১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০১
অধ্যায়- ৬ : ইউসুফ (আঃ) এর সাথে জুলায়খার আচরণ
বাদশাহর স্ত্রী ইউসুফ (আঃ) কে খারাপ কাজে লিপ্ত করতে চাইল :
وَرَاوَدَتْهُ الَّتِيْ هُوَ فِيْ بَيْتِهَا عَنْ نَّفْسِهٖ وَغَلَّقَتِ الْاَبْوَابَ وَقَالَتْ هَيْتَ لَكَ
সে যে স্ত্রীলোকের গৃহে ছিল, সে তা হতে অসৎকর্ম কামনা করল এবং দরজাগুলো বন্ধ করে দিয়ে বলল, আসো। (সূরা ইউসুফু ২৩)
ইউসুফ (আঃ) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইলেন :
قَالَ مَعَاذَ اللهِ اِنَّهٗ رَبِّۤيْ اَحْسَنَ مَثْوَايَؕ اِنَّهٗ لَا يُفْلِحُ الظَّالِمُوْنَ
সে বলল, আমি আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি, নিশ্চয় তিনি আমার প্রতিপালক। তিনি আমার থাকার জন্য সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন। নিশ্চয় সীমালঙ্ঘনকারীরা সফলকাম হয় না। (সূরা ইউসুফু ২৩)
আল্লাহ তাকে পাপ থেকে বাঁচালেন :
وَلَقَدْ هَمَّتْ بِهٖ وَهَمَّ بِهَا ۚ لَوْلَاۤ اَنْ رَّاٰ بُرْهَانَ رَبِّهٖؕ كَذٰلِكَ لِنَصْرِفَ عَنْهُ السُّوْٓءَ وَالْفَحْشَآءَؕ اِنَّهٗ مِنْ عِبَادِنَا الْمُخْلَصِيْنَ
সে রমণী তার প্রতি আসক্ত হয়েছিল এবং সেও তার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ত, যদি সে তার প্রতিপালকের নিদর্শন প্রত্যক্ষ না করত। এভাবেই আমি তাকে নিদর্শন দেখিয়েছিলাম, যাতে করে তাকে মন্দকর্ম ও অশ্লীলতা হতে বিরত রাখতে পারি। নিশ্চয় সে ছিল আমার বিশুদ্ধচিত্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা ইউসুফু ২৪)
মহিলা দরজার পাশে তার স্বামীকে দেখতে পেল :
وَاسْتَبَقَا الْبَابَ وَقَدَّتْ قَمِيْصَهٗ مِنْ دُبُرٍ وَّاَلْفَيَا سَيِّدَهَا لَدَى الْبَابِ
তারা উভয়ে দৌড়ে দরজার দিকে গেল এবং স্ত্রীলোকটি পেছন হতে তার জামা ছিঁড়ে ফেলল। অতঃপর তারা স্ত্রীলোকটির স্বামীকে দরজার নিকট পেল। (সূরা ইউসুফু ২৫)
মহিলা ইউসুফ (আঃ) এর উপর দোষ চাপিয়ে দিল :
قَالَتْ مَا جَزَآءُ مَنْ اَرَادَ بِاَهْلِكَ سُوْٓءًا اِلَّاۤ اَنْ يُّسْجَنَ اَوْ عَذَابٌ اَلِيْمٌ
স্ত্রীলোকটি বলল, যে তোমার পরিবারের সাথে কুকর্ম কামনা করে, তার জন্য কারাগারে প্রেরণ অথবা অন্য কোন মর্মান্তিক শাস্তি ব্যতীত আর কী দন্ড হতে পারে? (সূরা ইউসুফু ২৫)
ইউসুফ (আঃ) আসল কথা বলে দিলেন :
قَالَ هِيَ رَاوَدَتْنِيْ عَنْ نَّفْسِيْ
ইউসুফ বলল, সে–ই আমার হতে অসৎকর্ম কামনা করেছিল। (সূরা ইউসুফু ২৬)
পরিশেষে জুলায়খা দোষী সাব্যস্ত হলো :
وَشَهِدَ شَاهِدٌ مِّنْ اَهْلِهَاۚ اِنْ كَانَ قَمِيْصُهٗ قُدَّ مِنْ قُبُلٍ فَصَدَقَتْ وَهُوَ مِنَ الْكَاذِبِيْنَ ‐ وَاِنْ كَانَ قَمِيْصُهٗ قُدَّ مِنْ دُبُرٍ فَكَذَبَتْ وَهُوْ مِنَ الصَّادِقِيْنَ ‐ فَلَمَّا رَاٰى قَمِيْصَهٗ قُدَّ مِنْ دُبُرٍ قَالَ اِنَّهٗ مِنْ كَيْدِكُنَّؕ اِنَّ كَيْدَكُنَّ عَظِيْمٌ
