১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
অধ্যায়- ১৬ : আল্লাহকে কোনভাবেই অস্বীকার করা যায় না
আল্লাহ পরম সত্য :
ذٰلِكَ بِاَنَّ اللهَ هُوَ الْحَقُّ وَاَنَّ مَا يَدْعُوْنَ مِنْ دُوْنِهٖ هُوَ الْبَاطِلُ وَاَنَّ اللهَ هُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيْرُ
সেটা এজন্য যে, নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই সত্য এবং তারা তাঁর পরিবর্তে যাকে ডাকে তা মিথ্যা; নিশ্চয় আল্লাহ সুউচ্চ ও সুমহান। (সূরা হজ্জ- ৬২)
فَذٰلِكُمُ اللهُ رَبُّكُمُ الْحَقُّۚ فَمَاذَا بَعْدَ الْحَقِّ اِلَّا الضَّلَالُۚ فَاَنّٰى تُصْرَفُوْنَ
তিনিই আল্লাহ, তোমাদের প্রকৃত প্রতিপালক। সত্য ত্যাগ করার পর বিভ্রান্তি ব্যতীত আর কী বাকি থাকে? সুতরাং তোমরা কোন দিকে ধাবিত হচ্ছ? (সূরা ইউনুস- ৩২)
ব্যাখ্যা : তিনিই সত্যিকার ক্ষমতার অধিকারী ও যথার্থ রব। তাঁর ইবাদাতকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না। আর অন্যান্য সকল মা‘বুদই অসত্য ও মিথ্যা। তাদেরকে যেসব গুণাবলি ও ক্ষমতার মালিক মনে করা হয়েছে সেগুলোর কোন ভিত্তি নেই। সুতরাং আল্লাহর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে তাদের ভরসায় যারা বেঁচে থাকে তারা কখনো সফলতা লাভ করতে পারে না।
আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হওয়া যাবে না :
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُّجَادِلُ فِى اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ
মানুষের মধ্যে কতক লোক এমনও রয়েছে, যারা অজ্ঞতাবশত আল্লাহ সম্বন্ধে তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হয়। (সূরা হজ্জ- ৩)
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُّجَادِلُ فِى اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّلَا هُدًى وَّلَا كِتَابٍ مُّنِيْرٍ
মানুষের মধ্যে কিছু লোক আছে, যারা আল্লাহ সম্পর্কে কোন জ্ঞান অথবা পথনির্দেশ অথবা কোন উজ্জল গ্রন্থ ছাড়াই তর্কে লিপ্ত হয়। (সূরা লুক্বমান- ২০)
ব্যাখ্যা : মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা কোন ধরনের পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা, পথনির্দেশনা কিংবা সঠিক কোন জ্ঞান ছাড়াই আল্লাহর ব্যাপারে বিতর্কে লিপ্ত হয়। যাতে করে তারা মানুষদেরকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে রাখতে পারে। যেমন, আল্লাহ আছেন কি না? আল্লাহ কি একা না আরো আছেন? তাঁর গুণাবলি কী এবং তিনি কেমন? নিজের সৃষ্টিকুলের সাথে তাঁর সম্পর্ক কোন পর্যায়ের? এ ধরনের বিষয়াদি নিয়ে বিতর্ক করে। এরা এমন লোক, যাদেরকে দ্বীনের ব্যাপারে দাওয়াত দেয়া হলে কিংবা কোন সদুপদেশ দান করা হলে তাতে কর্ণপাত না করে মুখ ফিরিয়ে নেয়। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হয় এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করে।
আল্লাহকে কষ্ট দেয়া যাবে না :
اِنَّ الَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ لَعَنَهُمُ اللهُ فِى الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِيْنًا
যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে অভিসম্পাত করেন এবং তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি। (সূরা আহযাব- ৫৭)
ব্যাখ্যা : আল্লাহকে কষ্ট দেয়ার অর্থ দু’টি। (এক) আল্লাহর নাফরমানি করা। তাঁর মুকাবিলায় কুফরী, শিরক ও নাস্তিক্যবাদের পথ অবলম্বন করা। তিনি যা হারাম করেছেন তাকে হালাল করা। (দুই) তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়া। কারণ রাসূলের আনুগত্য যেমন আল্লাহর আনুগত্য, ঠিক তেমনি রাসূলের অবাধ্যতা আল্লাহর অবাধ্যতার সমান।
আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করা মহাপাপ :
اُنْظُرْ كَيْفَ يَفْتَرُوْنَ عَلَى اللهِ الْكَذِبَ ؕ وَكَفٰى بِهٖۤ اِثْمًا مُّبِيْنًا
লক্ষ্য করো, তারা আল্লাহ সম্পর্কে কীভাবে মিথ্যারোপ করে যাচ্ছে। আর প্রকাশ্য পাপ হিসেবে এটাই যথেষ্ট। (সূরা নিসা- ৫০)
যারা আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করে তারা সবচেয়ে বড় যালিম :
