১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭৭
পর্ব- ৩৫ : বিভিন্ন ধরনের অপরাধ অধ্যায়- ১ : ইরতেদাদ বা ধর্মত্যাগ
মানুষ শয়তানের ধোঁকায় পড়েই মুরতাদ হয় :
اِنَّ الَّذِيْنَ ارْتَدُّوْا عَلٰۤى اَدْبَارِهِمْ مِّنْ ۢبَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمُ الْهُدَى الشَّيْطَانُ سَوَّلَ لَهُمْؕ وَاَمْلٰى لَهُمْ
নিশ্চয় যারা তাদের কাছে হেদায়াত স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও তা থেকে ফিরে গেছে, শয়তান তাদেরকে সেদিকেই লোভ দেখিয়েছে এবং মিথ্যা আশার জাল বিস্তার করে দিয়েছে। (সূরা মুহাম্মাদ- ২৫)
দ্বীন ত্যাগ করলে সৎপথ হারাবে :
وَمَنْ يَّتَبَدَّلِ الْكُفْرَ بِالْاِيْمَانِ فَقَدْ ضَلَّ سَوَآءَ السَّبِيْلِ
যে ব্যক্তি ঈমানের পরিবর্তে কুফরী অবলম্বন করে নিশ্চয় সে সঠিক পথ হতে দূরে সরে পড়ে। (সূরা বাক্বারা- ১০৮)
বিজাতীর অনুসরণ করলে তারা দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দেবে :
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اِنْ تُطِيْعُوا الَّذِيْنَ كَفَرُوْا يَرُدُّوْكُمْ عَلٰۤى اَعْقَابِكُمْ فَتَنْقَلِبُوْا خَاسِرِيْنَ
হে মুমিনগণ! যদি তোমরা কাফিরদের আনুগত্য কর, তবে তারা তোমাদেরকে পশ্চাদপদে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে এবং তাতে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রত্যাবর্তিত হবে। (সূরা আলে ইমরান- ১৪৯)
ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা মুরতাদ বানাতে চায় :
وَدَّ كَثِيْرٌ مِّنْ اَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّوْنَكُمْ مِّنْ ۢبَعْدِ اِيْمَانِكُمْ كُفَّارًاۚ حَسَدًا مِّنْ عِنْدِ اَنْفُسِهِمْ مِّنْ ۢبَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمُ الْحَقُّ
আহলে কিতাবের অনেকেই তাদের অন্তর্নিহিত বিদ্বেষের কারণে এ আশা পোষণ করে যে, যদি তারা তোমাদেরকে তোমাদের ঈমান আনয়নের পর কুফরীর দিকে ফিরিয়ে আনতে পারত! (এমনকি) সত্য তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও (তারা এ পথ হতে বিরত হবে না)। (সূরা বাক্বারা- ১০৯)
মুরতাদ হলে সকল আমল বাতিল হয়ে যাবে :
وَمَنْ يَّرْتَدِدْ مِنْكُمْ عَنْ دِيْنِهٖ فَيَمُتْ وَهُوَ كَافِرٌ فَاُولٰٓئِكَ حَبِطَتْ اَعْمَالُهُمْ فِى الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِۚ وَاُولٰٓئِكَ اَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيْهَا خَالِدُوْنَ
তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার দ্বীনকে ত্যাগ করবে, অতঃপর কাফির অবস্থায় মারা যাবে, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের সকল আমল বরবাদ হয়ে যাবে। আর তারা হবে জাহান্নামের অধিবাসী; সেখানে তারা চিরকাল (বসবাস) করবে। (সূরা বাক্বারা- ২১৭)
মুরতাদের তাওবা কবুল হয় না :
اِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بَعْدَ اِيْمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُوْا كُفْرًا لَّنْ تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْۚ وَاُولٰٓئِكَ هُمُ الضَّآ لُّوْنَ
নিশ্চয় যারা ঈমান আনার পর কুফরী করেছে, তারপর সেই কুফরীকে আরো বৃদ্ধি করেছে, তাদের তাওবা কখনো কবুল করা হবে না। আর তারাই হবে পথভ্রষ্ট। (সূরা আলে ইমরান- ৯০)
আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন না :
اِنَّ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا ثُمَّ كَفَرُوْا ثُمَّ اٰمَنُوْا ثُمَّ كَفَرُوْا ثُمَّ ازْدَادُوْا كُفْرًا لَّمْ يَكُنِ اللهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ وَلَا لِيَهْدِيَهُمْ سَبِيْلًا
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে, অতঃপর কুফরী করে, আবার ঈমান আনে, আবার কুফরী করে, অতঃপর তাদের কুফরী প্রবৃত্তি বৃদ্ধি পেতে থাকে, আল্লাহ তাদেরকে কিছুতেই ক্ষমা করবেন না এবং তাদেরকে কোন পথও দেখাবেন না। (সূরা নিসা- ১৩৭)
তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম :
وَمَن يُّشَاقِقِ الرَّسُوْلَ مِنْ ۢبَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُ الْهُدٰى وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيْلِ الْمُؤْمِنِيْنَ نُوَلِّهٖ مَا تَوَلّٰى وَنُصْلِهٖ جَهَنَّمَؕ وَسَآءَتْ مَصِيْرًا
যে ব্যক্তি সত্য প্রকাশিত হওয়ার পরও রাসূলের বিরোধিতা করে এবং মুমিনদের পথ ব্যতীত অন্য পথ অনুসরণ করে, তাকে আমি সে পথেই ফিরাব যে পথে সে ফিরে যায়। অতঃপর তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাব; আর এ প্রত্যাবর্তনস্থল কতই না মন্দ! (সূরা নিসা- ১১৫)
কেউ দ্বীন থেকে ফিরে গেলে আল্লাহর কিছু আসে যায় না :
وَمَنْ يَّنْقَلِبْ عَلٰى عَقِبَيْهِ فَلَنْ يَّضُرَّ اللهَ شَيْئًاؕ وَسَيَجْزِى اللهُ الشَّاكِرِيْنَ
যে ব্যক্তি পশ্চাদপদে ফিরে যায়, তাতে সে আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ অচিরেই কৃতজ্ঞ বান্দাদেরকে প্রতিফল দান করবেন। (সূরা আলে ইমরান- ১৪৪)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مَن يَّرْتَدَّ مِنْكُمْ عَنْ دِيْنِهٖ فَسَوْفَ يَأْتِى اللهُ بِقَوْمٍ يُّحِبُّهُمْ وَيُحِبُّوْنَهٗۤ اَذِلَّةٍ عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ اَعِزَّةٍ عَلَى الْكَافِرِيْنَ يُجَاهِدُوْنَ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ وَلَا يَخَافُوْنَ لَوْمَةَ لَآئِمٍؕ ذٰلِكَ فَضْلُ اللهِ يُؤْتِيْهِ مَنْ يَّشَآءُ وَاللهُ وَاسِعٌ عَلِيْمٌ
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের মধ্যে যদি কেউ দ্বীন থেকে ফিরে যেতে চায়, তবে অচিরেই আল্লাহ এমন একটি সম্প্রদায়ের উত্থান ঘটাবেন, যাদেরকে তিনি ভালোবাসবেন এবং তারাও তাঁকে ভালোবাসবে। তারা মুমিনদের প্রতি কোমল এবং কাফিরদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করবে। তারা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে এবং কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে ভয় পাবে না। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করে থাকেন; আর আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও সর্বজ্ঞ। (সূরা মায়েদা- ৫৪)
اِنَّ الَّذِيْنَ ارْتَدُّوْا عَلٰۤى اَدْبَارِهِمْ مِّنْ ۢبَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمُ الْهُدَى الشَّيْطَانُ سَوَّلَ لَهُمْؕ وَاَمْلٰى لَهُمْ
নিশ্চয় যারা তাদের কাছে হেদায়াত স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও তা থেকে ফিরে গেছে, শয়তান তাদেরকে সেদিকেই লোভ দেখিয়েছে এবং মিথ্যা আশার জাল বিস্তার করে দিয়েছে। (সূরা মুহাম্মাদ- ২৫)
দ্বীন ত্যাগ করলে সৎপথ হারাবে :
وَمَنْ يَّتَبَدَّلِ الْكُفْرَ بِالْاِيْمَانِ فَقَدْ ضَلَّ سَوَآءَ السَّبِيْلِ
যে ব্যক্তি ঈমানের পরিবর্তে কুফরী অবলম্বন করে নিশ্চয় সে সঠিক পথ হতে দূরে সরে পড়ে। (সূরা বাক্বারা- ১০৮)
বিজাতীর অনুসরণ করলে তারা দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দেবে :
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اِنْ تُطِيْعُوا الَّذِيْنَ كَفَرُوْا يَرُدُّوْكُمْ عَلٰۤى اَعْقَابِكُمْ فَتَنْقَلِبُوْا خَاسِرِيْنَ
হে মুমিনগণ! যদি তোমরা কাফিরদের আনুগত্য কর, তবে তারা তোমাদেরকে পশ্চাদপদে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে এবং তাতে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রত্যাবর্তিত হবে। (সূরা আলে ইমরান- ১৪৯)
ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা মুরতাদ বানাতে চায় :
وَدَّ كَثِيْرٌ مِّنْ اَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّوْنَكُمْ مِّنْ ۢبَعْدِ اِيْمَانِكُمْ كُفَّارًاۚ حَسَدًا مِّنْ عِنْدِ اَنْفُسِهِمْ مِّنْ ۢبَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمُ الْحَقُّ
আহলে কিতাবের অনেকেই তাদের অন্তর্নিহিত বিদ্বেষের কারণে এ আশা পোষণ করে যে, যদি তারা তোমাদেরকে তোমাদের ঈমান আনয়নের পর কুফরীর দিকে ফিরিয়ে আনতে পারত! (এমনকি) সত্য তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও (তারা এ পথ হতে বিরত হবে না)। (সূরা বাক্বারা- ১০৯)