অতঃপর স্ত্রীলোকটির পরিবারের একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিল, যদি তার জামা সম্মুখ দিক হতে ছিন্ন করা হয়ে থাকে, তবে স্ত্রীলোকটি সত্য কথা বলেছে এবং পুরুষটি মিথ্যাবাদী। আর যদি তার জামা পেছন দিক হতে ছিন্ন করা হয়ে থাকে, তবে স্ত্রীলোকটি মিথ্যা বলেছে এবং পুরুষটি সত্যবাদী। গৃহস্বামী যখন দেখল যে, তার জামা পেছন দিক হতে ছিন্ন করা হয়েছে তখন সে বলল, নিশ্চয় এটা তোমাদের ছলনামাত্র, নিশ্চয় তোমাদের ছলনা খুবই মারাত্মক। (সূরা ইউসুফ, ২৬–২৮)
স্বামী দু’জনকে উপদেশ দিলেন :
يُوْسُفُ اَعْرِضْ عَنْ هٰذَا وَاسْتَغْفِرِيْ لِذَنْۢبِكِۚ اِنَّكِ كُنْتِ مِنَ الْخَاطِئِيْنَ
হে ইউসুফ! তুমি এটা উপেক্ষা করো। আর হে নারী! তুমি তোমার অপরাধের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করো; নিশ্চয় তুমি অপরাধীদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা ইউসুফু ২৯)
এ খবর শুনে শহরের মহিলারা জুলায়খার নিন্দা করল :
وَقَالَ نِسْوَةٌ فِى الْمَدِيْنَةِ امْرَاَةُ الْعَزِيْزِ تُرَاوِدُ فَتَاهَا عَنْ نَّفْسِهٖۚ قَدْ شَغَفَهَا حُبًّاؕ اِنَّا لَنَرَاهَا فِيْ ضَلَالٍ مُّبِيْنٍ
নগরে কতিপয় নারী বলল, আযীযের স্ত্রী তার যুবক দাস হতে অসৎকর্ম কামনা করেছে, প্রেম তাকে উন্মত্ত করে দিয়েছে; আমরা তো তাকে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে দেখতে পাচ্ছি। (সূরা ইউসুফু ৩০)
সে শহরের মহিলাদেরকে দাওয়াত দিল ও ফল কাটার জন্য ছুরি দিল :
فَلَمَّا سَمِعَتْ بِمَكْرِهِنَّ اَرْسَلَتْ اِلَيْهِنَّ وَاَعْتَدَتْ لَهُنَّ مُتَّكَأً وَّاٰتَتْ كُلَّ وَاحِدَةٍ مِّنْهُنَّ سِكِّيْنًا
যখন স্ত্রীলোকটি তাদের ষড়যন্ত্রের কথা শুনল, তখন সে তাদেরকে ডেকে পাঠাল। আর তাদের জন্য আসন প্রস্তুত করল এবং তাদের প্রত্যেককে একটি করে ছুরি দিল। (সূরা ইউসুফু ৩১)
ইউসুফ (আঃ) কে দেখে তারা অবাক হয়ে নিজেদের হাত কেটে ফেলল :
وَقَالَتِ اخْرُجْ عَلَيْهِنَّۚ فَلَمَّا رَاَيْنَهٗۤ اَكْبَرْنَهٗ وَقَطَّعْنَ اَيْدِيَهُنَّؗ وَقُلْنَ حَاشَ لِلّٰهِ مَا هٰذَا بَشَرًاؕ اِنْ هٰذَاۤ اِلَّا مَلَكٌ كَرِيْمٌ
স্ত্রীলোকটি ইউসুফকে বলল, তাদের সম্মুখে বের হও। অতঃপর তারা যখন তাকে দেখল, তখন তারা অভিভূত হলো এবং নিজেদের হাত কেটে ফেলল। তারা বলল, অদ্ভুত আল্লাহর মাহাত্ম্য! এ তো মানুষ নয়, এ তো এক সম্মানিত ফেরেশতা। (সূরা ইউসুফু ৩১)
জুলায়খা এভাবে নিন্দার জবাব দিল ও তার দোষ স্বীকার করল :
قَالَتْ فَذٰلِكُنَّ الَّذِيْ لُمْتُنَّنِيْ فِيْهِؕ وَلَقَدْ رَاوَدْتُّهٗ عَنْ نَّفْسِهٖ فَاسْتَعْصَمَ
