১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩২
অধ্যায়- ৪ : শুকরিয়া আদায়ের উপকারিতা
কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন মুক্তির উপায় :
مَا يَفْعَلُ اللّٰهُ بِعَذَابِكُمْ اِنْ شَكَرْتُمْ وَاٰمَنْتُمْؕ وَكَانَ اللهُ شَاكِرًا عَلِيْمًا
তোমরা যদি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর ও ঈমান আনয়ন কর, তবে তোমাদেরকে শাস্তি দিয়ে আল্লাহর কী লাভ? আল্লাহ কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী ও সর্বজ্ঞ। (সূরা নিসা- ১৪৭)
ব্যাখ্যা : যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাক, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে অনর্থক কোন শাস্তি দেবেন না। হৃদয়ের সমগ্র অনুভূতি দিয়ে তাঁর অনুগ্রহের স্বীকৃতি দেয়া এবং নিজের কার্যকলাপের মাধ্যমে অনুগৃহীত হওয়ার প্রমাণ পেশ করাই হচ্ছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সঠিক উপায়। এসব কাজের সমবেত রূপই হচ্ছে ‘শুকর’। এই শুকরের দাবী হচ্ছে : প্রথমত, অনুগ্রহকে অনুগ্রহকারীর অবদান বলে স্বীকার করতে হবে। অনুগ্রহের স্বীকৃতি দেয়া এবং শুকরিয়া আদায় করার ক্ষেত্রে অনুগ্রহকারীর সাথে আর কাউকে শরীক করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, অনুগ্রহকারীর প্রতি ভালোবাসা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্যের অনুভূতিতে নিজের হৃদয় ভরপুর থাকবে এবং অনুগ্রহকারীর বিরোধীদের প্রতি বিন্দুমাত্র আন্তরিকতা ও বিশ্বস্ততার সম্পর্ক থাকবে না। তৃতীয়ত, কার্যত অনুগ্রহকারীর আনুগত্য করতে হবে, তাঁর হুকুম মেনে চলতে হবে এবং তিনি যে নিয়ামতগুলো দান করেছেন সেগুলো তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।
শুকরিয়া আদায় করলে নিজেরই উপকার হয় :
وَمَنْ يَّشْكُرْ فَاِنَّمَا يَشْكُرُ لِنَفْسِهٖۚ وَمَنْ كَفَرَ فَاِنَّ اللهَ غَنِيٌّ حَمِيْدٌ
যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে তো তা নিজের কল্যাণের জন্যই করে। আর যে অকৃতজ্ঞ হয় (সে নিজেরই ক্ষতি সাধন করে); নিশ্চয় আল্লাহ অভাবমুক্ত ও প্রশংসিত। (সূরা লুক্বমান- ১২)
وَمَنْ شَكَرَ فَاِنَّمَا يَشْكُرُ لِنَفْسِهٖۚ وَمَنْ كَفَرَ فَاِنَّ رَبِّيْ غَنِيٌّ كَرِيْمٌ
যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে তো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নিজেরই কল্যাণের জন্য। আর কেউ যদি অকৃতজ্ঞ হয়, তবে (তার জেনে রাখা উচিত) আমার প্রতিপালক অভাবমুক্ত ও সম্মানিত। (সূরা নামল- ৪০)
কৃতজ্ঞ থাকলে আল্লাহ খুশী হন :
اِنْ تَكْفُرُوْا فَاِنَّ اللهَ غَنِيٌّ عَنْكُمْؕ وَلَا يَرْضٰى لِعِبَادِهِ الْكُفْرَۚ وَاِنْ تَشْكُرُوْا يَرْضَهُ لَكُمْ
যদি তোমরা কুফরী কর, তবে (জেনে রেখো) আল্লাহ তোমাদের মুখাপেক্ষী নন। তাছাড়া তিনি তার বান্দাদের জন্য কুফরী পছন্দ করেন না। আর যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে তিনি তোমাদের জন্য তা পছন্দ করেন। (সূরা যুমার- ৭)
অবশ্যই আল্লাহ কৃতজ্ঞতার পুরস্কার দান করবেন :
وَسَنَجْزِى الشَّاكِرِيْنَ
অচিরেই আমি কৃতজ্ঞদেরকে পুরস্কার দান করব। (সূরা আলে ইমরান- ১৪৫)
আল্লাহ শুকরিয়া আদায়কারী বান্দাদের সম্পর্কে জানেন :
اَلَيْسَ اللهُ بِاَعْلَمَ بِالشَّاكِرِيْنَ
আল্লাহ কি কৃতজ্ঞ লোকদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত নন? (সূরা আন‘আম- ৫৩)
