম তো কেবল আল্লাহর কাছেই রয়েছে। আমি তো শুধু ঐ বাণী তোমাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি, যা দিয়ে আমাকে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আমি দেখছি, তোমরা এক অজ্ঞ সম্প্রদায়। (সূরা আহকাফু ২৩)
তোমরা আল্লাহর নিয়ামতের কথা স্মরণ করো :
فَاذْكُرُوْاۤ اٰلَآءَ اللهِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা আ‘রাফু ৬৯)
وَاتَّقُوا الَّذِيْۤ اَمَدَّكُمْ بِمَا تَعْلَمُوْنَ ‐ اَمَدَّكُمْ بِاَنْعَامٍ وَّبَنِيْنَ ‐ وَجَنّٰةٍ وَّعُيُوْنَ
তোমরা তাঁকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এমন কিছু দান করেছেন, যে সম্পর্কে তোমরা অবগত আছ। তিনি তোমাদেরকে দান করেছেন চতুষ্পদ জন্তু ও সন্তান-সন্ততি, উদ্যান ও ঝর্ণাধারা। (সূরা শু‘আরা, ১৩২–১৩৪)
তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা করো :
وَيَا قَوْمِ اسْتَغْفِرُوْا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوْبُوْاۤ اِلَيْهِ يُرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُمْ مِّدْرَارًا وَّيَزِدْكُمْ قُوَّةً اِلٰى قُوَّتِكُمْ وَلَا تَتَوَلَّوْا مُجْرِمِيْنَ
হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসো। তিনি আকাশ হতে তোমাদের জন্য প্রচুর বারি বর্ষণ করবেন। তিনি তোমাদেরকে আরো শক্তি দিয়ে তোমাদের শক্তি বৃদ্ধি করবেন, কিন্তু তোমরা অপরাধী হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। (সূরা হুদু ৫২)
নবী আযাবের ভয় দেখালেন :
اِنِّۤيْ اَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيْمٍ
আমি তোমাদের ব্যাপারে এক ভয়ানক আযাবের দিনের আশঙ্কাবোধ করছি। (সূরা আ‘রাফ- ৫৯)
নবীর চ্যালেঞ্জ ঘোষণা :
فَكِيْدُوْنِيْ جَمِيْعًا ثُمَّ لَا تُنْظِرُوْنِ ‐ اِنِّيْ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ رَبِّيْ وَرَبِّكُمْؕ مَا مِنْ دَآبَّةٍ اِلَّا هُوَ اٰخِذٌ ۢبِنَاصِيَتِهَاؕ اِنَّ رَبِّيْ عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
তোমরা সকলে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করো এবং আমাকে অবকাশ দিয়ো না। আমি আমার ও তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর নির্ভর করি। এমন কোন জীবজন্তু নেই, যে তাঁর পূর্ণ আয়ত্তাধীন নয়। নিশ্চয় আমার প্রতিপালক সরল পথেই রয়েছেন। (সূরা হুদু ৫৫, ৫৬)
কঠোর সতর্কবাণী শোনালেন :
فَاِنْ تَوَلَّوْا فَقَدْ اَبْلَغْتُكُمْ مَّاۤ اُرْسِلْتُ بِهٖۤ اِلَيْكُمْؕ وَيَسْتَخْلِفُ رَبِّيْ قَوْمًا غَيْرَكُمْۚ وَلَا تَضُرُّوْنَهٗ شَيْئًاؕ اِنَّ رَبِّيْ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ حَفِيْظٌ
অতঃপর তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে আমি যা নিয়ে তোমাদের নিকট প্রেরিত হয়েছি আমি তো তা তোমাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছিই। (যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও) আমার প্রতিপালক তোমাদের থেকে ভিন্ন কোন সম্প্রদায়কে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন এবং তোমরা তাঁর কোন ক্ষতিসাধন করতে পারবে না। নিশ্চয় আমার প্রতিপালক সবকিছুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। (সূরা হুদু ৫৭)