সে বলল, এ–ই সে যার সম্বন্ধে তোমরা আমার নিন্দা করেছ। আমি তো তা হতে অসৎকর্ম কামনা করেছি, কিন্তু সে নিজেকে পবিত্র রেখেছে। (সূরা ইউসুফু ৩২)
وَرَاوَدَتْهُ الَّتِيْ هُوَ فِيْ بَيْتِهَا عَنْ نَّفْسِهٖ وَغَلَّقَتِ الْاَبْوَابَ وَقَالَتْ هَيْتَ لَكَ
সে যে স্ত্রীলোকের গৃহে ছিল, সে তা হতে অসৎকর্ম কামনা করল এবং দরজাগুলো বন্ধ করে দিয়ে বলল, আসো। (সূরা ইউসুফু ২৩)
ইউসুফ (আঃ) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইলেন :
قَالَ مَعَاذَ اللهِ اِنَّهٗ رَبِّۤيْ اَحْسَنَ مَثْوَايَؕ اِنَّهٗ لَا يُفْلِحُ الظَّالِمُوْنَ
সে বলল, আমি আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি, নিশ্চয় তিনি আমার প্রতিপালক। তিনি আমার থাকার জন্য সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন। নিশ্চয় সীমালঙ্ঘনকারীরা সফলকাম হয় না। (সূরা ইউসুফু ২৩)
আল্লাহ তাকে পাপ থেকে বাঁচালেন :
وَلَقَدْ هَمَّتْ بِهٖ وَهَمَّ بِهَا ۚ لَوْلَاۤ اَنْ رَّاٰ بُرْهَانَ رَبِّهٖؕ كَذٰلِكَ لِنَصْرِفَ عَنْهُ السُّوْٓءَ وَالْفَحْشَآءَؕ اِنَّهٗ مِنْ عِبَادِنَا الْمُخْلَصِيْنَ
সে রমণী তার প্রতি আসক্ত হয়েছিল এবং সেও তার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ত, যদি সে তার প্রতিপালকের নিদর্শন প্রত্যক্ষ না করত। এভাবেই আমি তাকে নিদর্শন দেখিয়েছিলাম, যাতে করে তাকে মন্দকর্ম ও অশ্লীলতা হতে বিরত রাখতে পারি। নিশ্চয় সে ছিল আমার বিশুদ্ধচিত্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা ইউসুফু ২৪)
মহিলা দরজার পাশে তার স্বামীকে দেখতে পেল :
وَاسْتَبَقَا الْبَابَ وَقَدَّتْ قَمِيْصَهٗ مِنْ دُبُرٍ وَّاَلْفَيَا سَيِّدَهَا لَدَى الْبَابِ
তারা উভয়ে দৌড়ে দরজার দিকে গেল এবং স্ত্রীলোকটি পেছন হতে তার জামা ছিঁড়ে ফেলল। অতঃপর তারা স্ত্রীলোকটির স্বামীকে দরজার নিকট পেল। (সূরা ইউসুফু ২৫)
মহিলা ইউসুফ (আঃ) এর উপর দোষ চাপিয়ে দিল :
قَالَتْ مَا جَزَآءُ مَنْ اَرَادَ بِاَهْلِكَ سُوْٓءًا اِلَّاۤ اَنْ يُّسْجَنَ اَوْ عَذَابٌ اَلِيْمٌ
স্ত্রীলোকটি বলল, যে তোমার পরিবারের সাথে কুকর্ম কামনা করে, তার জন্য কারাগারে প্রেরণ অথবা অন্য কোন মর্মান্তিক শাস্তি ব্যতীত আর কী দন্ড হতে পারে? (সূরা ইউসুফু ২৫)
ইউসুফ (আঃ) আসল কথা বলে দিলেন :
قَالَ هِيَ رَاوَدَتْنِيْ عَنْ نَّفْسِيْ
ইউসুফ বলল, সে–ই আমার হতে অসৎকর্ম কামনা করেছিল। (সূরা ইউসুফু ২৬)
পরিশেষে জুলায়খা দোষী সাব্যস্ত হলো :
وَشَهِدَ شَاهِدٌ مِّنْ اَهْلِهَاۚ اِنْ كَانَ قَمِيْصُهٗ قُدَّ مِنْ قُبُلٍ فَصَدَقَتْ وَهُوَ مِنَ الْكَاذِبِيْنَ ‐ وَاِنْ كَانَ قَمِيْصُهٗ قُدَّ مِنْ دُبُرٍ فَكَذَبَتْ وَهُوْ مِنَ الصَّادِقِيْنَ ‐ فَلَمَّا رَاٰى قَمِيْصَهٗ قُدَّ مِنْ دُبُرٍ قَالَ اِنَّهٗ مِنْ كَيْدِكُنَّؕ اِنَّ كَيْدَكُنَّ عَظِيْمٌ
