hadith book logo

তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪৬৫

অধ্যায়- ৪ : নবী ভালোভাবে বুঝালেন ও মু‘জিযা দেখালেন

নবী জাতিকে ভালোভাবে বুঝালেন :

قَالَ يَا قَوْمِ اَرَاَيْتُمْ اِنْ كُنْتُ عَلٰى بَيِّنَةٍ مِّنْ رَّبِّيْ وَاٰتَانِيْ مِنْهُ رَحْمَةً فَمَنْ يَّنْصُرُنِيْ مِنَ اللهِ اِنْ عَصَيْتُهٗ فَمَا تَزِيْدُوْنَنِيْ غَيْرَ تَخْسِيْرٍ

সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কি ভেবে দেখেছ যে, আমি যদি আমার প্রতিপালকের প্রেরিত স্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকি এবং তিনি যদি আমাকে তাঁর নিজ অনুগ্রহ হতে কোনকিছু দান করেন; তথাপিও যদি আমি তাঁর অবাধ্যতা করি, তবে আল্লাহর শাস্তি হতে আমাকে কে রক্ষা করবে? সুতরাং তোমরা তো কেবল আমার ক্ষতিই বাড়িয়ে দিচ্ছ। (সূরা হুদু ৬৩)

অস্থায়ী দুনিয়ার বাস্তবতা বুঝালেন :

اَتُتْرَكُوْنَ فِيْ مَا هَاهُنَاۤ اٰمِنِيْنَ ‐ فِيْ جَنَّاتٍ وَّعُيُوْنٍ ‐ وَزُرُوْعٍ وَّنَخْلٍ طَلْعُهَا هَضِيْمٌ ‐ وَتَنْحِتُوْنَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوْتًا فَارِهِيْنَ

তোমাদেরকে কি নিরাপদ অবস্থায় ছেড়ে রাখা হবে, উদ্যান, ঝর্ণাধারা, শস্যক্ষেত্রে এবং কোমল গুচ্ছবিশিষ্ট খেজুর বাগানে যা কিছু আছে তাতে? তোমরা তো নৈপুণ্যের সাথে পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করছ।

(সুরা শু‘আরা, ১৪৬–১৪৯)

আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনার আহবান জানালেন :

قَالَ يَا قَوْمِ لِمَ تَسْتَعْجِلُوْنَ بِالسَّيِّئَةِ قَبْلَ الْحَسَنَةِۚ لَوْلَا تَسْتَغْفِرُوْنَ اللهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ

সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কেন কল্যাণের পূর্বে অকল্যাণ ত্বরান্বিত করতে চাচ্ছ? কেন তোমরা আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করছ না, যাতে তোমরা অনুগ্রহভাজন হতে পার? (সূরা নামল– ৪৬)

উষ্ট্রীর মু‘জিযা দেখালেন :

وَيَا قَوْمِ هٰذِهٖ نَاقَةُ اللهِ لَكُمْ اٰيَةً فَذَرُوْهَا تَأْكُلْ فِۤيْ اَرْضِ اللهِ

হে আমার সম্প্রদায়! এটা তোমাদের জন্য নিদর্শনস্বরূপ আল্লাহর উষ্ট্রী। সুতরাং একে আল্লাহর জমিনে বিচরণ করে খেতে দাও। (সূরা হুদু ৬৪)

একে কষ্ট দিতে নিষেধ করলেন :

وَلَا تَمَسُّوْهَا بِسُوْٓءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ قَرِيْبٌ

তোমরা একে কোন কষ্ট দিয়ো না, নতুবা এক নিকটবর্তী আযাব তোমাদের উপর আপতিত হবে। (সূরা হুদ ৬৪)

وَلَا تَمَسُّوْهَا بِسُوْٓءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَظِيْمٍ

সেটার কোন অনিষ্ট সাধন করো না; নতুবা মহাদিবসের শাস্তি তোমাদের উপর পতিত হবে। (সূরা শু‘আরা– ১৫৬)

قَدْ جَآءَتْكُمْ بَيِّنَةٌ مِّنْ رَّبِّكُمْؕ هٰذِهٖ نَاقَةُ اللهِ لَكُمْ اٰيَةً فَذَرُوْهَا تَأْكُلْ فِۤيْ اَرْضِ اللهِ وَلَا تَمَسُّوْهَا بِسُوْٓءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ اَلِيْمٌ

তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালক হতে স্পষ্ট নিদর্শন এসেছে। আল্লাহর এ উষ্ট্রী তোমাদের জন্য একটি নিদর্শন। এটাকে আল্লাহর জমিনে চড়ে খেতে দাও এবং একে কোন কষ্ট দিয়ো না, নতুবা তোমাদের উপর মর্মান্তিক শাস্তি পতিত হবে। (সূরা আ‘রাফু ৭৩)

পানি পানের পালা নির্ধারণ করে দিলেন :

قَالَ هٰذِهٖ نَاقَةٌ لَّهَا شِرْبٌ وَّلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَّعْلُوْمٍ

সালেহ বলল, এটি একটি উষ্ট্রী, এটার জন্য রয়েছে পানি পানের পালা এবং তোমাদের জন্য রয়েছে নির্ধারিত দিনে পানি পানের পালা। (সূরা শু‘আরা– ১৫৫)

وَنَبِّئْهُمْ اَنَّ الْمَآءَ قِسْمَةٌ ۢبَيْنَهُمْۚ كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ

তুমি তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে (ও উষ্ট্রের মধ্যে) পানি বণ্টন করা হবে এবং প্রত্যেকের পানি পানের পালা আসবে। (সূরা ক্বামার– ২৮)