১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৩
অধ্যায়- ৩ : মুসলিম জামা‘আতের নেতার বৈশিষ্ট্য
নেতা নির্বাচনের মাপকাঠি হবে তাক্বওয়া :
اِنَّ اَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللهِ اَتْقَاكُمْ
আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে তারাই অধিক সম্মানিত, যারা তোমাদের মধ্যে বেশি মুত্তাক্বী। (সূরা হুজুরাত- ১৩)
নেতাকে পূর্ণ আমানতদার হতে হবে :
وَمَا كَانَ لِنَبِيٍّ اَنْ يَّغُلَّؕ وَمَنْ يَّغْلُلْ يَاْتِ بِمَا غَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِۚ ثُمَّ تُوَفّٰى كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُوْنَ
কোন নবীর পক্ষে আত্মসাৎকরণ শোভনীয় নয়। আর যে ব্যক্তি আত্মসাৎ করেছে সে যা আত্মসাৎ করেছে তা নিয়ে কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে। অতঃপর প্রত্যেক ব্যক্তি যা অর্জন করেছে তা পূর্ণরূপে প্রদত্ত হবে এবং তাদের উপর কোন যুলুম করা হবে না। (সূরা আলে ইমরান- ১৬১)
সাথিদের মধ্যে সাহস সঞ্চার করতে হবে :
فَلَمَّا تَرَآءَ الْجَمْعَانِ قَالَ اَصْحَابُ مُوْسٰۤى اِنَّا لَمُدْرَكُوْنَ ‐ قَالَ كَلَّاؕ اِنَّ مَعِيَ رَبِّيْ سَيَهْدِيْنِ
অতঃপর যখন দু’দল পরস্পরকে দেখল তখন মূসার সাথিরা বলল, আমরা তো ধরা পড়ে গেলাম। মূসা বলল, কখনই নয়! আমার সঙ্গে আমার প্রতিপালক রয়েছেন। অচিরেই তিনি আমাকে পথনির্দেশ করবেন। (সূরা শু‘আরা- ৬১, ৬২)
সাথিদের সাথে নম্র ব্যবহার করতে হবে :
وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ
যারা তোমার অনুসরণ করে, সেসব মুমিনদের প্রতি বিনয়ী হও। (সূরা শু‘আরা- ২১৫)
فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللهِ لِنْتَ لَهُمْۚ وَلَوْ كُنْتَ فَظًّا غَلِيْظَ الْقَلْبِ لَانْفَضُّوْا مِنْ حَوْلِكَ فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ وَشَاوِرْهُمْ فِى الْاَمْرِۚ فَاِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَى اللهِؕ اِنَّ اللهَ يُحِبُّ الْمُتَوَكِّلِيْنَ
অতএব আল্লাহর অনুগ্রহ এই যে, তুমি তাদের প্রতি কোমল হৃদয়ের অধিকারী হয়েছ। আর তুমি যদি কর্কশভাষী ও কঠোর হৃদয়ের অধিকারী হতে, তবে নিশ্চয় তারা তোমার সংস্পর্শে আসা হতে বিরত থাকত। অতএব তুমি তাদেরকে ক্ষমা করো ও তাদের জন্য (আল্লাহর নিকট) ক্ষমাপ্রার্থনা করো এবং যে কোন বিষয়ে তাদের সাথে পরামর্শ করো। অতঃপর যখন তুমি কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হবে, তখন আল্লাহর উপর ভরসা করো। নিশ্চয় আল্লাহ (তাঁর উপর) নির্ভরশীলদেরকে ভালোবাসেন। (সূরা আলে ইমরান- ১৫৯)
তাদের সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ট করতে হবে :
وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِيْنَ يَدْعُوْنَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيْدُوْنَ وَجْهَه
তুমি নিজেকে ধৈর্যের সাথে তাদেরই সংস্পর্শে রাখবে, যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের প্রতিপালককে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আহবান করে থাকে। (সূরা কাহফ- ২৮)
তাদের ভুল-ত্রুটি এড়িয়ে যেতে হবে :
فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ
অতএব তুমি তাদেরকে ক্ষমা করো এবং তাদের জন্য (আল্লাহর কাছেও) ক্ষমাপ্রার্থনা করো। (সূরা আলে ইমরান- ১৫৯)