শুকরিয়া আদায় করলে নিয়ামত বৃদ্ধি পায় :
وَاِذْ تَاَذَّنَ رَبُّكُمْ لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَاَزِيْدَنَّكُمْ وَلَئِنْ كَفَرْتُمْ اِنَّ عَذَابِيْ لَشَدِيْدٌ
স্মরণ করো, যখন তোমাদের প্রতিপালক ঘোষণা করেন, যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও তবে অবশ্যই আমি তোমাদেরকে নিয়ামত বৃদ্ধি করে দেব। আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, (তবে জেনে রেখো) নিশ্চয় আমার শাস্তি খুবই কঠোর। (সূরা ইবরাহীম- ৭)
ব্যাখ্যা : অর্থাৎ যদি তোমরা আমার নিয়ামতসমূহের অধিকার ও মর্যাদা চিহ্নিত করে সেগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহার কর, আমার বিধানের মুকাবিলায় বিদ্রোহ করতে উদ্বুদ্ধ না হও এবং আমার অনুগ্রহ স্বীকার করে আমার বিধান মেনে চল, তাহলে আমার নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেব।
শুকরিয়া আদায়কারী লোকের সংখ্যা খুবই কম :
وَقَلِيْلٌ مِّنْ عِبَادِيَ الشَّكُوْرُ
আমার বান্দাদের মধ্যে খুব অল্পই কৃতজ্ঞ। (সূরা সাবা- ১৩)
اِنَّ اللهَ لَذُوْ فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلٰكِنَّ اَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَشْكُرُوْنَ
নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (সূরা মু’মিন- ৬১)
وَهُوَ الَّذِيْۤ اَنْشَاَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْاَبْصَارَ وَالْاَفْئِدَةَؕ قَلِيْلًا مَّا تَشْكُرُوْنَ
তিনিই তোমাদের জন্য কর্ণ, চক্ষু ও অন্তঃকরণ সৃষ্টি করেছেন; কিন্তু তোমরা খুব অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাক। (সূরা মু’মিনূন- ৭৮)
নেক আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করতে হয় :
اِعْمَلُوْاۤ اٰلَ دَاوُوْدَ شُكْرًا
হে দাউদের সম্প্রদায়! কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কাজ করে যাও। (সূরা সাবা- ১৩)
ব্যাখ্যা : কৃতজ্ঞতা শুধু মৌখিকভাবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং কথা, কাজ ও চিন্তা- এ তিন পর্যায়েই পরিব্যাপ্ত হবে। তার কণ্ঠে সর্বদা আল্লাহর অনুগ্রহের স্বীকৃতি উচ্চারিত হবে। কাজকর্মেও সে আল্লাহর হুকুম মেনে চলবে, তাঁর হুকুম অমান্য করা হতে দূরে থাকবে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্য প্রচেষ্টা করতে থাকবে, তাঁর দেয়া নিয়ামতসমূহ তাঁর বান্দাদের কাছে পৌঁছে দেবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহকারীদের সাথে সংগ্রাম করে এ কথা প্রমাণ করবে যে, প্রকৃতপক্ষে সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ।
শুকরিয়া আদায়ের তাওফীক লাভের দু‘আ :
رَبِّ اَوْزِعْنِيْۤ اَنْ اَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِيْۤ اَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلٰى وَالِدَيَّ وَاَنْ اَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَاَصْلِحْ لِيْ فِيْ ذُرِّيَّتِيْۚ اِنِّيْ تُبْتُ اِلَيْكَ وَاِنِّيْ مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ
হে আমার রব! আমাকে তাওফীক দিন, যেন আমি সেসব নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে পারি, যা আপনি আমাকে ও আমার পিতামাতাকে দিয়েছেন এবং যেন আমি এমন নেক আমল করতে পারি, যা আপনি পছন্দ করেন। আর আমার সন্তানদেরকেও সংশোধন করে দিন। নিশ্চয় আমি আপনারই নিকট প্রত্যাবর্তন করছি; আর আমি আপনার অনুগত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা আহকাফ- ১৫)
