১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০৮
অধ্যায়- ১০ : উদ্ভিদ
আল্লাহ উদ্ভিদ ও ফসলাদী সৃষ্টি করেছেন :
وَهُوَ الَّذِيْۤ اَنْزَلَ مِنَ السَّمَآءِ مَآءًۚ فَاَخْرَجْنَا بِهٖ نَبَاتَ كُلِّ شَيْءٍ فَاَخْرَجْنَا مِنْهُ خَضِرًا نُّخْرِجُ مِنْهُ حَبًّا مُّتَرَاكِبًاۚ وَمِنَ النَّخْلِ مِنْ طَلْعِهَا قِنْوَانٌ دَانِيَةٌ وَّجَنَّاتٍ مِّنْ اَعْنَابٍ وَّالزَّيْتُوْنَ وَالرُّمَّانَ مُشْتَبِهًا وَّغَيْرَ مُتَشَابِهٍؕ اُنْظُرُوْاۤ اِلٰى ثَمَرِهٖۤ اِذَاۤ اَثْمَرَ وَيَنْعِهٖؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكُمْ لَاٰيَاتٍ لِّقَوْمٍ يُّؤْمِنُوْنَ
তিনিই সেই সত্তা, যিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তা দ্বারা আমি সর্বপ্রকার উদ্ভিদের চারা উৎপন্ন করি। অতঃপর তা হতে সবুজ পাতা বের করি, পরে তা হতে ঘন সন্নিবিষ্ট শস্যদানা উৎপাদন করি এবং খেজুর বৃক্ষের মাথা হতে ঝুলন্ত কাঁদি নির্গত করি; আর আঙ্গুরের বাগান সৃষ্টি করি এবং যায়তুন ও ডালিমও (সৃষ্টি করি)। এরা একে অন্যের সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্যও হয়ে থাকে। লক্ষ্য করো তার ফলের প্রতি, যখন তা ফলবান হয় এবং যখন তা পরিপক্ক হয়। নিশ্চয় এতে মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে নিদর্শন। (সূরা আন‘আম- ৯৯)
নানা রকম উদ্ভিদ ও বাগান রয়েছে :
فَلْيَنْظُرِ الْاِنْسَانُ اِلٰى طَعَامِهٖ – اَنَّا صَبَبْنَا الْمَآءَ صَبًّا ‐ ثُمَّ شَقَقْنَا الْاَرْضَ شَقًّا ‐ فَاَنْۢبَتْنَا فِيْهَا حَبًّا ‐ وَعِنَبًا وَّقَضْبًا ‐ وَزَيْتُوْنًا وَّنَخْلًا ‐ وَحَدَآئِقَ غُلْبًا ‐ وَفَاكِهَةً وَّاَبًّا – مَتَاعًا لَّكُمْ وَلِاَنْعَامِكُمْ
মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক। আমি প্রচুর পানি বর্ষণ করি, অতঃপর আমি ভূমিকে অদ্ভুতভাবে বিদীর্ণ করি। ফলে তাতে উৎপন্ন করি শস্য, আঙ্গুর, শাকসবজি, যায়তুন, খেজুর, বহু নিবিড় ঘন বাগান, ফলফলাদি এবং গবাদি পশুর খাদ্য (ঘাস), তোমাদের ও তোমাদের পশুগুলোর ভোগের সামগ্রী হিসেবে। (সূরা আবাসা, ২৪-৩২)
উঁচু উঁচু খেজুর গাছ :
وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَّهَا طَلْعٌ نَّضِيْدٌ
(আমি সৃষ্টি করি) উঁচু উঁচু খেজুর বৃক্ষ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর। (সূরা ক্বাফ- ১০)
তেল উৎপাদনকারী উদ্ভিদ :
وَشَجَرَةً تَخْرُجُ مِنْ طُوْرِ سَيْنَآءَ تَنْۢبُتُ بِالدُّهْنِ وَصِبْغٍ لِّلْاٰكِلِيْنَ
