১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৩৪
অধ্যায়- ১৭ : যাদুকরদের ইসলাম গ্রহণ
যাদুকররা সিজদায় লুটিয়ে পড়ল :
فَاُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِيْنَ
তখন যাদুকররা সিজদাবনত হয়ে পড়ল। (সূরা শু‘আরা– ৪৬)
فَاُلْقِيَ السَّحَرَةُ سُجَّدًا قَالُوْاۤ اٰمَنَّا بِرَبِّ هَارُوْنَ وَمُوْسٰى
অতঃপর যাদুকররা সিজদাবনত হয়ে গেল এবং বলল, আমরা হারূন ও মূসার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনয়ন করলাম। (সূরা ত্বা–হা– ৭০)
তারা প্রকাশ্যে ঈমানের ঘোষণা দিল :
قَالُوْاۤ اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِيْنَ ‐ رَبِّ مُوْسٰى وَهَارُوْنَ
তারা বলল, আমরা জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনলাম, যিনি মূসা ও হারূনেরও প্রতিপালক। (সূরা আ‘রাফু ১২১, ১২২)
ফিরাউন তাদেরকে ধমক দিল এবং শাস্তির হুমকি দিল :
قَالَ اٰمَنْتُمْ لَهٗ قَبْلَ اَنْ اٰذَنَ لَكُمْؕ اِنَّهٗ لَكَبِيْرُكُمُ الَّذِيْ عَلَّمَكُمُ السِّحْرَۚ فَلَاُقَطِّعَنَّ اَيْدِيَكُمْ وَاَرْجُلَكُمْ مِّنْ خِلَافٍ وَّلَاُصَلِّبَنَّكُمْ فِيْ جُذُوْعِ النَّخْلِؗ وَلَتَعْلَمُنَّ اَيُّنَاۤ اَشَدُّ عَذَابًا وَّاَبْقٰى
ফিরাউন বলল, (কী হলো!) আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা মূসার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ফেললে? দেখছি, সে তো তোমাদের প্রধান, সে তোমাদেরকে যাদু শিক্ষা দিয়েছে। সুতরাং অবশ্যই আমি তোমাদের হাত-পা বিপরীত দিক হতে কর্তন করব এবং আমি তোমাদেরকে খেজুর বৃক্ষের কান্ডে শূলবিদ্ধ করব। অতঃপর তোমরা অবশ্যই জানতে পারবে যে, আমাদের মধ্যে কার শাস্তি কঠোরতর ও অধিক স্থায়ী। (সূরা ত্বা–হা– ৭১)
قَالَ اٰمَنْتُمْ لَهٗ قَبْلَ اَنْ اٰذَنَ لَكُمْۚ اِنَّهٗ لَكَبِيْرُكُمُ الَّذِيْ عَلَّمَكُمُ السِّحْرَۚ فَلَسَوْفَ تَعْلَمُوْنَؕ لَاُقَطِّعَنَّ اَيْدِيَكُمْ وَاَرْجُلَكُمْ مِّنْ خِلَافٍ وَّلَأُصَلِّبَنَّكُمْ اَجْمَعِيْنَ
ফিরাউন বলল, কী! আমি অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলে? (আমি বুঝতে পারছি, আসলে) সেই হচ্ছে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে যাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতি শীঘ্রই তোমরা এর পরিণাম সম্পর্কে জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত-পা বিপরীত দিক হতে কর্তন করব এবং তোমাদের সকলকে শূলবিদ্ধ করবই। (সূরা শু‘আরা– ৪৯)
قَالَ فِرْعَوْنُ اٰمَنْتُمْ بِهٖ قَبْلَ اَنْ اٰذَنَ لَكُمْ اِنَّ هٰذَا لَمَكْرٌ مَّكَرْتُمُوْهُ فِى الْمَدِيْنَةِ لِتُخْرِجُوْا مِنْهَاۤ اَهْلَهَاۚ فَسَوْفَ تَعْلَمُوْنَ ‐ لَاُقَطِّعَنَّ اَيْدِيْكُمْ وَاَرْجُلَكُمْ مِّنْ خِلَافٍ ثُمَّ لَاُصَلِّبَنَّكُمْ اَجْمَعِيْنَ