وَمَنْ اَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرٰى عَلَى اللهِ كَذِبًا اَوْ كَذَّبَ بِاٰيَاتِهٖ ؕ اِنَّهٗ لَا يُفْلِحُ الظَّالِمُوْنَ
যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর মিথ্যা রচনা করে অথবা তাঁর নিদর্শনসমূহকে প্রত্যাখ্যান করে, তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে হতে পারে? নিশ্চয় যালিমরা কখনো সফলকাম হয় না। (সূরা আন‘আম- ২১)
فَمَنْ اَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرٰى عَلَى اللهِ كَذِبًا لِّيُضِلَّ النَّاسَ بِغَيْرِ عِلْمٍؕ اِنَّ اللهَ لَا يَهْدِى الْقَوْمَ الظَّالِمِيْنَ
যে ব্যক্তি অজ্ঞতাবশত মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে, তার চেয়ে বড় যালিম আর কে হতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না। (সূরা আন‘আম- ১৪৪)
আল্লাহর উপর মিথ্যারোপকারীরা কখনো সফল হবে না :
قُلْ اِنَّ الَّذِيْنَ يَفْتَرُوْنَ عَلَى اللهِ الْكَذِبَ لَا يُفْلِحُوْنَ
বলো, যারা আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করে তারা কখনই সফলকাম হবে না। (সূরা ইউনুস- ৬৯)
কাফিররাই আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করে :
وَلٰكِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا يَفْتَرُوْنَ عَلَى اللهِ الْكَذِبَؕ وَاَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُوْنَ
কিন্তু কাফিররা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে এবং তাদের অধিকাংশই তা উপলব্ধি করতে পারে না। (সূরা মায়েদা- ১০৩)
আল্লাহকে অস্বীকার করার কোন কারণ নেই :
كَيْفَ تَكْفُرُوْنَ بِاللهِ وَكُنْتُمْ اَمْوَاتًا فَاَحْيَاكُمْ ثُمَّ يُمِيْتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيْكُمْ ثُمَّ اِلَيْهِ تُرْجَعُوْنَ
তোমরা কীভাবে আল্লাহকে অস্বীকার করছ, অথচ তোমরা ছিলে মৃত? অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে জীবন দান করেছেন। তারপর তিনিই তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, পরে আবার জীবিত করবেন; অবশেষে তোমাদেরকে তাঁর দিকেই ফিরে যেতে হবে। (সূরা বাক্বারা- ২৮)
ذٰلِكَ بِاَنَّ اللهَ هُوَ الْحَقُّ وَاَنَّ مَا يَدْعُوْنَ مِنْ دُوْنِهٖ هُوَ الْبَاطِلُ وَاَنَّ اللهَ هُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيْرُ
সেটা এজন্য যে, নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই সত্য এবং তারা তাঁর পরিবর্তে যাকে ডাকে তা মিথ্যা; নিশ্চয় আল্লাহ সুউচ্চ ও সুমহান। (সূরা হজ্জ- ৬২)
فَذٰلِكُمُ اللهُ رَبُّكُمُ الْحَقُّۚ فَمَاذَا بَعْدَ الْحَقِّ اِلَّا الضَّلَالُۚ فَاَنّٰى تُصْرَفُوْنَ
তিনিই আল্লাহ, তোমাদের প্রকৃত প্রতিপালক। সত্য ত্যাগ করার পর বিভ্রান্তি ব্যতীত আর কী বাকি থাকে? সুতরাং তোমরা কোন দিকে ধাবিত হচ্ছ? (সূরা ইউনুস- ৩২)
ব্যাখ্যা : তিনিই সত্যিকার ক্ষমতার অধিকারী ও যথার্থ রব। তাঁর ইবাদাতকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না। আর অন্যান্য সকল মা‘বুদই অসত্য ও মিথ্যা। তাদেরকে যেসব গুণাবলি ও ক্ষমতার মালিক মনে করা হয়েছে সেগুলোর কোন ভিত্তি নেই। সুতরাং আল্লাহর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে তাদের ভরসায় যারা বেঁচে থাকে তারা কখনো সফলতা লাভ করতে পারে না।
আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হওয়া যাবে না :
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُّجَادِلُ فِى اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ
মানুষের মধ্যে কতক লোক এমনও রয়েছে, যারা অজ্ঞতাবশত আল্লাহ সম্বন্ধে তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হয়। (সূরা হজ্জ- ৩)
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُّجَادِلُ فِى اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّلَا هُدًى وَّلَا كِتَابٍ مُّنِيْرٍ
মানুষের মধ্যে কিছু লোক আছে, যারা আল্লাহ সম্পর্কে কোন জ্ঞান অথবা পথনির্দেশ অথবা কোন উজ্জল গ্রন্থ ছাড়াই তর্কে লিপ্ত হয়। (সূরা লুক্বমান- ২০)