مَا يَفْعَلُ اللّٰهُ بِعَذَابِكُمْ اِنْ شَكَرْتُمْ وَاٰمَنْتُمْؕ وَكَانَ اللهُ شَاكِرًا عَلِيْمًا
তোমরা যদি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর ও ঈমান আনয়ন কর, তবে তোমাদেরকে শাস্তি দিয়ে আল্লাহর কী লাভ? আল্লাহ কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী ও সর্বজ্ঞ। (সূরা নিসা- ১৪৭)
ব্যাখ্যা : যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাক, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে অনর্থক কোন শাস্তি দেবেন না। হৃদয়ের সমগ্র অনুভূতি দিয়ে তাঁর অনুগ্রহের স্বীকৃতি দেয়া এবং নিজের কার্যকলাপের মাধ্যমে অনুগৃহীত হওয়ার প্রমাণ পেশ করাই হচ্ছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সঠিক উপায়। এসব কাজের সমবেত রূপই হচ্ছে ‘শুকর’। এই শুকরের দাবী হচ্ছে : প্রথমত, অনুগ্রহকে অনুগ্রহকারীর অবদান বলে স্বীকার করতে হবে। অনুগ্রহের স্বীকৃতি দেয়া এবং শুকরিয়া আদায় করার ক্ষেত্রে অনুগ্রহকারীর সাথে আর কাউকে শরীক করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, অনুগ্রহকারীর প্রতি ভালোবাসা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্যের অনুভূতিতে নিজের হৃদয় ভরপুর থাকবে এবং অনুগ্রহকারীর বিরোধীদের প্রতি বিন্দুমাত্র আন্তরিকতা ও বিশ্বস্ততার সম্পর্ক থাকবে না। তৃতীয়ত, কার্যত অনুগ্রহকারীর আনুগত্য করতে হবে, তাঁর হুকুম মেনে চলতে হবে এবং তিনি যে নিয়ামতগুলো দান করেছেন সেগুলো তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।
শুকরিয়া আদায় করলে নিজেরই উপকার হয় :
وَمَنْ يَّشْكُرْ فَاِنَّمَا يَشْكُرُ لِنَفْسِهٖۚ وَمَنْ كَفَرَ فَاِنَّ اللهَ غَنِيٌّ حَمِيْدٌ
যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে তো তা নিজের কল্যাণের জন্যই করে। আর যে অকৃতজ্ঞ হয় (সে নিজেরই ক্ষতি সাধন করে); নিশ্চয় আল্লাহ অভাবমুক্ত ও প্রশংসিত। (সূরা লুক্বমান- ১২)
وَمَنْ شَكَرَ فَاِنَّمَا يَشْكُرُ لِنَفْسِهٖۚ وَمَنْ كَفَرَ فَاِنَّ رَبِّيْ غَنِيٌّ كَرِيْمٌ
যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে তো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নিজেরই কল্যাণের জন্য। আর কেউ যদি অকৃতজ্ঞ হয়, তবে (তার জেনে রাখা উচিত) আমার প্রতিপালক অভাবমুক্ত ও সম্মানিত। (সূরা নামল- ৪০)
কৃতজ্ঞ থাকলে আল্লাহ খুশী হন :
اِنْ تَكْفُرُوْا فَاِنَّ اللهَ غَنِيٌّ عَنْكُمْؕ وَلَا يَرْضٰى لِعِبَادِهِ الْكُفْرَۚ وَاِنْ تَشْكُرُوْا يَرْضَهُ لَكُمْ
যদি তোমরা কুফরী কর, তবে (জেনে রেখো) আল্লাহ তোমাদের মুখাপেক্ষী নন। তাছাড়া তিনি তার বান্দাদের জন্য কুফরী পছন্দ করেন না। আর যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে তিনি তোমাদের জন্য তা পছন্দ করেন। (সূরা যুমার- ৭)
অবশ্যই আল্লাহ কৃতজ্ঞতার পুরস্কার দান করবেন :
وَسَنَجْزِى الشَّاكِرِيْنَ
অচিরেই আমি কৃতজ্ঞদেরকে পুরস্কার দান করব। (সূরা আলে ইমরান- ১৪৫)
আল্লাহ শুকরিয়া আদায়কারী বান্দাদের সম্পর্কে জানেন :
اَلَيْسَ اللهُ بِاَعْلَمَ بِالشَّاكِرِيْنَ
আল্লাহ কি কৃতজ্ঞ লোকদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত নন? (সূরা আন‘আম- ৫৩)
শুকরিয়া আদায় করলে নিয়ামত বৃদ্ধি পায় :