কোন কর্মীকে অবহেলা করা যাবে না :
عَبَسَ وَتَوَلّٰى ‐ اَنْ جَآءَهُ الْاَعْمٰى ‐ وَمَا يُدْرِيْكَ لَعَلَّه يَزَّكّٰى ‐ اَوْ يَذَّكَّرُ فَتَنْفَعَهُ الذِّكْرٰى
সে (নবী) ভ্রুকুঞ্চিত করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল, কারণ তার নিকট অন্ধ লোকটি এসেছিল। তুমি কি তার ব্যাপারে কোনকিছু জানতে- হয়তো সে পরিশুদ্ধ হতো অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে সেই উপদেশ তার উপকারে আসত। (সূরা আবাসা, ১-৪)
সাথিদের অনুমতি প্রার্থনার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে :
فَاِذَا اسْتَاْذَنُوْكَ لِبَعْضِ شَاْنِهِمْ فَاْذَنْ لِّمَنْ شِئْتَ مِنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمُ اللهَؕ اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
অতএব তারা তাদের কোন কাজে বাইরে যাওয়ার জন্য তোমার নিকট অনুমতি চাইলে তাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা অনুমতি দাও এবং তাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা নূর- ৬২)
সাথিদেরকে সান্ত্বনা দিতে হবে :
وَاِذَاجَآءَكَ الَّذِيْنَ يُؤْمِنُوْنَ بِاٰيَاتِنَا فَقُلْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ كَتَبَ رَبُّكُمْ عَلٰى نَفْسِهِ الرَّحْمَةَ اَنَّهٗ مَنْ عَمِلَ مِنْكُمْ سُوْٓءًا ۢبِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابَ مِنْ ۢبَعْدِهٖ وَاَصْلَحَ فَاَنَّهٗ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
যারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনয়ন করেছে তারা যখন তোমার নিকট আসে তখন তাদেরকে বলো, তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক; তোমাদের প্রতিপালক (তোমাদের উপর) দয়া করাকে তাঁর কর্তব্য বলে স্থির করে নিয়েছেন। অতএব তোমাদের মধ্যে কেউ যদি অজ্ঞতার কারণে মন্দকাজ করে ফেলে, অতঃপর তাওবা করে এবং (নিজেকে) সংশোধন করে নেয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ (সে বিষয়ে) ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা আন‘আম- ৫৪)
প্রয়োজনে স্থলাভিষিক্ত নির্ধারণ করা যাবে :
وَوَاعَدْنَا مُوْسٰى ثَلَاثِيْنَ لَيْلَةً وَّاَتْمَمْنَاهَا بِعَشْرٍ فَتَمَّ مِيْقَاتُ رَبِّهٖۤ اَرْبَعِيْنَ لَيْلَةًۚ وَقَالَ مُوْسٰى لِاَخِيْهِ هَارُوْنَ اخْلُفْنِيْ فِيْ قَوْمِيْ وَاَصْلِحْ وَلَا تَتَّبِعْ سَبِيْلَ الْمُفْسِدِيْنَ
স্মরণ করো, যখন আমি মূসার জন্য ত্রিশ রাত্রি নির্ধারণ করেছিলাম এবং আরো দশ দ্বারা তা পূর্ণ করলাম। এভাবে তার প্রতিপালকের নির্ধারিত সময় চল্লিশ রাত্রিতে পূর্ণ হয়। আর মূসা তার ভাই হারূনকে বললেন, আমার অনুপস্থিতিতে আমার সম্প্রদায়ের মধ্যে তুমি প্রতিনিধিত্ব করবে, সমস্যার সমাধান করবে এবং বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পথ অনুসরণ করবে না। (সূরা আ‘রাফ- ১৪২)
পরামর্শ করে কাজ করতে হবে :
وَالَّذِيْنَ اسْتَجَابُوْا لِرَبِّهِمْ وَاَقَامُوا الصَّلَاةَ وَاَمْرُهُمْ شُوْرٰى بَيْنَهُمْ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُوْنَ
(এগুলো তাদের জন্য) যারা তাদের প্রতিপালকের আহবানে সাড়া দেয়, সালাত প্রতিষ্ঠা করে, নিজেদের মধ্যে পরামর্শের মাধ্যমে কর্ম সম্পাদন করে এবং তাদেরকে আমি যে রিযিক দিয়েছি, তা হতে ব্যয় করে। (সূরা শূরা- ৩৮)