(আর আমি সৃষ্টি করি) এক বৃক্ষ, যা জন্মায় সিনাই পর্বতে। এতে উৎপন্ন হয় তেল এবং আহারকারীদের জন্য ব্যঞ্জন (তরকারি)। (সূরা মু’মিনূন- ২০)
খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান :
فَاَنْشَاْنَا لَكُمْ بِهٖ جَنَّاتٍ مِّنْ نَّخِيْلٍ وَّاَعْنَابٍۘ لَكُمْ فِيْهَا فَوَاكِهُ كَثِيْرَةٌ وَّمِنْهَا تَاْكُلُوْنَ
অতঃপর আমি এ দ্বারা তোমাদের জন্য খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান সৃষ্টি করি; এতে তোমাদের জন্য আছে প্রচুর ফল-ফলাদি। আর তা হতে তোমরা আহার করে থাক। (সূরা মু’মিনূন- ১৯)
وَاٰيَةٌ لَّهُمُ الْاَرْضُ الْمَيْتَةُۚ اَحْيَيْنَاهَا وَاَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا فَمِنْهُ يَاْكُلُوْنَ – - وَجَعَلْنَا فِيْهَا جَنَّاتٍ مِّنْ نَّخِيْلٍ وَّاَعْنَابٍ وَّفَجَّرْنَا فِيْهَا مِنَ الْعُيُوْنِ – - لِيَاْكُلُوْا مِنْ ثَمَرِهٖ وَمَا عَمِلَتْهُ اَيْدِيْهِمْؕ اَفَلَا يَشْكُرُوْنَ
তাদের জন্য একটি নিদর্শন হচ্ছে মৃত জমিন। আমি তাকে জীবিত করি এবং তা থেকে উৎপন্ন করি শস্য, ফলে তারা তা থেকে আহার করে থাকে। আর আমি তাতে সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান এবং প্রবাহিত করি র্ঝণাসমূহ। যেন তারা এর ফলমূল থেকে খাদ্য গ্রহণ করতে পারে। এটা তাদের হাতের কাজ নয়। তবুও কি তারা কৃতজ্ঞ হবে না? (সূরা ইয়াসীন, ৩৩-৩৫)
মানুষ ও জীবজন্তুর খাদ্য উদ্ভিদ থেকেই উৎপন্ন হচ্ছে :
اَوَلَمْ يَرَوْا اَنَّا نَسُوْقُ الْمَآءَ اِلَى الْاَرْضِ الْجُرُزِ فَنُخْرِجُ بِهٖ زَرْعًا تَاْكُلُ مِنْهُ اَنْعَامُهُمْ وَاَنْفُسُهُمْ اَفَلَا يُبْصِرُوْنَ
তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি শুষ্ক ও পতিত জমিতে পানি প্রবাহিত করি, তারপর তার সাহায্যে শস্য উৎপাদন করি; ফলে তারা তা থেকে তাদের চতুষ্পদ জন্তুদেরকে খাওয়ায় এবং তারা নিজেরাও (খায়)? তবুও কি তারা (ভেবে) দেখে না? (সূরা সাজদা- ২৭)
একই পানি দ্বারা সবরকমের বাগানে সেচ দেয়া হচ্ছে :
وَفِى الْاَرْضِ قِطَعٌ مُّتَجَاوِرَاتٌ وَّجَنَّاتٌ مِّنْ اَعْنَابٍ وَّزَرْعٌ وَّنَخِيْلٌ صِنْوَانٌ وَّغَيْرُ صِنْوَانٍ يُّسْقٰى بِمَآءٍ وَّاحِدٍ وَنُفَضِّلُ بَعْضَهَا عَلٰى بَعْضٍ فِى الْاُكُلِؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَّعْقِلُوْنَ
