১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৪৮
অধ্যায়- ৪ : বার বার জাতিকে বুঝানোর প্রচেষ্টা
নবী বললেন, আমি গোমরাহ নই বরং রাসূল :
قَالَ يَا قَوْمِ لَيْسَ بِيْ ضَلَالَةٌ وَّلٰكِنِّيْ رَسُوْلٌ مِّنْ رَّبِّ الْعَالَمِيْنَ
সে বলেছিল, হে আমার সম্প্রদায়! আমার মধ্যে কোন ভ্রান্তি নেই; বরং আমি জগতসমূহের প্রতিপালকের (পক্ষ হতে প্রেরিত) রাসূল। (সূরা আ‘রাফু ৬১)
اِنِّيْ لَكُمْ رَسُوْلٌ اَمِيْنٌ
নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল। (সূরা শু‘আরা– ১০৭)
আমি কেবল আমার রবের বাণী প্রচার করছি :
اُبَلِّغُكُمْ رِسَالَاتِ رَبِّيْ وَاَنْصَحُ لَكُمْ وَاَعْلَمُ مِنَ اللهِ مَا لَا تَعْلَمُوْنَ
আমার প্রতিপালকের বাণী আমি তোমাদের নিকট পৌঁছে দিচ্ছি এবং তোমাদেরকে সদুপদেশ দিচ্ছি। আর আমি আল্লাহর পক্ষ হতে যা জানি তোমরা তা জান না। (সূরা আ‘রাফু ৬২)
اَوَعَجِبْتُمْ اَنْ جَآءَكُمْ ذِكْرٌ مِّنْ رَّبِّكُمْ عَلٰى رَجُلٍ مِّنْكُمْ لِيُنْذِرَكُمْ وَلِتَتَّقُوْا وَلَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ
তোমরা কি বিস্ময় বোধ করছ যে, তোমাদেরই একজনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের নিকট উপদেশ এসেছে, যাতে সে তোমাদেরকে সতর্ক করে। আর যাতে তোমরা সাবধান হও এবং অনুগ্রহ লাভ করো। (সূরা আ‘রাফু ৬৩)
আমি অবাস্তব কথা বলি না :
وَلَاۤ اَقُوْلُ لَكُمْ عِنْدِيْ خَزَآئِنُ اللهِ وَلَاۤ اَعْلَمُ الْغَيْبَ وَلَاۤ اَقُوْلُ اِنِّيْ مَلَكٌ وَّلَاۤ اَقُوْلُ لِلَّذِيْنَ تَزْدَرِيْۤ اَعْيُنُكُمْ لَنْ يُّؤْتِيَهُمُ اللهُ خَيْرًا ‐ اَللهُ اَعْلَمُ بِمَا فِۤيْ اَنْفُسِهِمْ اِنِّۤيْ اِذًا لَّمِنَ الظَّالِمِيْنَ
আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার নিকট আল্লাহর ধনভান্ডার আছে। আর আমি অদৃশ্য বিষয় সম্বন্ধেও অবগত নই। আমি এটাও বলি না যে, আমি একজন ফেরেশতা। যারা তোমাদের দৃষ্টিতে হেয় প্রতিপন্ন হয় তাদের সম্বন্ধে আমি বলি না যে, আল্লাহ তাদেরকে কখনই মঙ্গল দান করবেন না; তাদের অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবগত। নতুবা আমি অবশ্যই যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হব। (সূরা হুদু ৩১)
তোমাদের মঙ্গল আমার ইচ্ছাধীন নয় :
وَلَا يَنْفَعُكُمْ نُصْحِيْۤ اِنْ اَرَدْتُّ اَنْ اَنْصَحَ لَكُمْ اِنْ كَانَ اللهُ يُرِيْدُ اَنْ يُّغْوِيَكُمْ ؕ هُوَ رَبُّكُمْ وَاِلَيْهِ تُرْجَعُوْنَ
আমি তোমাদেরকে উপদেশ দিতে চাইলেও আমার উপদেশ তোমাদের উপকারে আসবে না, যদি আল্লাহ তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করতে চান। তিনিই তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদেরকে তাঁরই নিকট প্রত্যাবর্তন করতে হবে। (সূরা হুদু ৩৪)
আমি তোমাদেরকে বাধ্য করি না :
قَالَ يَا قَوْمِ اَرَاَيْتُمْ اِنْ كُنْتُ عَلٰى بَيِّنَةٍ مِّنْ رَّبِّيْ وَاٰتَانِيْ رَحْمَةً مِّنْ عِنْدِهٖ فَعُمِّيَتُ عَلَيْكُمْؕ اَنُلْزِمُكُمُوْهَا وَاَنْتُمْ لَهَا كَارِهُوْنَ
সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কি দেখনা যে, আমি যদি আমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে প্রেরিত স্পষ্ট নিদর্শনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকি এবং যদি তাঁর পক্ষ হতে আমার নিকট কোন অনুগ্রহ আসে। আর তা যদি তোমাদের থেকে গোপন হয়, তবে আমি কি এ বিষয়ে তোমাদেরকে বাধ্য করতে পারি, যখন তোমরা তা অপছন্দ কর? (সূরা হুদু ২৮)
আমি মুমিনদেরকে তাড়াতে পারি না :
وَمَاۤ اَنَاْ بِطَارِدِ الْمُؤْمِنِيْنَ
মুমিনদেরকে তাড়িয়ে দেয়া আমার কাজ নয়। (সূরা শু‘আরা– ১১৪)
وَمَاۤ اَنَاْ بِطَارِدِ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاؕ اِنَّهُمْ مُّلَاقُوْا رَبِّهِمْ وَلٰكِنِّيْۤ اَرَاكُمْ قَوْمًا تَجْهَلُوْنَ ‐ وَيَا قَوْمِ مَنْ يَّنْصُرُنِيْ مِنَ اللهِ اِنْ طَرَدْتُّهُمْؕ اَفَلَا تَذَكَّرُوْنَ
মুমিনদেরকে তাড়িয়ে দেয়া আমার কাজ নয়। তারা নিশ্চিতভাবে তাদের প্রতিপালকের সাক্ষাৎ লাভ করবে। কিন্তু আমি তো দেখছি তোমরা এক অজ্ঞ সম্প্রদায়। হে আমার সম্প্রদায়! আমি যদি তাদেরকে তাড়িয়ে দেই, তবে আল্লাহ হতে আমাকে কে রক্ষা করবে? তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? (সূরা হুদু ২৯, ৩০)
আমার সাথিদের হিসাব আল্লাহর উপর ন্যস্ত :
قَالَ وَمَا عِلْمِيْ بِمَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ ‐ اِنْ حِسَابُهُمْ اِلَّا عَلٰى رَبِّيْ لَوْ تَشْعُرُوْنَ
নূহ বলল, তারা কী করত তা আমার জানা নেই। তাদের হিসাব গ্রহণ করা তো আমার প্রতিপালকেরই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে! (সূরা শু‘আরা– ১১২, ১১৩)
নবী বললেন, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করো :
مَا لَكُمْ لَا تَرْجُوْنَ لِلّٰهِ وَقَارًا
তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করতে চাচ্ছ না? (সূরা নূহ– ১৩)
তিনিই তোমাদের সৃষ্টিকর্তা :
وَقَدْ خَلَقَكُمْ اَطْوَارًا
অথচ তিনিই তোমাদেরকে পর্যায়ক্রমে সৃষ্টি করেছেন। (সূরা নূহ– ১৪)
তিনিই আকাশ তৈরি করেছেন :
اَلَمْ تَرَوْا كَيْفَ خَلَقَ اللهُ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا
তোমরা কি লক্ষ্য করনি যে, আল্লাহ কীভাবে সাত আসমানকে স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন? (সূরা নূহ– ১৫)
তিনিই চন্দ্র–সূর্য সৃষ্টি করেছেন :
وَجَعَلَ الْقَمَرَ فِيْهِنَّ نُوْرًا وَّجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا
অতঃপর তিনি সেখানে চাঁদকে আলো ও সূর্যকে প্রদীপরূপে স্থাপন করেছেন। (সূরা নূহ– ১৬)
তিনি তোমাদেরকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন :
وَاللهُ اَنْۢبَتَكُمْ مِّنَ الْاَرْضِ نَبَاتًا
আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি হতে। (সূরা নূহ– ১৭)
মৃত্যুর পর আবার তোমাদেরকে উঠাবেন :
