১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪০৬
অধ্যায়- ৪ : জাহান্নামের আযাবের বৈশিষ্ট্য
জাহান্নামের আযাব অপমানজনক :
اِنَّ الَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ لَعَنَهُمُ اللهُ فِى الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِيْنًا
নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশাপ দেন। আর তিনি তাদের জন্য অপমানজনক শাস্তি তৈরি করে রেখেছেন। (সূরা আহযাব– ৫৭)
وَلَعَذَابُ الْاٰخِرَةِ اَخْزٰى وَهُمْ لَا يُنْصَرُوْنَ
আর পরকালের আযাব খুবই লাঞ্ছনাদায়ক। তখন পাপীদেরকে কোন সাহায্যও করা হবে না। (সূরা হা-মীম সাজদা– ১৬)
সেই আযাব যন্ত্রণাদায়ক :
وَالظَّالِمِيْنَ اَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا اَلِيْمًا
আর আল্লাহ যালিমদের জন্য কষ্টদায়ক শাস্তি নির্ধারণ করে রেখেছেন। (সূরা দাহর– ৩১)
وَالَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِاٰيَاتِ رَبِّهِمْ لَهُمْ عَذَابٌ مِّنْ رِّجْزٍ اَلِيْمٌ
আর যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনকে অস্বীকার করবে, তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (সূরা জাসিয়া– ১১)
সেই আযাব উত্তপ্ত আগুনের :
وَلَهُمْ فِى الْاٰخِرَةِ عَذَابُ النَّارِ
পাপীদের জন্য পরকালে আগুনের আযাব রয়েছে। (সূরা হাশর– ৩)
اِنَّ الَّذِيْنَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوْبُوْا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيْقِ
যারা মুমিন নর–নারীকে কষ্ট দেয় তারপরও তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের উত্তপ্ত আযাব। (সূরা বুরুজ– ১০)
সে আযাব হবে কঠিন ও সর্বনাশকারী :
فَلَنُنَبِّئَنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِمَا عَمِلُوْاؗ وَلَنُذِيْقَنَّهُمْ مِّنْ عَذَابٍ غَلِيْظٍ
আমি কাফিরদেরকে তাদের কৃতকর্মের ফলাফল অবহিত করব। অতঃপর তাদেরকে কঠিন শাস্তি আস্বাদন করাব। (সূরা হা–মীম সিজদা– ৫০)
وَالَّذِيْنَ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا
আল্লাহর প্রিয় বান্দা তারা, যারা দু‘আ করে- হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে বাঁচান। নিশ্চয় এর আযাব সর্বনাশকারী। (সূরা ফুরক্বানু ৪৫)
সে আযাব বিরাট আকারের :
وَمَنْ يَّظْلِمْ مِّنْكُمْ نُذِقْهُ عَذَابًا كَبِيْرًا
তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অত্যাচার করবে, আমি তাকে বড় আকারের আযাবের স্বাদ ভোগ করাব। (সূরা ফুরক্বানু ১৯)
وَمَنْ يَّقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا فَجَزَآؤُهٗ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيْهَا وَغَضِبَ اللهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهٗ وَاَعَدَّ لَهٗ عَذَابًا عَظِيْمًا
যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে কোন মুমিনকে হত্যা করবে, তার শাস্তি হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম। তার প্রতি রয়েছে আল্লাহর গযব ও লানত। আর তিনি তার জন্য তৈরি করে রেখেছেন বিরাট আকারের শাস্তি। (সূরা নিসা– ৯৩)
সে আযাব অপেক্ষায় আছে :
اِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا – لِلطَّاغِيْنَ مَاٰبًا
সীমালঙ্ঘনকারী ও অবাধ্যদের বাসস্থান হিসেবে জাহান্নাম ওঁৎ পেতে অপেক্ষা করছে। (সূরা নাবা– ২১, ২২)
ব্যাখ্যা : শিকার ধরার উপযোগী করে যে জায়গাটিকে গোপন ঘাটি হিসেবে তৈরি করা হয় এবং অজ্ঞাতসারে শিকার সেখানে চলে এসে তার মধ্যে আটকে যায় তাকেই বলে ফাঁদ। জাহান্নামের ক্ষেত্রে এ শব্দটি ব্যবহার করার কারণ হচ্ছে, আল্লাহর বিরুদ্ধে যারা বিদ্রোহাত্মক ভূমিকা অবলম্বন করে তারা জাহান্নামের ভয়ে ভীত না হয়ে দুনিয়ায় এ মনে করে লাফালাফি করে বেড়াচ্ছে যে, আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্ব তাদের জন্য একটি ঢালাও বিচরণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, এখানে তাদের পাকড়াও হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। কিন্তু জাহান্নাম তাদের জন্য এমন একটি গোপন ফাঁদ, যেখানে তারা আকস্মিকভাবে আটকা পড়ে যাবে এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোন উপায় থাকবে না।