اِنَّ اَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللهِ اَتْقَاكُمْ
আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে তারাই অধিক সম্মানিত, যারা তোমাদের মধ্যে বেশি মুত্তাক্বী। (সূরা হুজুরাত- ১৩)
নেতাকে পূর্ণ আমানতদার হতে হবে :
وَمَا كَانَ لِنَبِيٍّ اَنْ يَّغُلَّؕ وَمَنْ يَّغْلُلْ يَاْتِ بِمَا غَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِۚ ثُمَّ تُوَفّٰى كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُوْنَ
কোন নবীর পক্ষে আত্মসাৎকরণ শোভনীয় নয়। আর যে ব্যক্তি আত্মসাৎ করেছে সে যা আত্মসাৎ করেছে তা নিয়ে কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে। অতঃপর প্রত্যেক ব্যক্তি যা অর্জন করেছে তা পূর্ণরূপে প্রদত্ত হবে এবং তাদের উপর কোন যুলুম করা হবে না। (সূরা আলে ইমরান- ১৬১)
সাথিদের মধ্যে সাহস সঞ্চার করতে হবে :
فَلَمَّا تَرَآءَ الْجَمْعَانِ قَالَ اَصْحَابُ مُوْسٰۤى اِنَّا لَمُدْرَكُوْنَ ‐ قَالَ كَلَّاؕ اِنَّ مَعِيَ رَبِّيْ سَيَهْدِيْنِ
অতঃপর যখন দু’দল পরস্পরকে দেখল তখন মূসার সাথিরা বলল, আমরা তো ধরা পড়ে গেলাম। মূসা বলল, কখনই নয়! আমার সঙ্গে আমার প্রতিপালক রয়েছেন। অচিরেই তিনি আমাকে পথনির্দেশ করবেন। (সূরা শু‘আরা- ৬১, ৬২)
সাথিদের সাথে নম্র ব্যবহার করতে হবে :
وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ
যারা তোমার অনুসরণ করে, সেসব মুমিনদের প্রতি বিনয়ী হও। (সূরা শু‘আরা- ২১৫)
فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللهِ لِنْتَ لَهُمْۚ وَلَوْ كُنْتَ فَظًّا غَلِيْظَ الْقَلْبِ لَانْفَضُّوْا مِنْ حَوْلِكَ فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ وَشَاوِرْهُمْ فِى الْاَمْرِۚ فَاِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَى اللهِؕ اِنَّ اللهَ يُحِبُّ الْمُتَوَكِّلِيْنَ
অতএব আল্লাহর অনুগ্রহ এই যে, তুমি তাদের প্রতি কোমল হৃদয়ের অধিকারী হয়েছ। আর তুমি যদি কর্কশভাষী ও কঠোর হৃদয়ের অধিকারী হতে, তবে নিশ্চয় তারা তোমার সংস্পর্শে আসা হতে বিরত থাকত। অতএব তুমি তাদেরকে ক্ষমা করো ও তাদের জন্য (আল্লাহর নিকট) ক্ষমাপ্রার্থনা করো এবং যে কোন বিষয়ে তাদের সাথে পরামর্শ করো। অতঃপর যখন তুমি কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হবে, তখন আল্লাহর উপর ভরসা করো। নিশ্চয় আল্লাহ (তাঁর উপর) নির্ভরশীলদেরকে ভালোবাসেন। (সূরা আলে ইমরান- ১৫৯)
তাদের সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ট করতে হবে :
وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِيْنَ يَدْعُوْنَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيْدُوْنَ وَجْهَه
তুমি নিজেকে ধৈর্যের সাথে তাদেরই সংস্পর্শে রাখবে, যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের প্রতিপালককে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আহবান করে থাকে। (সূরা কাহফ- ২৮)
তাদের ভুল-ত্রুটি এড়িয়ে যেতে হবে :
فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ
অতএব তুমি তাদেরকে ক্ষমা করো এবং তাদের জন্য (আল্লাহর কাছেও) ক্ষমাপ্রার্থনা করো। (সূরা আলে ইমরান- ১৫৯)
কোন কর্মীকে অবহেলা করা যাবে না :