ثُمَّ يُعِيْدُكُمْ فِيْهَا وَيُخْرِجُكُمْ اِخْرَاجًا
অতঃপর তিনি তোমাদেরকে তাতে ফিরিয়ে নেবেন এবং পরে পুনরায় বের করবেন। (সূরা নূহ – ১৮)
তিনি জমিন সৃষ্টি করেছেন :
وَاللهُ جَعَلَ لَكُمُ الْاَرْضَ بِسَاطًا
আল্লাহ তোমাদের জন্য ভূমিকে বিস্তৃত করে দিয়েছেন। (সূরা নূহ– ১৯)
আল্লাহর বিধান মানলে তোমাদের পাপ ক্ষমা করা হবে :
يَغْفِرْ لَكُمْ مِّنْ ذُنُوْبِكُمْ وَيُؤَخِّرْكُمْ اِلٰۤى اَجَلٍ مُّسَمًّىؕ اِنَّ اَجَلَ اللهِ اِذَا جَآءَ لَا يُؤَخَّرُ لَوْ كُنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ
তিনি তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন এবং তিনি তোমাদেরকে অবকাশ দেবেন এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত। নিশ্চয় আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সময় উপস্থিত হলে তা বিলম্বিত হয় না, যদি তোমরা এটা জানতে! (সূরা নূহ– ৪)
বৃষ্টিপাত হবে :
يُرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُمْ مِّدْرَارًا
তিনি তোমাদের জন্য আকাশ হতে প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন। (সূরা নূহ– ১১)
তোমরা আরো অনেক নিয়ামত পাবে :
وَيُمْدِدْكُمْ بِاَمْوَالٍ وَّبَنِيْنَ وَيَجْعَلْ لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَّيَجْعَلْ لَّكُمْ اَنْهَارًا
তিনি তোমাদেরকে সমৃদ্ধ করবেন ধনসম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে। আর তোমাদের জন্য বাগানসমূহ তৈরি করবেন এবং প্রবাহিত করবেন নদী–নালা। (সূরা নূহ– ১২)
قَالَ يَا قَوْمِ لَيْسَ بِيْ ضَلَالَةٌ وَّلٰكِنِّيْ رَسُوْلٌ مِّنْ رَّبِّ الْعَالَمِيْنَ
সে বলেছিল, হে আমার সম্প্রদায়! আমার মধ্যে কোন ভ্রান্তি নেই; বরং আমি জগতসমূহের প্রতিপালকের (পক্ষ হতে প্রেরিত) রাসূল। (সূরা আ‘রাফু ৬১)
اِنِّيْ لَكُمْ رَسُوْلٌ اَمِيْنٌ
নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল। (সূরা শু‘আরা– ১০৭)
আমি কেবল আমার রবের বাণী প্রচার করছি :
اُبَلِّغُكُمْ رِسَالَاتِ رَبِّيْ وَاَنْصَحُ لَكُمْ وَاَعْلَمُ مِنَ اللهِ مَا لَا تَعْلَمُوْنَ
আমার প্রতিপালকের বাণী আমি তোমাদের নিকট পৌঁছে দিচ্ছি এবং তোমাদেরকে সদুপদেশ দিচ্ছি। আর আমি আল্লাহর পক্ষ হতে যা জানি তোমরা তা জান না। (সূরা আ‘রাফু ৬২)
اَوَعَجِبْتُمْ اَنْ جَآءَكُمْ ذِكْرٌ مِّنْ رَّبِّكُمْ عَلٰى رَجُلٍ مِّنْكُمْ لِيُنْذِرَكُمْ وَلِتَتَّقُوْا وَلَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ
তোমরা কি বিস্ময় বোধ করছ যে, তোমাদেরই একজনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের নিকট উপদেশ এসেছে, যাতে সে তোমাদেরকে সতর্ক করে। আর যাতে তোমরা সাবধান হও এবং অনুগ্রহ লাভ করো। (সূরা আ‘রাফু ৬৩)
আমি অবাস্তব কথা বলি না :
وَلَاۤ اَقُوْلُ لَكُمْ عِنْدِيْ خَزَآئِنُ اللهِ وَلَاۤ اَعْلَمُ الْغَيْبَ وَلَاۤ اَقُوْلُ اِنِّيْ مَلَكٌ وَّلَاۤ اَقُوْلُ لِلَّذِيْنَ تَزْدَرِيْۤ اَعْيُنُكُمْ لَنْ يُّؤْتِيَهُمُ اللهُ خَيْرًا ‐ اَللهُ اَعْلَمُ بِمَا فِۤيْ اَنْفُسِهِمْ اِنِّۤيْ اِذًا لَّمِنَ الظَّالِمِيْنَ
আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার নিকট আল্লাহর ধনভান্ডার আছে। আর আমি অদৃশ্য বিষয় সম্বন্ধেও অবগত নই। আমি এটাও বলি না যে, আমি একজন ফেরেশতা। যারা তোমাদের দৃষ্টিতে হেয় প্রতিপন্ন হয় তাদের সম্বন্ধে আমি বলি না যে, আল্লাহ তাদেরকে কখনই মঙ্গল দান করবেন না; তাদের অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবগত। নতুবা আমি অবশ্যই যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হব। (সূরা হুদু ৩১)
তোমাদের মঙ্গল আমার ইচ্ছাধীন নয় :
وَلَا يَنْفَعُكُمْ نُصْحِيْۤ اِنْ اَرَدْتُّ اَنْ اَنْصَحَ لَكُمْ اِنْ كَانَ اللهُ يُرِيْدُ اَنْ يُّغْوِيَكُمْ ؕ هُوَ رَبُّكُمْ وَاِلَيْهِ تُرْجَعُوْنَ
আমি তোমাদেরকে উপদেশ দিতে চাইলেও আমার উপদেশ তোমাদের উপকারে আসবে না, যদি আল্লাহ তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করতে চান। তিনিই তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদেরকে তাঁরই নিকট প্রত্যাবর্তন করতে হবে। (সূরা হুদু ৩৪)
আমি তোমাদেরকে বাধ্য করি না :
قَالَ يَا قَوْمِ اَرَاَيْتُمْ اِنْ كُنْتُ عَلٰى بَيِّنَةٍ مِّنْ رَّبِّيْ وَاٰتَانِيْ رَحْمَةً مِّنْ عِنْدِهٖ فَعُمِّيَتُ عَلَيْكُمْؕ اَنُلْزِمُكُمُوْهَا وَاَنْتُمْ لَهَا كَارِهُوْنَ
সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কি দেখনা যে, আমি যদি আমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে প্রেরিত স্পষ্ট নিদর্শনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকি এবং যদি তাঁর পক্ষ হতে আমার নিকট কোন অনুগ্রহ আসে। আর তা যদি তোমাদের থেকে গোপন হয়, তবে আমি কি এ বিষয়ে তোমাদেরকে বাধ্য করতে পারি, যখন তোমরা তা অপছন্দ কর? (সূরা হুদু ২৮)
আমি মুমিনদেরকে তাড়াতে পারি না :
وَمَاۤ اَنَاْ بِطَارِدِ الْمُؤْمِنِيْنَ
মুমিনদেরকে তাড়িয়ে দেয়া আমার কাজ নয়। (সূরা শু‘আরা– ১১৪)
وَمَاۤ اَنَاْ بِطَارِدِ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاؕ اِنَّهُمْ مُّلَاقُوْا رَبِّهِمْ وَلٰكِنِّيْۤ اَرَاكُمْ قَوْمًا تَجْهَلُوْنَ ‐ وَيَا قَوْمِ مَنْ يَّنْصُرُنِيْ مِنَ اللهِ اِنْ طَرَدْتُّهُمْؕ اَفَلَا تَذَكَّرُوْنَ
মুমিনদেরকে তাড়িয়ে দেয়া আমার কাজ নয়। তারা নিশ্চিতভাবে তাদের প্রতিপালকের সাক্ষাৎ লাভ করবে। কিন্তু আমি তো দেখছি তোমরা এক অজ্ঞ সম্প্রদায়। হে আমার সম্প্রদায়! আমি যদি তাদেরকে তাড়িয়ে দেই, তবে আল্লাহ হতে আমাকে কে রক্ষা করবে? তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? (সূরা হুদু ২৯, ৩০)
আমার সাথিদের হিসাব আল্লাহর উপর ন্যস্ত :
قَالَ وَمَا عِلْمِيْ بِمَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ ‐ اِنْ حِسَابُهُمْ اِلَّا عَلٰى رَبِّيْ لَوْ تَشْعُرُوْنَ