ফিরাউন বলল, আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করে ফেললে? এটা তো এক চক্রান্ত, তোমরা স্বজ্ঞানে এ চক্রান্ত করেছ নগরবাসীদেরকে তা হতে বহিষ্কারের জন্য। শীঘ্রই তোমরা এর পরিণাম সম্পর্কে জানতে পারবে। অবশ্যই আমি তোমাদের হাত-পা বিপরীত দিক হতে কর্তন করব, অতঃপর তোমাদের সকলকে শূলবিদ্ধ করব। (সূরা আ‘রাফ, ১২৩, ১২৪)
এতে তারা কোন পরোয়া করল না :
قَالُوْا لَا ضَيْرَۚ اِنَّاۤ اِلٰى رَبِّنَا مُنْقَلِبُوْنَ
তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই, আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করব। (সূরা শু‘আরা– ৫০)
তারা আল্লাহর উপর ভরসা করল :
اِنَّا نَطْمَعُ اَنْ يَّغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَايَانَاۤ اَنْ كُنَّاۤ اَوَّلَ الْمُؤْمِنِيْنَ
আমরা আশা করি যে, আমাদের প্রতিপালক আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। কেননা আমরা মুমিনদের মধ্যে অগ্রগামী। (সূরা শু‘আরা– ৫১)
قَالُوْاۤ اِنَّاۤ اِلٰى رَبِّنَا مُنْقَلِبُوْنَ
তারা বলল, অবশ্যই আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করব। (সূরা আ‘রাফু ১২৫)
তারা আল্লাহর মাগফিরাত লাভের আশা করল :
اِنَّاۤ اٰمَنَّا بِرَبِّنَا لِيَغْفِرَ لَنَا خَطَايَانَا وَمَاۤ اَكْرَهْتَنَا عَلَيْهِ مِنَ السِّحْرِؕ وَاللهُ خَيْرٌ وَّاَبْقٰى
নিশ্চয় আমরা আমাদের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান এনেছি, যাতে তিনি আমাদের অপরাধসমূহকে ক্ষমা করে দেন এবং তুমি আমাদেরকে যে যাদু করতে বাধ্য করেছ (তাও ক্ষমা করে দেন)। আর আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ ও চিরস্থায়ী। (সূরা ত্বা–হা– ৭৩)
তারা ফিরাউনের কাজকে নিন্দা জানাল :
وَمَا تَنْقِمُ مِنَّاۤ اِلَّاۤ اَنْ اٰمَنَّا بِاٰيَاتِ رَبِّنَا لَمَّا جَآءَتْنَا
তুমি তো আমাদেরকে শাস্তি দিচ্ছ শুধু এজন্য যে, আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিদর্শনের প্রতি ঈমান এনেছি, যখন তা আমাদের নিকট এসেছে। (সূরা আ‘রাফু ১২৬)
তারা মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু লাভের দু‘আ করল :
رَبَّنَاۤ اَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَّتَوَفَّنَا مُسْلِمِيْنَ
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ধৈর্য দান করো এবং মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু দান করো। (সূরা আ‘রাফু ১২৬)
তারা জীবন বাজি রেখে ঈমানের উপর অটল থাকার ঘোষণা দিল :
قَالُوْا لَنْ نُّؤْثِرَكَ عَلٰى مَا جَآءَنَا مِنَ الْبَيِّنَاتِ وَالَّذِيْ فَطَرَنَا فَاقْضِ مَاۤ اَنْتَ قَاضٍؕ اِنَّمَا تَقْضِيْ هٰذِهِ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا
তারা বলল, আমাদের নিকট যে স্পষ্ট নিদর্শন এসেছে তার উপর এবং যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর উপর আমরা তোমাকে কিছুতেই প্রাধান্য দেব না। সুতরাং তুমি যা করতে চাও করো। তুমি তো কেবল এ পার্থিব জীবনের উপরই কর্তৃত্ব লাভ করতে পার। (সূরা ত্বা–হা– ৭২)
فَاُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِيْنَ
তখন যাদুকররা সিজদাবনত হয়ে পড়ল। (সূরা শু‘আরা– ৪৬)
فَاُلْقِيَ السَّحَرَةُ سُجَّدًا قَالُوْاۤ اٰمَنَّا بِرَبِّ هَارُوْنَ وَمُوْسٰى
অতঃপর যাদুকররা সিজদাবনত হয়ে গেল এবং বলল, আমরা হারূন ও মূসার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনয়ন করলাম। (সূরা ত্বা–হা– ৭০)
তারা প্রকাশ্যে ঈমানের ঘোষণা দিল :
قَالُوْاۤ اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِيْنَ ‐ رَبِّ مُوْسٰى وَهَارُوْنَ
তারা বলল, আমরা জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনলাম, যিনি মূসা ও হারূনেরও প্রতিপালক। (সূরা আ‘রাফু ১২১, ১২২)
ফিরাউন তাদেরকে ধমক দিল এবং শাস্তির হুমকি দিল :
قَالَ اٰمَنْتُمْ لَهٗ قَبْلَ اَنْ اٰذَنَ لَكُمْؕ اِنَّهٗ لَكَبِيْرُكُمُ الَّذِيْ عَلَّمَكُمُ السِّحْرَۚ فَلَاُقَطِّعَنَّ اَيْدِيَكُمْ وَاَرْجُلَكُمْ مِّنْ خِلَافٍ وَّلَاُصَلِّبَنَّكُمْ فِيْ جُذُوْعِ النَّخْلِؗ وَلَتَعْلَمُنَّ اَيُّنَاۤ اَشَدُّ عَذَابًا وَّاَبْقٰى
ফিরাউন বলল, (কী হলো!) আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা মূসার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ফেললে? দেখছি, সে তো তোমাদের প্রধান, সে তোমাদেরকে যাদু শিক্ষা দিয়েছে। সুতরাং অবশ্যই আমি তোমাদের হাত-পা বিপরীত দিক হতে কর্তন করব এবং আমি তোমাদেরকে খেজুর বৃক্ষের কান্ডে শূলবিদ্ধ করব। অতঃপর তোমরা অবশ্যই জানতে পারবে যে, আমাদের মধ্যে কার শাস্তি কঠোরতর ও অধিক স্থায়ী। (সূরা ত্বা–হা– ৭১)
قَالَ اٰمَنْتُمْ لَهٗ قَبْلَ اَنْ اٰذَنَ لَكُمْۚ اِنَّهٗ لَكَبِيْرُكُمُ الَّذِيْ عَلَّمَكُمُ السِّحْرَۚ فَلَسَوْفَ تَعْلَمُوْنَؕ لَاُقَطِّعَنَّ اَيْدِيَكُمْ وَاَرْجُلَكُمْ مِّنْ خِلَافٍ وَّلَأُصَلِّبَنَّكُمْ اَجْمَعِيْنَ
ফিরাউন বলল, কী! আমি অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলে? (আমি বুঝতে পারছি, আসলে) সেই হচ্ছে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে যাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতি শীঘ্রই তোমরা এর পরিণাম সম্পর্কে জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত-পা বিপরীত দিক হতে কর্তন করব এবং তোমাদের সকলকে শূলবিদ্ধ করবই। (সূরা শু‘আরা– ৪৯)
قَالَ فِرْعَوْنُ اٰمَنْتُمْ بِهٖ قَبْلَ اَنْ اٰذَنَ لَكُمْ اِنَّ هٰذَا لَمَكْرٌ مَّكَرْتُمُوْهُ فِى الْمَدِيْنَةِ لِتُخْرِجُوْا مِنْهَاۤ اَهْلَهَاۚ فَسَوْفَ تَعْلَمُوْنَ ‐ لَاُقَطِّعَنَّ اَيْدِيْكُمْ وَاَرْجُلَكُمْ مِّنْ خِلَافٍ ثُمَّ لَاُصَلِّبَنَّكُمْ اَجْمَعِيْنَ