পৃথিবীতে রয়েছে পরস্পর সংলগ্ন ভূখন্ড, এতে আছে আঙ্গুরের বাগান, শস্যক্ষেত্র, একাধিক শীষ বিশিষ্ট অথবা এক শীষ বিশিষ্ট খেজুর বৃক্ষ- এগুলো একই পানিতে সিঞ্চিত হয়। আর আমি ফল হিসেবে তাদের কতককে কতকের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। নিশ্চয় এতে বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে নিদর্শন। (সূরা রা‘দ- ৪)
আল্লাহ বিভিন্ন রকম ফল ও বাগান তৈরি করেছেন :
اَلَمْ تَرَ اَنَّ اللهَ اَنْزَلَ مِنَ السَّمَآءِ مَآءً فَاَخْرَجْنَا بِهٖ ثَمَرَاتٍ مُّخْتَلِفًا اَ لْوَانُهَا
তুমি কি লক্ষ্য করনি যে, আল্লাহ আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন। তারপর আমি তা দিয়ে নানা বর্ণের ফলমূল উৎপন্ন করি। (সূরা ফাতির- ২৭)
وَهُوَ الَّذِيْۤ اَنْشَاَ جَنَّاتٍ مَّعْرُوْشَاتٍ وَّغَيْرَ مَعْرُوْشَاتٍ وَّالنَّخْلَ وَالزَّرْعَ مُخْتَلِفًا اُكُلُهٗ وَالزَّيْتُوْنَ وَالرُّمَّانَ مُتَشَابِهًا وَّغَيْرَ مُتَشَابِهٍ
তিনি সেই সত্তা, যিনি নানা প্রকার উদ্যান সৃষ্টি করেছেন। (তাতে রয়েছে) লতা-গুল্ম, যা কোন কান্ড ছাড়াই মাচানের উপর তুলে রাখা হয়েছে। আবার কিছু (গাছ) আছে, যা মাচানের উপর তুলে রাখা হয়নি (বরং তা স্বীয় কান্ডের উপর এমনিই দাঁড়িয়ে আছে)। আর (তিনি আরো সৃষ্টি করেছেন) খেজুর বৃক্ষ, বিভিন্ন স্বাদ বিশিষ্ট খাদ্যশস্য, যায়তুন ও ডালিম। এগুলো একটি অন্যটির সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্য। (সূরা আন‘আম- ১৪১)
وَهُوَ الَّذِيْۤ اَنْزَلَ مِنَ السَّمَآءِ مَآءًۚ فَاَخْرَجْنَا بِهٖ نَبَاتَ كُلِّ شَيْءٍ فَاَخْرَجْنَا مِنْهُ خَضِرًا نُّخْرِجُ مِنْهُ حَبًّا مُّتَرَاكِبًاۚ وَمِنَ النَّخْلِ مِنْ طَلْعِهَا قِنْوَانٌ دَانِيَةٌ وَّجَنَّاتٍ مِّنْ اَعْنَابٍ وَّالزَّيْتُوْنَ وَالرُّمَّانَ مُشْتَبِهًا وَّغَيْرَ مُتَشَابِهٍؕ اُنْظُرُوْاۤ اِلٰى ثَمَرِهٖۤ اِذَاۤ اَثْمَرَ وَيَنْعِهٖؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكُمْ لَاٰيَاتٍ لِّقَوْمٍ يُّؤْمِنُوْنَ
তিনিই সেই সত্তা, যিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তা দ্বারা আমি সর্বপ্রকার উদ্ভিদের চারা উৎপন্ন করি। অতঃপর তা হতে সবুজ পাতা বের করি, পরে তা হতে ঘন সন্নিবিষ্ট শস্যদানা উৎপাদন করি এবং খেজুর বৃক্ষের মাথা হতে ঝুলন্ত কাঁদি নির্গত করি; আর আঙ্গুরের বাগান সৃষ্টি করি এবং যায়তুন ও ডালিমও (সৃষ্টি করি)। এরা একে অন্যের সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্যও হয়ে থাকে। লক্ষ্য করো তার ফলের প্রতি, যখন তা ফলবান হয় এবং যখন তা পরিপক্ক হয়। নিশ্চয় এতে মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে নিদর্শন। (সূরা আন‘আম- ৯৯)