নূহ বলল, তারা কী করত তা আমার জানা নেই। তাদের হিসাব গ্রহণ করা তো আমার প্রতিপালকেরই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে! (সূরা শু‘আরা– ১১২, ১১৩)
নবী বললেন, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করো :
مَا لَكُمْ لَا تَرْجُوْنَ لِلّٰهِ وَقَارًا
তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করতে চাচ্ছ না? (সূরা নূহ– ১৩)
তিনিই তোমাদের সৃষ্টিকর্তা :
وَقَدْ خَلَقَكُمْ اَطْوَارًا
অথচ তিনিই তোমাদেরকে পর্যায়ক্রমে সৃষ্টি করেছেন। (সূরা নূহ– ১৪)
তিনিই আকাশ তৈরি করেছেন :
اَلَمْ تَرَوْا كَيْفَ خَلَقَ اللهُ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا
তোমরা কি লক্ষ্য করনি যে, আল্লাহ কীভাবে সাত আসমানকে স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন? (সূরা নূহ– ১৫)
তিনিই চন্দ্র–সূর্য সৃষ্টি করেছেন :
وَجَعَلَ الْقَمَرَ فِيْهِنَّ نُوْرًا وَّجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا
অতঃপর তিনি সেখানে চাঁদকে আলো ও সূর্যকে প্রদীপরূপে স্থাপন করেছেন। (সূরা নূহ– ১৬)
তিনি তোমাদেরকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন :
وَاللهُ اَنْۢبَتَكُمْ مِّنَ الْاَرْضِ نَبَاتًا
আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি হতে। (সূরা নূহ– ১৭)
মৃত্যুর পর আবার তোমাদেরকে উঠাবেন :
ثُمَّ يُعِيْدُكُمْ فِيْهَا وَيُخْرِجُكُمْ اِخْرَاجًا
অতঃপর তিনি তোমাদেরকে তাতে ফিরিয়ে নেবেন এবং পরে পুনরায় বের করবেন। (সূরা নূহ – ১৮)
তিনি জমিন সৃষ্টি করেছেন :
وَاللهُ جَعَلَ لَكُمُ الْاَرْضَ بِسَاطًا
আল্লাহ তোমাদের জন্য ভূমিকে বিস্তৃত করে দিয়েছেন। (সূরা নূহ– ১৯)
আল্লাহর বিধান মানলে তোমাদের পাপ ক্ষমা করা হবে :
يَغْفِرْ لَكُمْ مِّنْ ذُنُوْبِكُمْ وَيُؤَخِّرْكُمْ اِلٰۤى اَجَلٍ مُّسَمًّىؕ اِنَّ اَجَلَ اللهِ اِذَا جَآءَ لَا يُؤَخَّرُ لَوْ كُنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ
তিনি তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন এবং তিনি তোমাদেরকে অবকাশ দেবেন এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত। নিশ্চয় আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সময় উপস্থিত হলে তা বিলম্বিত হয় না, যদি তোমরা এটা জানতে! (সূরা নূহ– ৪)
বৃষ্টিপাত হবে :
يُرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُمْ مِّدْرَارًا
তিনি তোমাদের জন্য আকাশ হতে প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন। (সূরা নূহ– ১১)
তোমরা আরো অনেক নিয়ামত পাবে :
وَيُمْدِدْكُمْ بِاَمْوَالٍ وَّبَنِيْنَ وَيَجْعَلْ لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَّيَجْعَلْ لَّكُمْ اَنْهَارًا
তিনি তোমাদেরকে সমৃদ্ধ করবেন ধনসম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে। আর তোমাদের জন্য বাগানসমূহ তৈরি করবেন এবং প্রবাহিত করবেন নদী–নালা। (সূরা নূহ– ১২)