عَبَسَ وَتَوَلّٰى ‐ اَنْ جَآءَهُ الْاَعْمٰى ‐ وَمَا يُدْرِيْكَ لَعَلَّه يَزَّكّٰى ‐ اَوْ يَذَّكَّرُ فَتَنْفَعَهُ الذِّكْرٰى
সে (নবী) ভ্রুকুঞ্চিত করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল, কারণ তার নিকট অন্ধ লোকটি এসেছিল। তুমি কি তার ব্যাপারে কোনকিছু জানতে- হয়তো সে পরিশুদ্ধ হতো অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে সেই উপদেশ তার উপকারে আসত। (সূরা আবাসা, ১-৪)
সাথিদের অনুমতি প্রার্থনার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে :
فَاِذَا اسْتَاْذَنُوْكَ لِبَعْضِ شَاْنِهِمْ فَاْذَنْ لِّمَنْ شِئْتَ مِنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمُ اللهَؕ اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
অতএব তারা তাদের কোন কাজে বাইরে যাওয়ার জন্য তোমার নিকট অনুমতি চাইলে তাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা অনুমতি দাও এবং তাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা নূর- ৬২)
সাথিদেরকে সান্ত্বনা দিতে হবে :
وَاِذَاجَآءَكَ الَّذِيْنَ يُؤْمِنُوْنَ بِاٰيَاتِنَا فَقُلْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ كَتَبَ رَبُّكُمْ عَلٰى نَفْسِهِ الرَّحْمَةَ اَنَّهٗ مَنْ عَمِلَ مِنْكُمْ سُوْٓءًا ۢبِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابَ مِنْ ۢبَعْدِهٖ وَاَصْلَحَ فَاَنَّهٗ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
যারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনয়ন করেছে তারা যখন তোমার নিকট আসে তখন তাদেরকে বলো, তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক; তোমাদের প্রতিপালক (তোমাদের উপর) দয়া করাকে তাঁর কর্তব্য বলে স্থির করে নিয়েছেন। অতএব তোমাদের মধ্যে কেউ যদি অজ্ঞতার কারণে মন্দকাজ করে ফেলে, অতঃপর তাওবা করে এবং (নিজেকে) সংশোধন করে নেয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ (সে বিষয়ে) ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা আন‘আম- ৫৪)
প্রয়োজনে স্থলাভিষিক্ত নির্ধারণ করা যাবে :
وَوَاعَدْنَا مُوْسٰى ثَلَاثِيْنَ لَيْلَةً وَّاَتْمَمْنَاهَا بِعَشْرٍ فَتَمَّ مِيْقَاتُ رَبِّهٖۤ اَرْبَعِيْنَ لَيْلَةًۚ وَقَالَ مُوْسٰى لِاَخِيْهِ هَارُوْنَ اخْلُفْنِيْ فِيْ قَوْمِيْ وَاَصْلِحْ وَلَا تَتَّبِعْ سَبِيْلَ الْمُفْسِدِيْنَ
স্মরণ করো, যখন আমি মূসার জন্য ত্রিশ রাত্রি নির্ধারণ করেছিলাম এবং আরো দশ দ্বারা তা পূর্ণ করলাম। এভাবে তার প্রতিপালকের নির্ধারিত সময় চল্লিশ রাত্রিতে পূর্ণ হয়। আর মূসা তার ভাই হারূনকে বললেন, আমার অনুপস্থিতিতে আমার সম্প্রদায়ের মধ্যে তুমি প্রতিনিধিত্ব করবে, সমস্যার সমাধান করবে এবং বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পথ অনুসরণ করবে না। (সূরা আ‘রাফ- ১৪২)
পরামর্শ করে কাজ করতে হবে :
وَالَّذِيْنَ اسْتَجَابُوْا لِرَبِّهِمْ وَاَقَامُوا الصَّلَاةَ وَاَمْرُهُمْ شُوْرٰى بَيْنَهُمْ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُوْنَ
(এগুলো তাদের জন্য) যারা তাদের প্রতিপালকের আহবানে সাড়া দেয়, সালাত প্রতিষ্ঠা করে, নিজেদের মধ্যে পরামর্শের মাধ্যমে কর্ম সম্পাদন করে এবং তাদেরকে আমি যে রিযিক দিয়েছি, তা হতে ব্যয় করে। (সূরা শূরা- ৩৮)