সে আযাব অতি নিকটে :
اِنَّاۤ اَنْذَرْنَاكُمْ عَذَابًا قَرِيْبًا
আমি তোমাদেরকে নিকটবর্তী আযাবের ভয় দেখাচ্ছি। (সূরা নাবা– ৪০)
আল্লাহর শাস্তি খুবই শক্ত ও কঠিন :
اِلَّا مَنْ تَوَلّٰى وَكَفَرَ – فَيُعَذِّبُهُ اللهُ الْعَذَابَ الْاَكْبَرَ
যে কুফরী করবে এবং মুখ ফিরিয়ে নেবে, আল্লাহ তাকে বড় ধরনের শাস্তি দেবেন। (সূরা গাশিয়া– ২৩, ২৪)
اِنَّ بَطْشَ رَبِّكَ لَشَدِيْدٌ
নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালকের পাকড়াও খুবই শক্ত। (সূরা বুরুজ– ১২)
وَتَرَى النَّاسَ سُكَارٰى وَمَا هُمْ بِسُكَارٰى وَلٰكِنَّ عَذَابَ اللهِ شَدِيْدٌ
কিয়ামতের দিন তুমি মানুষকে মাতাল অবস্থায় দেখবে, আসলে তারা মাতাল নয়; বরং আল্লাহর আযাব বড়ই কঠিন। (সূরা হজ্জ– ২)
فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهٗۤ اَحَدٌ – وَلَا يُوْثِقُ وَثَاقَهٗۤ اَحَدٌ
সেদিন আল্লাহর আযাবের ন্যায় আযাব কেউ দিতে পারবে না, আর তাঁর বাঁধনের মতো বাঁধনও কেউ দিতে পারবে না। (সূরা ফাজর– ২৫, ২৬)
জাহান্নামের আযাব হবে চিরস্থায়ী :
اَلَاۤ اِنَّ الظَّالِمِيْنَ فِيْ عَذَابٍ مُّقِيْمٍ
সাবধান! যালিমরা স্থায়ী আযাবের মধ্যে থাকবে। (সূরা শূরা– ৪৫)
لَابِثِيْنَ فِيْهَاۤ اَحْقَابًا
জাহান্নামীরা অনন্তকাল জাহান্নামের মধ্যে অবস্থান করবে। (সূরা নাবা–২৩)
وَمَنْ يَّعْصِ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَيَتَعَدَّ حُدُوْدَهٗ يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيْهَا
যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানি করবে এবং ইসলামের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন, সেখানে সে চিরদিন থাকবে। (সূরা নিসা– ১৪)
اِنَّ الَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ لَعَنَهُمُ اللهُ فِى الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِيْنًا
নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশাপ দেন। আর তিনি তাদের জন্য অপমানজনক শাস্তি তৈরি করে রেখেছেন। (সূরা আহযাব– ৫৭)
وَلَعَذَابُ الْاٰخِرَةِ اَخْزٰى وَهُمْ لَا يُنْصَرُوْنَ
আর পরকালের আযাব খুবই লাঞ্ছনাদায়ক। তখন পাপীদেরকে কোন সাহায্যও করা হবে না। (সূরা হা-মীম সাজদা– ১৬)
সেই আযাব যন্ত্রণাদায়ক :
وَالظَّالِمِيْنَ اَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا اَلِيْمًا
আর আল্লাহ যালিমদের জন্য কষ্টদায়ক শাস্তি নির্ধারণ করে রেখেছেন। (সূরা দাহর– ৩১)
وَالَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِاٰيَاتِ رَبِّهِمْ لَهُمْ عَذَابٌ مِّنْ رِّجْزٍ اَلِيْمٌ
আর যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনকে অস্বীকার করবে, তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (সূরা জাসিয়া– ১১)
সেই আযাব উত্তপ্ত আগুনের :
وَلَهُمْ فِى الْاٰخِرَةِ عَذَابُ النَّارِ
পাপীদের জন্য পরকালে আগুনের আযাব রয়েছে। (সূরা হাশর– ৩)
اِنَّ الَّذِيْنَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوْبُوْا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيْقِ
যারা মুমিন নর–নারীকে কষ্ট দেয় তারপরও তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের উত্তপ্ত আযাব। (সূরা বুরুজ– ১০)
সে আযাব হবে কঠিন ও সর্বনাশকারী :
فَلَنُنَبِّئَنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِمَا عَمِلُوْاؗ وَلَنُذِيْقَنَّهُمْ مِّنْ عَذَابٍ غَلِيْظٍ
আমি কাফিরদেরকে তাদের কৃতকর্মের ফলাফল অবহিত করব। অতঃপর তাদেরকে কঠিন শাস্তি আস্বাদন করাব। (সূরা হা–মীম সিজদা– ৫০)