ব্যাখ্যা : মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা কোন ধরনের পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা, পথনির্দেশনা কিংবা সঠিক কোন জ্ঞান ছাড়াই আল্লাহর ব্যাপারে বিতর্কে লিপ্ত হয়। যাতে করে তারা মানুষদেরকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে রাখতে পারে। যেমন, আল্লাহ আছেন কি না? আল্লাহ কি একা না আরো আছেন? তাঁর গুণাবলি কী এবং তিনি কেমন? নিজের সৃষ্টিকুলের সাথে তাঁর সম্পর্ক কোন পর্যায়ের? এ ধরনের বিষয়াদি নিয়ে বিতর্ক করে। এরা এমন লোক, যাদেরকে দ্বীনের ব্যাপারে দাওয়াত দেয়া হলে কিংবা কোন সদুপদেশ দান করা হলে তাতে কর্ণপাত না করে মুখ ফিরিয়ে নেয়। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হয় এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করে।
আল্লাহকে কষ্ট দেয়া যাবে না :
اِنَّ الَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ لَعَنَهُمُ اللهُ فِى الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِيْنًا
যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে অভিসম্পাত করেন এবং তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি। (সূরা আহযাব- ৫৭)
ব্যাখ্যা : আল্লাহকে কষ্ট দেয়ার অর্থ দু’টি। (এক) আল্লাহর নাফরমানি করা। তাঁর মুকাবিলায় কুফরী, শিরক ও নাস্তিক্যবাদের পথ অবলম্বন করা। তিনি যা হারাম করেছেন তাকে হালাল করা। (দুই) তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়া। কারণ রাসূলের আনুগত্য যেমন আল্লাহর আনুগত্য, ঠিক তেমনি রাসূলের অবাধ্যতা আল্লাহর অবাধ্যতার সমান।
আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করা মহাপাপ :
اُنْظُرْ كَيْفَ يَفْتَرُوْنَ عَلَى اللهِ الْكَذِبَ ؕ وَكَفٰى بِهٖۤ اِثْمًا مُّبِيْنًا
লক্ষ্য করো, তারা আল্লাহ সম্পর্কে কীভাবে মিথ্যারোপ করে যাচ্ছে। আর প্রকাশ্য পাপ হিসেবে এটাই যথেষ্ট। (সূরা নিসা- ৫০)
যারা আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করে তারা সবচেয়ে বড় যালিম :
وَمَنْ اَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرٰى عَلَى اللهِ كَذِبًا اَوْ كَذَّبَ بِاٰيَاتِهٖ ؕ اِنَّهٗ لَا يُفْلِحُ الظَّالِمُوْنَ
যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর মিথ্যা রচনা করে অথবা তাঁর নিদর্শনসমূহকে প্রত্যাখ্যান করে, তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে হতে পারে? নিশ্চয় যালিমরা কখনো সফলকাম হয় না। (সূরা আন‘আম- ২১)
فَمَنْ اَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرٰى عَلَى اللهِ كَذِبًا لِّيُضِلَّ النَّاسَ بِغَيْرِ عِلْمٍؕ اِنَّ اللهَ لَا يَهْدِى الْقَوْمَ الظَّالِمِيْنَ
যে ব্যক্তি অজ্ঞতাবশত মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে, তার চেয়ে বড় যালিম আর কে হতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না। (সূরা আন‘আম- ১৪৪)
আল্লাহর উপর মিথ্যারোপকারীরা কখনো সফল হবে না :
قُلْ اِنَّ الَّذِيْنَ يَفْتَرُوْنَ عَلَى اللهِ الْكَذِبَ لَا يُفْلِحُوْنَ
বলো, যারা আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করে তারা কখনই সফলকাম হবে না। (সূরা ইউনুস- ৬৯)
কাফিররাই আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করে :
وَلٰكِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا يَفْتَرُوْنَ عَلَى اللهِ الْكَذِبَؕ وَاَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُوْنَ
কিন্তু কাফিররা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে এবং তাদের অধিকাংশই তা উপলব্ধি করতে পারে না। (সূরা মায়েদা- ১০৩)
আল্লাহকে অস্বীকার করার কোন কারণ নেই :
كَيْفَ تَكْفُرُوْنَ بِاللهِ وَكُنْتُمْ اَمْوَاتًا فَاَحْيَاكُمْ ثُمَّ يُمِيْتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيْكُمْ ثُمَّ اِلَيْهِ تُرْجَعُوْنَ
তোমরা কীভাবে আল্লাহকে অস্বীকার করছ, অথচ তোমরা ছিলে মৃত? অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে জীবন দান করেছেন। তারপর তিনিই তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, পরে আবার জীবিত করবেন; অবশেষে তোমাদেরকে তাঁর দিকেই ফিরে যেতে হবে। (সূরা বাক্বারা- ২৮)