মুরতাদ হলে সকল আমল বাতিল হয়ে যাবে :
وَمَنْ يَّرْتَدِدْ مِنْكُمْ عَنْ دِيْنِهٖ فَيَمُتْ وَهُوَ كَافِرٌ فَاُولٰٓئِكَ حَبِطَتْ اَعْمَالُهُمْ فِى الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِۚ وَاُولٰٓئِكَ اَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيْهَا خَالِدُوْنَ
তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার দ্বীনকে ত্যাগ করবে, অতঃপর কাফির অবস্থায় মারা যাবে, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের সকল আমল বরবাদ হয়ে যাবে। আর তারা হবে জাহান্নামের অধিবাসী; সেখানে তারা চিরকাল (বসবাস) করবে। (সূরা বাক্বারা- ২১৭)
মুরতাদের তাওবা কবুল হয় না :
اِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بَعْدَ اِيْمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُوْا كُفْرًا لَّنْ تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْۚ وَاُولٰٓئِكَ هُمُ الضَّآ لُّوْنَ
নিশ্চয় যারা ঈমান আনার পর কুফরী করেছে, তারপর সেই কুফরীকে আরো বৃদ্ধি করেছে, তাদের তাওবা কখনো কবুল করা হবে না। আর তারাই হবে পথভ্রষ্ট। (সূরা আলে ইমরান- ৯০)
আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন না :
اِنَّ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا ثُمَّ كَفَرُوْا ثُمَّ اٰمَنُوْا ثُمَّ كَفَرُوْا ثُمَّ ازْدَادُوْا كُفْرًا لَّمْ يَكُنِ اللهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ وَلَا لِيَهْدِيَهُمْ سَبِيْلًا
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে, অতঃপর কুফরী করে, আবার ঈমান আনে, আবার কুফরী করে, অতঃপর তাদের কুফরী প্রবৃত্তি বৃদ্ধি পেতে থাকে, আল্লাহ তাদেরকে কিছুতেই ক্ষমা করবেন না এবং তাদেরকে কোন পথও দেখাবেন না। (সূরা নিসা- ১৩৭)
তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম :
وَمَن يُّشَاقِقِ الرَّسُوْلَ مِنْ ۢبَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُ الْهُدٰى وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيْلِ الْمُؤْمِنِيْنَ نُوَلِّهٖ مَا تَوَلّٰى وَنُصْلِهٖ جَهَنَّمَؕ وَسَآءَتْ مَصِيْرًا
যে ব্যক্তি সত্য প্রকাশিত হওয়ার পরও রাসূলের বিরোধিতা করে এবং মুমিনদের পথ ব্যতীত অন্য পথ অনুসরণ করে, তাকে আমি সে পথেই ফিরাব যে পথে সে ফিরে যায়। অতঃপর তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাব; আর এ প্রত্যাবর্তনস্থল কতই না মন্দ! (সূরা নিসা- ১১৫)
কেউ দ্বীন থেকে ফিরে গেলে আল্লাহর কিছু আসে যায় না :
وَمَنْ يَّنْقَلِبْ عَلٰى عَقِبَيْهِ فَلَنْ يَّضُرَّ اللهَ شَيْئًاؕ وَسَيَجْزِى اللهُ الشَّاكِرِيْنَ
যে ব্যক্তি পশ্চাদপদে ফিরে যায়, তাতে সে আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ অচিরেই কৃতজ্ঞ বান্দাদেরকে প্রতিফল দান করবেন। (সূরা আলে ইমরান- ১৪৪)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مَن يَّرْتَدَّ مِنْكُمْ عَنْ دِيْنِهٖ فَسَوْفَ يَأْتِى اللهُ بِقَوْمٍ يُّحِبُّهُمْ وَيُحِبُّوْنَهٗۤ اَذِلَّةٍ عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ اَعِزَّةٍ عَلَى الْكَافِرِيْنَ يُجَاهِدُوْنَ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ وَلَا يَخَافُوْنَ لَوْمَةَ لَآئِمٍؕ ذٰلِكَ فَضْلُ اللهِ يُؤْتِيْهِ مَنْ يَّشَآءُ وَاللهُ وَاسِعٌ عَلِيْمٌ
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের মধ্যে যদি কেউ দ্বীন থেকে ফিরে যেতে চায়, তবে অচিরেই আল্লাহ এমন একটি সম্প্রদায়ের উত্থান ঘটাবেন, যাদেরকে তিনি ভালোবাসবেন এবং তারাও তাঁকে ভালোবাসবে। তারা মুমিনদের প্রতি কোমল এবং কাফিরদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করবে। তারা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে এবং কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে ভয় পাবে না। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করে থাকেন; আর আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও সর্বজ্ঞ। (সূরা মায়েদা- ৫৪)