নানা রকম উদ্ভিদ ও বাগান রয়েছে :
فَلْيَنْظُرِ الْاِنْسَانُ اِلٰى طَعَامِهٖ – اَنَّا صَبَبْنَا الْمَآءَ صَبًّا ‐ ثُمَّ شَقَقْنَا الْاَرْضَ شَقًّا ‐ فَاَنْۢبَتْنَا فِيْهَا حَبًّا ‐ وَعِنَبًا وَّقَضْبًا ‐ وَزَيْتُوْنًا وَّنَخْلًا ‐ وَحَدَآئِقَ غُلْبًا ‐ وَفَاكِهَةً وَّاَبًّا – مَتَاعًا لَّكُمْ وَلِاَنْعَامِكُمْ
মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক। আমি প্রচুর পানি বর্ষণ করি, অতঃপর আমি ভূমিকে অদ্ভুতভাবে বিদীর্ণ করি। ফলে তাতে উৎপন্ন করি শস্য, আঙ্গুর, শাকসবজি, যায়তুন, খেজুর, বহু নিবিড় ঘন বাগান, ফলফলাদি এবং গবাদি পশুর খাদ্য (ঘাস), তোমাদের ও তোমাদের পশুগুলোর ভোগের সামগ্রী হিসেবে। (সূরা আবাসা, ২৪-৩২)
উঁচু উঁচু খেজুর গাছ :
وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَّهَا طَلْعٌ نَّضِيْدٌ
(আমি সৃষ্টি করি) উঁচু উঁচু খেজুর বৃক্ষ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর। (সূরা ক্বাফ- ১০)
তেল উৎপাদনকারী উদ্ভিদ :
وَشَجَرَةً تَخْرُجُ مِنْ طُوْرِ سَيْنَآءَ تَنْۢبُتُ بِالدُّهْنِ وَصِبْغٍ لِّلْاٰكِلِيْنَ
(আর আমি সৃষ্টি করি) এক বৃক্ষ, যা জন্মায় সিনাই পর্বতে। এতে উৎপন্ন হয় তেল এবং আহারকারীদের জন্য ব্যঞ্জন (তরকারি)। (সূরা মু’মিনূন- ২০)
খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান :
فَاَنْشَاْنَا لَكُمْ بِهٖ جَنَّاتٍ مِّنْ نَّخِيْلٍ وَّاَعْنَابٍۘ لَكُمْ فِيْهَا فَوَاكِهُ كَثِيْرَةٌ وَّمِنْهَا تَاْكُلُوْنَ
অতঃপর আমি এ দ্বারা তোমাদের জন্য খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান সৃষ্টি করি; এতে তোমাদের জন্য আছে প্রচুর ফল-ফলাদি। আর তা হতে তোমরা আহার করে থাক। (সূরা মু’মিনূন- ১৯)
وَاٰيَةٌ لَّهُمُ الْاَرْضُ الْمَيْتَةُۚ اَحْيَيْنَاهَا وَاَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا فَمِنْهُ يَاْكُلُوْنَ – - وَجَعَلْنَا فِيْهَا جَنَّاتٍ مِّنْ نَّخِيْلٍ وَّاَعْنَابٍ وَّفَجَّرْنَا فِيْهَا مِنَ الْعُيُوْنِ – - لِيَاْكُلُوْا مِنْ ثَمَرِهٖ وَمَا عَمِلَتْهُ اَيْدِيْهِمْؕ اَفَلَا يَشْكُرُوْنَ
তাদের জন্য একটি নিদর্শন হচ্ছে মৃত জমিন। আমি তাকে জীবিত করি এবং তা থেকে উৎপন্ন করি শস্য, ফলে তারা তা থেকে আহার করে থাকে। আর আমি তাতে সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান এবং প্রবাহিত করি র্ঝণাসমূহ। যেন তারা এর ফলমূল থেকে খাদ্য গ্রহণ করতে পারে। এটা তাদের হাতের কাজ নয়। তবুও কি তারা কৃতজ্ঞ হবে না? (সূরা ইয়াসীন, ৩৩-৩৫)
