hadith book logo

তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৫৯

অধ্যায়- ৪ : কিয়ামতের দিন আকাশের অবস্থা

আসমান ফেটে যাবে :

اِذَا السَّمَآءُ انْفَطَرَتْ

যখন আকাশ ফেটে যাবে। (সূরা ইনফিতার- ১ )

اِذَا السَّمَآءُ انْشَقَّتْ – وَاَذِنَتْ لِرَبِّهَا وَحُقَّتْ

যখন আকাশ ফেটে যাবে এবং (আকাশ) স্বীয় প্রতিপালকের আদেশ পালন করবে; আর এটাই তার উপযুক্ত করণীয়। (সূরা ইনশিক্বাক- ১, ২)

وَاِذَا السَّمَآءُ فُرِجَتْ

যখন আকাশ ছিদ্র করে দেয়া হবে। (সূরা মুরসালাত- ৯)

وَيَوْمَ تَشَقَّقُ السَّمَآءُ بِالْغَمَامِ وَنُزِّلَ الْمَلَآئِكَةُ تَنْزِيْلًا

সেদিন আকাশ মেঘপুঞ্জসহ বিদীর্ণ হবে এবং ফেরেশতাদেরকে নামিয়ে দেয়া হবে। (সূরা ফুরক্বান- ২৫)

আসমান ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে :

وَانْشَقَّتِ السَّمَآءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَّاهِيَةٌ

আকাশ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে। (সূরা হাক্কাহ- ১৬)

يَوْمَ تَمُوْرُ السَّمَآءُ مَوْرًا

যেদিন আকাশ প্রবলভাবে আন্দোলিত হবে। (সূরা তূর- ৯)

আসমানে বহু দরজা সৃষ্টি হবে :

وَفُتِحَتِ السَّمَآءُ فَكَانَتْ اَبْوَابًا

আসমান খুলে দেয়া হবে, ফলে তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হয়ে যাবে। (সূরা নাবা- ১৯)

আকাশের রং পরিবর্তন হয়ে যাবে :

فَاِذَا انْشَقَّتِ السَّمَآءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ

যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে, সেদিন তা লাল চামড়ার মতো রক্তবর্ণ ধারণ করবে। (সূরা আর রহমান- ৩৭)

আল্লাহ আকাশকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসবেন :

يَوْمَ نَطْوِى السَّمَآءَ كَطَيِّ السِّجِلِّ لِلْكُتُبِؕ كَمَا بَدَاْنَاۤ اَوَّلَ خَلْقٍ نُّعِيْدُهٗؕ وَعْدًا عَلَيْنَاؕ اِنَّا كُنَّا فَاعِلِيْنَ

সেদিন আকাশসমূহকে গুটিয়ে ফেলব, যেভাবে গুটানো হয় লিখিত দফতর। যেভাবে আমি প্রথম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতি পালন করা আমার কর্তব্য; আর আমি এটা পালন করবই। (সূরা আম্বিয়া- ১০৪)

وَمَا قَدَرُوا اللهَ حَقَّ قَدْرِهٖ وَالْاَرْضُ جَمِيْعًا قَبْضَتُهٗ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّماوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ ۢبِيَمِيْنِهٖؕ سُبْحَانَهٗ وَتَعَالٰى عَمَّا يُشْرِكُوْنَ

তারা আল্লাহকে যথাযথ সম্মান করে না। কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুষ্টিতে এবং আকাশমন্ডলী থাকবে ভাঁজকৃত- তাঁর ডান হাতে। অতএব তারা তাঁর সাথে যাকে শরীক করে তিনি তার থেকে অনেক পবিত্র ও মহান। (সূরা যুমার- ৬৭)