قَالَ قَدْ وَقَعَ عَلَيْكُمْ مِّنْ رَّبِّكُمْ رِجْسٌ وَّغَضَبٌؕ اَتُجَادِلُوْنَنِيْ فِۤيْ اَسْمَآءٍ سَمَّيْتُمُوْهَاۤ اَنْتُمْ وَاٰبَآؤُكُمْ مَّا نَزَّلَ اللهُ بِهَا مِنْ سُلْطَانٍؕ فَانْتَظِرُوْاۤ اِنِّيْ مَعَكُمْ مِّنَ الْمُنْتَظِرِيْنَ
সে বলল, তোমাদের প্রতিপালকের শাস্তি ও ক্রোধ তো তোমাদের জন্য নির্ধারিত হয়ে আছে। তবে কি তোমরা আমার সাথে এমন কতকগুলো নাম সম্বন্ধে বিতর্কে লিপ্ত হতে চাও, যা তোমরা ও তোমাদের পূর্বপুরুষরা বানিয়ে নিয়েছ এবং যে সম্বন্ধে আল্লাহ কোন প্রমাণ দান করেননি। সুতরাং তোমরা প্রতীক্ষা করো এবং আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষা করছি। (সূরা আ‘রাফু ৭১)
قَالَ يَا قَوْمِ لَيْسَ بِيْ سَفَاهَةٌ وَّلٰكِنِّيْ رَسُوْلٌ مِّنْ رَّبِّ الْعَالَمِيْنَ
সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি নির্বোধ নই, বরং আমি জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রেরিত রাসূল।
(সূরা আ‘রাফু ৬৭)
আমি তোমাদের রাসূল :
اِنِّيْ لَكُمْ رَسُوْلٌ اَمِيْنٌ
আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল। (সূরা শু‘আরা– ১২৫)
আমি তোমাদের হিতাকাঙ্খী :
اُبَلِّغُكُمْ رِسَالَاتِ رَبِّيْ وَاَنَاْ لَكُمْ نَاصِحٌ اَمِيْنٌ
আমি আমার প্রতিপালকের বাণী তোমাদের নিকট পৌঁছে দিচ্ছি। নিশ্চয় আমি তোমাদের বিশ্বস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী। (সূরা আ‘রাফ – ৬৮)
তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও আমার অনুসরণ করো :
فَاتَّقُوا اللهَ وَاَطِيْعُوْنِ
অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো। (সূরা শু‘আরা– ১২৬)
আমি তোমাদের নিকট কোন পারিশ্রমিক চাই না :
وَمَاۤ اَسْاَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ اَجْرٍۚ اِنْ اَجْرِيَ اِلَّا عَلٰى رَبِّ الْعَالَمِيْنَ
আমি তোমাদের নিকট এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট। (সূরা শু‘আরা– ১২৭)
يَا قَوْمِ لَاۤ اَسْاَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًاؕ اِنْ اَجْرِيَ اِلَّا عَلَى الَّذِيْ فَطَرَنِيْؕ اَفَلَا تَعْقِلُوْنَ
হে আমার সম্প্রদায়! আমি এর পরিবর্তে তোমাদের নিকট পারিশ্রমিক চাই না। আমার পারিশ্রমিক তাঁরই নিকট (সংরক্ষিত) আছে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করবে না? (সূরা হুদু ৫১)
আমি শিরক থেকে মুক্ত :
وَاشْهَدُوْاۤ اَنِّيْ بَرِيْٓءٌ مِّمَّا تُشْرِكُوْنَ
তোমরাও সাক্ষী হও যে, নিশ্চয় আমি তা হতে মুক্ত, যাকে তোমরা তাঁর সাথে শরীক কর। (সূরা হুদু ৫৪)
আযাব সম্পর্কে আমার জ্ঞান নেই :
قَالَ اِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللهِؗ وَاُبَلِّغُكُمْ مَّاۤ اُرْسِلْتُ بِهٖ وَلٰكِنِّيْۤ اَرَاكُمْ قَوْمًا تَجْهَلُوْنَ
তিনি বললেন, এ বিষয়ে ইলিম তো কেবল আল্লাহর কাছেই রয়েছে। আমি তো শুধু ঐ বাণী তোমাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি, যা দিয়ে আমাকে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আমি দেখছি, তোমরা এক অজ্ঞ সম্প্রদায়। (সূরা আহকাফু ২৩)
তোমরা আল্লাহর নিয়ামতের কথা স্মরণ করো :
فَاذْكُرُوْاۤ اٰلَآءَ اللهِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা আ‘রাফু ৬৯)
وَاتَّقُوا الَّذِيْۤ اَمَدَّكُمْ بِمَا تَعْلَمُوْنَ ‐ اَمَدَّكُمْ بِاَنْعَامٍ وَّبَنِيْنَ ‐ وَجَنّٰةٍ وَّعُيُوْنَ