ফিরাউন বলল, আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করে ফেললে? এটা তো এক চক্রান্ত, তোমরা স্বজ্ঞানে এ চক্রান্ত করেছ নগরবাসীদেরকে তা হতে বহিষ্কারের জন্য। শীঘ্রই তোমরা এর পরিণাম সম্পর্কে জানতে পারবে। অবশ্যই আমি তোমাদের হাত-পা বিপরীত দিক হতে কর্তন করব, অতঃপর তোমাদের সকলকে শূলবিদ্ধ করব। (সূরা আ‘রাফ, ১২৩, ১২৪)
এতে তারা কোন পরোয়া করল না :
قَالُوْا لَا ضَيْرَۚ اِنَّاۤ اِلٰى رَبِّنَا مُنْقَلِبُوْنَ
তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই, আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করব। (সূরা শু‘আরা– ৫০)
তারা আল্লাহর উপর ভরসা করল :
اِنَّا نَطْمَعُ اَنْ يَّغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَايَانَاۤ اَنْ كُنَّاۤ اَوَّلَ الْمُؤْمِنِيْنَ
আমরা আশা করি যে, আমাদের প্রতিপালক আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। কেননা আমরা মুমিনদের মধ্যে অগ্রগামী। (সূরা শু‘আরা– ৫১)
قَالُوْاۤ اِنَّاۤ اِلٰى رَبِّنَا مُنْقَلِبُوْنَ
তারা বলল, অবশ্যই আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করব। (সূরা আ‘রাফু ১২৫)
তারা আল্লাহর মাগফিরাত লাভের আশা করল :
اِنَّاۤ اٰمَنَّا بِرَبِّنَا لِيَغْفِرَ لَنَا خَطَايَانَا وَمَاۤ اَكْرَهْتَنَا عَلَيْهِ مِنَ السِّحْرِؕ وَاللهُ خَيْرٌ وَّاَبْقٰى
নিশ্চয় আমরা আমাদের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান এনেছি, যাতে তিনি আমাদের অপরাধসমূহকে ক্ষমা করে দেন এবং তুমি আমাদেরকে যে যাদু করতে বাধ্য করেছ (তাও ক্ষমা করে দেন)। আর আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ ও চিরস্থায়ী। (সূরা ত্বা–হা– ৭৩)
তারা ফিরাউনের কাজকে নিন্দা জানাল :
وَمَا تَنْقِمُ مِنَّاۤ اِلَّاۤ اَنْ اٰمَنَّا بِاٰيَاتِ رَبِّنَا لَمَّا جَآءَتْنَا
তুমি তো আমাদেরকে শাস্তি দিচ্ছ শুধু এজন্য যে, আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিদর্শনের প্রতি ঈমান এনেছি, যখন তা আমাদের নিকট এসেছে। (সূরা আ‘রাফু ১২৬)
তারা মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু লাভের দু‘আ করল :
رَبَّنَاۤ اَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَّتَوَفَّنَا مُسْلِمِيْنَ
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ধৈর্য দান করো এবং মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু দান করো। (সূরা আ‘রাফু ১২৬)
তারা জীবন বাজি রেখে ঈমানের উপর অটল থাকার ঘোষণা দিল :
قَالُوْا لَنْ نُّؤْثِرَكَ عَلٰى مَا جَآءَنَا مِنَ الْبَيِّنَاتِ وَالَّذِيْ فَطَرَنَا فَاقْضِ مَاۤ اَنْتَ قَاضٍؕ اِنَّمَا تَقْضِيْ هٰذِهِ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا
তারা বলল, আমাদের নিকট যে স্পষ্ট নিদর্শন এসেছে তার উপর এবং যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর উপর আমরা তোমাকে কিছুতেই প্রাধান্য দেব না। সুতরাং তুমি যা করতে চাও করো। তুমি তো কেবল এ পার্থিব জীবনের উপরই কর্তৃত্ব লাভ করতে পার। (সূরা ত্বা–হা– ৭২)