وَاِذْ تَاَذَّنَ رَبُّكُمْ لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَاَزِيْدَنَّكُمْ وَلَئِنْ كَفَرْتُمْ اِنَّ عَذَابِيْ لَشَدِيْدٌ
স্মরণ করো, যখন তোমাদের প্রতিপালক ঘোষণা করেন, যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও তবে অবশ্যই আমি তোমাদেরকে নিয়ামত বৃদ্ধি করে দেব। আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, (তবে জেনে রেখো) নিশ্চয় আমার শাস্তি খুবই কঠোর। (সূরা ইবরাহীম- ৭)
ব্যাখ্যা : অর্থাৎ যদি তোমরা আমার নিয়ামতসমূহের অধিকার ও মর্যাদা চিহ্নিত করে সেগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহার কর, আমার বিধানের মুকাবিলায় বিদ্রোহ করতে উদ্বুদ্ধ না হও এবং আমার অনুগ্রহ স্বীকার করে আমার বিধান মেনে চল, তাহলে আমার নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেব।
শুকরিয়া আদায়কারী লোকের সংখ্যা খুবই কম :
وَقَلِيْلٌ مِّنْ عِبَادِيَ الشَّكُوْرُ
আমার বান্দাদের মধ্যে খুব অল্পই কৃতজ্ঞ। (সূরা সাবা- ১৩)
اِنَّ اللهَ لَذُوْ فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلٰكِنَّ اَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَشْكُرُوْنَ
নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (সূরা মু’মিন- ৬১)
وَهُوَ الَّذِيْۤ اَنْشَاَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْاَبْصَارَ وَالْاَفْئِدَةَؕ قَلِيْلًا مَّا تَشْكُرُوْنَ
তিনিই তোমাদের জন্য কর্ণ, চক্ষু ও অন্তঃকরণ সৃষ্টি করেছেন; কিন্তু তোমরা খুব অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাক। (সূরা মু’মিনূন- ৭৮)
নেক আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করতে হয় :
اِعْمَلُوْاۤ اٰلَ دَاوُوْدَ شُكْرًا
হে দাউদের সম্প্রদায়! কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কাজ করে যাও। (সূরা সাবা- ১৩)
ব্যাখ্যা : কৃতজ্ঞতা শুধু মৌখিকভাবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং কথা, কাজ ও চিন্তা- এ তিন পর্যায়েই পরিব্যাপ্ত হবে। তার কণ্ঠে সর্বদা আল্লাহর অনুগ্রহের স্বীকৃতি উচ্চারিত হবে। কাজকর্মেও সে আল্লাহর হুকুম মেনে চলবে, তাঁর হুকুম অমান্য করা হতে দূরে থাকবে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্য প্রচেষ্টা করতে থাকবে, তাঁর দেয়া নিয়ামতসমূহ তাঁর বান্দাদের কাছে পৌঁছে দেবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহকারীদের সাথে সংগ্রাম করে এ কথা প্রমাণ করবে যে, প্রকৃতপক্ষে সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ।
শুকরিয়া আদায়ের তাওফীক লাভের দু‘আ :
رَبِّ اَوْزِعْنِيْۤ اَنْ اَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِيْۤ اَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلٰى وَالِدَيَّ وَاَنْ اَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَاَصْلِحْ لِيْ فِيْ ذُرِّيَّتِيْۚ اِنِّيْ تُبْتُ اِلَيْكَ وَاِنِّيْ مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ
হে আমার রব! আমাকে তাওফীক দিন, যেন আমি সেসব নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে পারি, যা আপনি আমাকে ও আমার পিতামাতাকে দিয়েছেন এবং যেন আমি এমন নেক আমল করতে পারি, যা আপনি পছন্দ করেন। আর আমার সন্তানদেরকেও সংশোধন করে দিন। নিশ্চয় আমি আপনারই নিকট প্রত্যাবর্তন করছি; আর আমি আপনার অনুগত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা আহকাফ- ১৫)