وَالَّذِيْنَ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا
আল্লাহর প্রিয় বান্দা তারা, যারা দু‘আ করে- হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে বাঁচান। নিশ্চয় এর আযাব সর্বনাশকারী। (সূরা ফুরক্বানু ৪৫)
সে আযাব বিরাট আকারের :
وَمَنْ يَّظْلِمْ مِّنْكُمْ نُذِقْهُ عَذَابًا كَبِيْرًا
তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অত্যাচার করবে, আমি তাকে বড় আকারের আযাবের স্বাদ ভোগ করাব। (সূরা ফুরক্বানু ১৯)
وَمَنْ يَّقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا فَجَزَآؤُهٗ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيْهَا وَغَضِبَ اللهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهٗ وَاَعَدَّ لَهٗ عَذَابًا عَظِيْمًا
যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে কোন মুমিনকে হত্যা করবে, তার শাস্তি হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম। তার প্রতি রয়েছে আল্লাহর গযব ও লানত। আর তিনি তার জন্য তৈরি করে রেখেছেন বিরাট আকারের শাস্তি। (সূরা নিসা– ৯৩)
সে আযাব অপেক্ষায় আছে :
اِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا – لِلطَّاغِيْنَ مَاٰبًا
সীমালঙ্ঘনকারী ও অবাধ্যদের বাসস্থান হিসেবে জাহান্নাম ওঁৎ পেতে অপেক্ষা করছে। (সূরা নাবা– ২১, ২২)
ব্যাখ্যা : শিকার ধরার উপযোগী করে যে জায়গাটিকে গোপন ঘাটি হিসেবে তৈরি করা হয় এবং অজ্ঞাতসারে শিকার সেখানে চলে এসে তার মধ্যে আটকে যায় তাকেই বলে ফাঁদ। জাহান্নামের ক্ষেত্রে এ শব্দটি ব্যবহার করার কারণ হচ্ছে, আল্লাহর বিরুদ্ধে যারা বিদ্রোহাত্মক ভূমিকা অবলম্বন করে তারা জাহান্নামের ভয়ে ভীত না হয়ে দুনিয়ায় এ মনে করে লাফালাফি করে বেড়াচ্ছে যে, আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্ব তাদের জন্য একটি ঢালাও বিচরণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, এখানে তাদের পাকড়াও হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। কিন্তু জাহান্নাম তাদের জন্য এমন একটি গোপন ফাঁদ, যেখানে তারা আকস্মিকভাবে আটকা পড়ে যাবে এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোন উপায় থাকবে না।
সে আযাব অতি নিকটে :
اِنَّاۤ اَنْذَرْنَاكُمْ عَذَابًا قَرِيْبًا
আমি তোমাদেরকে নিকটবর্তী আযাবের ভয় দেখাচ্ছি। (সূরা নাবা– ৪০)
আল্লাহর শাস্তি খুবই শক্ত ও কঠিন :
اِلَّا مَنْ تَوَلّٰى وَكَفَرَ – فَيُعَذِّبُهُ اللهُ الْعَذَابَ الْاَكْبَرَ
যে কুফরী করবে এবং মুখ ফিরিয়ে নেবে, আল্লাহ তাকে বড় ধরনের শাস্তি দেবেন। (সূরা গাশিয়া– ২৩, ২৪)
اِنَّ بَطْشَ رَبِّكَ لَشَدِيْدٌ
নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালকের পাকড়াও খুবই শক্ত। (সূরা বুরুজ– ১২)
وَتَرَى النَّاسَ سُكَارٰى وَمَا هُمْ بِسُكَارٰى وَلٰكِنَّ عَذَابَ اللهِ شَدِيْدٌ
কিয়ামতের দিন তুমি মানুষকে মাতাল অবস্থায় দেখবে, আসলে তারা মাতাল নয়; বরং আল্লাহর আযাব বড়ই কঠিন। (সূরা হজ্জ– ২)
فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهٗۤ اَحَدٌ – وَلَا يُوْثِقُ وَثَاقَهٗۤ اَحَدٌ
সেদিন আল্লাহর আযাবের ন্যায় আযাব কেউ দিতে পারবে না, আর তাঁর বাঁধনের মতো বাঁধনও কেউ দিতে পারবে না। (সূরা ফাজর– ২৫, ২৬)
জাহান্নামের আযাব হবে চিরস্থায়ী :
اَلَاۤ اِنَّ الظَّالِمِيْنَ فِيْ عَذَابٍ مُّقِيْمٍ
সাবধান! যালিমরা স্থায়ী আযাবের মধ্যে থাকবে। (সূরা শূরা– ৪৫)
لَابِثِيْنَ فِيْهَاۤ اَحْقَابًا
জাহান্নামীরা অনন্তকাল জাহান্নামের মধ্যে অবস্থান করবে। (সূরা নাবা–২৩)
وَمَنْ يَّعْصِ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَيَتَعَدَّ حُدُوْدَهٗ يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيْهَا
যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানি করবে এবং ইসলামের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন, সেখানে সে চিরদিন থাকবে। (সূরা নিসা– ১৪)