অতঃপর স্ত্রীলোকটির পরিবারের একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিল, যদি তার জামা সম্মুখ দিক হতে ছিন্ন করা হয়ে থাকে, তবে স্ত্রীলোকটি সত্য কথা বলেছে এবং পুরুষটি মিথ্যাবাদী। আর যদি তার জামা পেছন দিক হতে ছিন্ন করা হয়ে থাকে, তবে স্ত্রীলোকটি মিথ্যা বলেছে এবং পুরুষটি সত্যবাদী। গৃহস্বামী যখন দেখল যে, তার জামা পেছন দিক হতে ছিন্ন করা হয়েছে তখন সে বলল, নিশ্চয় এটা তোমাদের ছলনামাত্র, নিশ্চয় তোমাদের ছলনা খুবই মারাত্মক। (সূরা ইউসুফ, ২৬–২৮)
স্বামী দু’জনকে উপদেশ দিলেন :
يُوْسُفُ اَعْرِضْ عَنْ هٰذَا وَاسْتَغْفِرِيْ لِذَنْۢبِكِۚ اِنَّكِ كُنْتِ مِنَ الْخَاطِئِيْنَ
হে ইউসুফ! তুমি এটা উপেক্ষা করো। আর হে নারী! তুমি তোমার অপরাধের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করো; নিশ্চয় তুমি অপরাধীদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা ইউসুফু ২৯)
এ খবর শুনে শহরের মহিলারা জুলায়খার নিন্দা করল :
وَقَالَ نِسْوَةٌ فِى الْمَدِيْنَةِ امْرَاَةُ الْعَزِيْزِ تُرَاوِدُ فَتَاهَا عَنْ نَّفْسِهٖۚ قَدْ شَغَفَهَا حُبًّاؕ اِنَّا لَنَرَاهَا فِيْ ضَلَالٍ مُّبِيْنٍ
নগরে কতিপয় নারী বলল, আযীযের স্ত্রী তার যুবক দাস হতে অসৎকর্ম কামনা করেছে, প্রেম তাকে উন্মত্ত করে দিয়েছে; আমরা তো তাকে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে দেখতে পাচ্ছি। (সূরা ইউসুফু ৩০)
সে শহরের মহিলাদেরকে দাওয়াত দিল ও ফল কাটার জন্য ছুরি দিল :
فَلَمَّا سَمِعَتْ بِمَكْرِهِنَّ اَرْسَلَتْ اِلَيْهِنَّ وَاَعْتَدَتْ لَهُنَّ مُتَّكَأً وَّاٰتَتْ كُلَّ وَاحِدَةٍ مِّنْهُنَّ سِكِّيْنًا
যখন স্ত্রীলোকটি তাদের ষড়যন্ত্রের কথা শুনল, তখন সে তাদেরকে ডেকে পাঠাল। আর তাদের জন্য আসন প্রস্তুত করল এবং তাদের প্রত্যেককে একটি করে ছুরি দিল। (সূরা ইউসুফু ৩১)
ইউসুফ (আঃ) কে দেখে তারা অবাক হয়ে নিজেদের হাত কেটে ফেলল :
وَقَالَتِ اخْرُجْ عَلَيْهِنَّۚ فَلَمَّا رَاَيْنَهٗۤ اَكْبَرْنَهٗ وَقَطَّعْنَ اَيْدِيَهُنَّؗ وَقُلْنَ حَاشَ لِلّٰهِ مَا هٰذَا بَشَرًاؕ اِنْ هٰذَاۤ اِلَّا مَلَكٌ كَرِيْمٌ
স্ত্রীলোকটি ইউসুফকে বলল, তাদের সম্মুখে বের হও। অতঃপর তারা যখন তাকে দেখল, তখন তারা অভিভূত হলো এবং নিজেদের হাত কেটে ফেলল। তারা বলল, অদ্ভুত আল্লাহর মাহাত্ম্য! এ তো মানুষ নয়, এ তো এক সম্মানিত ফেরেশতা। (সূরা ইউসুফু ৩১)
জুলায়খা এভাবে নিন্দার জবাব দিল ও তার দোষ স্বীকার করল :
قَالَتْ فَذٰلِكُنَّ الَّذِيْ لُمْتُنَّنِيْ فِيْهِؕ وَلَقَدْ رَاوَدْتُّهٗ عَنْ نَّفْسِهٖ فَاسْتَعْصَمَ
সে বলল, এ–ই সে যার সম্বন্ধে তোমরা আমার নিন্দা করেছ। আমি তো তা হতে অসৎকর্ম কামনা করেছি, কিন্তু সে নিজেকে পবিত্র রেখেছে। (সূরা ইউসুফু ৩২)