মানুষ ও জীবজন্তুর খাদ্য উদ্ভিদ থেকেই উৎপন্ন হচ্ছে :
اَوَلَمْ يَرَوْا اَنَّا نَسُوْقُ الْمَآءَ اِلَى الْاَرْضِ الْجُرُزِ فَنُخْرِجُ بِهٖ زَرْعًا تَاْكُلُ مِنْهُ اَنْعَامُهُمْ وَاَنْفُسُهُمْ اَفَلَا يُبْصِرُوْنَ
তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি শুষ্ক ও পতিত জমিতে পানি প্রবাহিত করি, তারপর তার সাহায্যে শস্য উৎপাদন করি; ফলে তারা তা থেকে তাদের চতুষ্পদ জন্তুদেরকে খাওয়ায় এবং তারা নিজেরাও (খায়)? তবুও কি তারা (ভেবে) দেখে না? (সূরা সাজদা- ২৭)
একই পানি দ্বারা সবরকমের বাগানে সেচ দেয়া হচ্ছে :
وَفِى الْاَرْضِ قِطَعٌ مُّتَجَاوِرَاتٌ وَّجَنَّاتٌ مِّنْ اَعْنَابٍ وَّزَرْعٌ وَّنَخِيْلٌ صِنْوَانٌ وَّغَيْرُ صِنْوَانٍ يُّسْقٰى بِمَآءٍ وَّاحِدٍ وَنُفَضِّلُ بَعْضَهَا عَلٰى بَعْضٍ فِى الْاُكُلِؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَّعْقِلُوْنَ
পৃথিবীতে রয়েছে পরস্পর সংলগ্ন ভূখন্ড, এতে আছে আঙ্গুরের বাগান, শস্যক্ষেত্র, একাধিক শীষ বিশিষ্ট অথবা এক শীষ বিশিষ্ট খেজুর বৃক্ষ- এগুলো একই পানিতে সিঞ্চিত হয়। আর আমি ফল হিসেবে তাদের কতককে কতকের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। নিশ্চয় এতে বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে নিদর্শন। (সূরা রা‘দ- ৪)
আল্লাহ বিভিন্ন রকম ফল ও বাগান তৈরি করেছেন :
اَلَمْ تَرَ اَنَّ اللهَ اَنْزَلَ مِنَ السَّمَآءِ مَآءً فَاَخْرَجْنَا بِهٖ ثَمَرَاتٍ مُّخْتَلِفًا اَ لْوَانُهَا
তুমি কি লক্ষ্য করনি যে, আল্লাহ আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন। তারপর আমি তা দিয়ে নানা বর্ণের ফলমূল উৎপন্ন করি। (সূরা ফাতির- ২৭)
وَهُوَ الَّذِيْۤ اَنْشَاَ جَنَّاتٍ مَّعْرُوْشَاتٍ وَّغَيْرَ مَعْرُوْشَاتٍ وَّالنَّخْلَ وَالزَّرْعَ مُخْتَلِفًا اُكُلُهٗ وَالزَّيْتُوْنَ وَالرُّمَّانَ مُتَشَابِهًا وَّغَيْرَ مُتَشَابِهٍ
তিনি সেই সত্তা, যিনি নানা প্রকার উদ্যান সৃষ্টি করেছেন। (তাতে রয়েছে) লতা-গুল্ম, যা কোন কান্ড ছাড়াই মাচানের উপর তুলে রাখা হয়েছে। আবার কিছু (গাছ) আছে, যা মাচানের উপর তুলে রাখা হয়নি (বরং তা স্বীয় কান্ডের উপর এমনিই দাঁড়িয়ে আছে)। আর (তিনি আরো সৃষ্টি করেছেন) খেজুর বৃক্ষ, বিভিন্ন স্বাদ বিশিষ্ট খাদ্যশস্য, যায়তুন ও ডালিম। এগুলো একটি অন্যটির সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্য। (সূরা আন‘আম- ১৪১)