hadith book logo

তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৯৮

অধ্যায়- ২২ : শত্রুতা

শয়তান মানুষের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করে :

اِنَّمَا يُرِيْدُ الشَّيْطَانُ اَنْ يُّوْقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَآءَ

নিশ্চয় শয়তান তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায়। (সূরা মায়েদা- ৯১)

ইয়াহুদি ও মুশরিকরা মুসলিমগণের চরম শত্রু :

لَتَجِدَنَّ اَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِيْنَ اٰمَنُوا الْيَهُوْدَ وَالَّذِيْنَ اَشْرَكُوْا

অবশ্য তুমি মুমিনদের প্রতি শত্রুতায় মানুষের মধ্যে ইয়াহুদি ও মুশরিকদেরকেই সর্বাধিক উগ্র হিসেবে দেখতে পাবে। (সূরা মায়েদা- ৮২)

মুনাফিকরা ইসলামের শত্রু :

يَحْسَبُوْنَ كُلَّ صَيْحَةٍ عَلَيْهِمْ ؕ هُمُ الْعَدُوُّ فَاحْذَرْهُمْ ؕ قَاتَلَهُمُ اللهُ اَنّٰى يُؤْفَكُوْنَ

(মুনাফিকরা এত ভীত সন্ত্রস্ত থাকে যে, বড় ধরনের) কোন শোরগোল হলেই তারা সেটাকে নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে। এরাই হচ্ছে (তোমাদের আসল) শত্রু, কাজেই তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকো। এদের উপর আল্লাহর গযব নির্ধারিত রয়েছে, তাদেরকে কীভাবে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে! (সূরা মুনাফিকূন- ৪)

কোন কোন স্ত্রী ও সন্তান মুমিনের জন্য শত্রু হয়ে যায় :

يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اِنَّ مِنْ اَزْوَاجِكُمْ وَاَوْلَادِكُمْ عَدُوًّا لَّكُمْ فَاحْذَرُوْهُمْ

হে মুমিনগণ! তোমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের শত্রু, অতএব তোমরা তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকো। (সূরা তাগাবুন- ১৪)

ইসলামের শত্রুদেরকে ভয় দেখাতে হবে :

وَاَعِدُّوْا لَهُمْ مَّا اسْتَطَعْتُمْ مِّنْ قُوَّةٍ وَّمِنْ رِّبَاطِ الْخَيْلِ تُرْهِبُوْنَ بِهٖ عَدُوَّ اللهِ وَعَدُوَّكُمْ وَاٰخَرِيْنَ مِنْ دُوْنِهِمْ لَا تَعْلَمُوْنَهُمُۚ اَللهُ يَعْلَمُهُمْ

তোমরা তাদের মুকাবিলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা ভীত-সন্ত্রস্ত করবে আল্লাহর ও তোমাদের শত্রুকে এবং এছাড়াও এমন কিছু শত্রুকে যাদেরকে তোমরা জান না, কিন্তু আল্লাহ তাদেরকে জানেন। (সূরা আনফাল- ৬০)

শত্রুতার কাজে শলাপরামর্শ করা জায়েয নেই :

يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اِذَا تَنَاجَيْتُمْ فَلَا تَتَنَاجَوْا بِالْاِثْمِ وَالْعُدْوَانِ

হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা কানে কানে কথা বলো, তখন পাপকার্য ও শত্রুতার বিষয়ে কানাকানি করো না। (সূরা মুজাদালা- ৯)

শত্রুতার কাজে সহযোগিতা করা জায়েয নেই :

وَتَعَاوَنُوْا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوٰى وَلَا تَعَاوَنُوْا عَلَى الْاِثْمِ وَالْعُدْوَانِ

সৎকর্ম ও তাক্বওয়ার কাজে তোমরা পরস্পর সহযোগিতা করবে এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনমূলক কাজে একে অন্যের সহযোগিতা করবে না। (সূরা মায়েদা- ২)