তোমরা তাঁকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এমন কিছু দান করেছেন, যে সম্পর্কে তোমরা অবগত আছ। তিনি তোমাদেরকে দান করেছেন চতুষ্পদ জন্তু ও সন্তান-সন্ততি, উদ্যান ও ঝর্ণাধারা। (সূরা শু‘আরা, ১৩২–১৩৪)
তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা করো :
وَيَا قَوْمِ اسْتَغْفِرُوْا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوْبُوْاۤ اِلَيْهِ يُرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُمْ مِّدْرَارًا وَّيَزِدْكُمْ قُوَّةً اِلٰى قُوَّتِكُمْ وَلَا تَتَوَلَّوْا مُجْرِمِيْنَ
হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসো। তিনি আকাশ হতে তোমাদের জন্য প্রচুর বারি বর্ষণ করবেন। তিনি তোমাদেরকে আরো শক্তি দিয়ে তোমাদের শক্তি বৃদ্ধি করবেন, কিন্তু তোমরা অপরাধী হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। (সূরা হুদু ৫২)
নবী আযাবের ভয় দেখালেন :
اِنِّۤيْ اَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيْمٍ
আমি তোমাদের ব্যাপারে এক ভয়ানক আযাবের দিনের আশঙ্কাবোধ করছি। (সূরা আ‘রাফ- ৫৯)
নবীর চ্যালেঞ্জ ঘোষণা :
فَكِيْدُوْنِيْ جَمِيْعًا ثُمَّ لَا تُنْظِرُوْنِ ‐ اِنِّيْ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ رَبِّيْ وَرَبِّكُمْؕ مَا مِنْ دَآبَّةٍ اِلَّا هُوَ اٰخِذٌ ۢبِنَاصِيَتِهَاؕ اِنَّ رَبِّيْ عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
তোমরা সকলে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করো এবং আমাকে অবকাশ দিয়ো না। আমি আমার ও তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর নির্ভর করি। এমন কোন জীবজন্তু নেই, যে তাঁর পূর্ণ আয়ত্তাধীন নয়। নিশ্চয় আমার প্রতিপালক সরল পথেই রয়েছেন। (সূরা হুদু ৫৫, ৫৬)
কঠোর সতর্কবাণী শোনালেন :
فَاِنْ تَوَلَّوْا فَقَدْ اَبْلَغْتُكُمْ مَّاۤ اُرْسِلْتُ بِهٖۤ اِلَيْكُمْؕ وَيَسْتَخْلِفُ رَبِّيْ قَوْمًا غَيْرَكُمْۚ وَلَا تَضُرُّوْنَهٗ شَيْئًاؕ اِنَّ رَبِّيْ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ حَفِيْظٌ
অতঃপর তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে আমি যা নিয়ে তোমাদের নিকট প্রেরিত হয়েছি আমি তো তা তোমাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছিই। (যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও) আমার প্রতিপালক তোমাদের থেকে ভিন্ন কোন সম্প্রদায়কে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন এবং তোমরা তাঁর কোন ক্ষতিসাধন করতে পারবে না। নিশ্চয় আমার প্রতিপালক সবকিছুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। (সূরা হুদু ৫৭)
قَالَ قَدْ وَقَعَ عَلَيْكُمْ مِّنْ رَّبِّكُمْ رِجْسٌ وَّغَضَبٌؕ اَتُجَادِلُوْنَنِيْ فِۤيْ اَسْمَآءٍ سَمَّيْتُمُوْهَاۤ اَنْتُمْ وَاٰبَآؤُكُمْ مَّا نَزَّلَ اللهُ بِهَا مِنْ سُلْطَانٍؕ فَانْتَظِرُوْاۤ اِنِّيْ مَعَكُمْ مِّنَ الْمُنْتَظِرِيْنَ
সে বলল, তোমাদের প্রতিপালকের শাস্তি ও ক্রোধ তো তোমাদের জন্য নির্ধারিত হয়ে আছে। তবে কি তোমরা আমার সাথে এমন কতকগুলো নাম সম্বন্ধে বিতর্কে লিপ্ত হতে চাও, যা তোমরা ও তোমাদের পূর্বপুরুষরা বানিয়ে নিয়েছ এবং যে সম্বন্ধে আল্লাহ কোন প্রমাণ দান করেননি। সুতরাং তোমরা প্রতীক্ষা করো এবং আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষা করছি। (সূরা আ‘রাফু ৭১)