১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৮
অধ্যায়- ১০ : আখিরাতে পাপের পরিণাম
যারা পাপের মধ্যে ডুবে থাকে তারা জাহান্নামে যাবে :
بَلٰى مَنْ كَسَبَ سَيِّئَةً وَّاَحَاطَتْ بِهٖ خَطِيْٓئَتُهٗ فَاُولٰٓئِكَ اَصْحَابُ النَّارِۚ هُمْ فِيْهَا خَالِدُوْنَ
হ্যাঁ, যে ব্যক্তি পাপ অর্জন করেছে এবং স্বীয় পাপের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়েছে, বস্তুত তারাই জাহান্নামের অধিবাসী; সেখানে তারা চিরকাল অবস্থান করবে। (সূরা বাক্বারা- ৮১)
পাপীরা নিজেদের পিঠে পাপের বোঝা বহন করবে :
وَهُمْ يَحْمِلُوْنَ اَوْزَارَهُمْ عَلٰى ظُهُوْرِهِمْؕ اَ لَا سَآءَ مَا يَزِرُوْنَ
তারা তাদের পিঠে নিজেদের পাপ বহন করবে। সাবধান, তারা যা বহন করবে তা খুবই নিকৃষ্ট! (সূরা আন‘আম- ৩১)
পাপের প্রবর্তকরা পরবর্তীদের পাপের বোঝাও বহন করবে :
لِيَحْمِلُوْاۤ اَوْزَارَهُمْ كَامِلَةً يَّوْمَ الْقِيَامَةِ وَمِنْ اَوْزَارِ الَّذِيْنَ يُضِلُّوْنَهُمْ بِغَيْرِ عِلْمٍؕ اَ لَا سَآءَ مَا يَزِرُوْنَ
ফলে কিয়ামত দিবসে তারা তাদের পাপভার পূর্ণমাত্রায় বহন করবে এবং তাদেরও পাপভার (বহন করবে) যাদেরকে তারা অজ্ঞতাবশত বিভ্রামত্ম করেছে। সাবধান! তারা যা বহন করবে তা খুবই নিকৃষ্ট! (সূরা নাহল- ২৫)
কিয়ামতের দিন তাদের চোখ আলোহীন হয়ে যাবে :
يَوْمَ يُنْفَخُ فِى الصُّوْرِ وَنَحْشُرُ الْمُجْرِمِيْنَ يَوْمَئِذٍ زُرْقًا
যেদিন শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়া হবে এবং যেদিন আমি অপরাধীদেরকে দৃষ্টিহীন অবস্থায় সমবেত করব। (সূরা ত্বা-হা- ১০২)
ব্যাখ্যা : চোখ সাদাটে ও নীলচে ভাব ধারণ করবে। কারণ আতঙ্কে তাদের রক্ত শুকিয়ে যাবে। তাদের অবস্থা এমন হবে যে, যেন তাদের শরীরে এক বিন্দু রক্তও নেই। যখন কারো চোখ আলোহীন হয়ে পড়ে তখন তার চোখের মনি সাদা হয়ে যায়।
কিয়ামতের দিন পাপীদের জন্য কোন সুসংবাদ থাকবে না :
يَوْمَ يَرَوْنَ الْمَلَآئِكَةَ لَا بُشْرٰى يَوْمَئِذٍ لِّلْمُجْرِمِيْنَ وَيَقُوْلُوْنَ حِجْرًا مَّحْجُوْرًا
যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন অপরাধীদের জন্য কোন সুসংবাদ থাকবে না। তখন তারা বলবে, ‘রক্ষা করো, রক্ষা করো।’ (সূরা ফুরক্বান- ২২)
সেদিন পাপীরা হতাশ হয়ে পড়বে :
وَيَوْمَ تَقُوْمُ السَّاعَةُ يُبْلِسُ الْمُجْرِمُوْنَ
আর যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, সেদিন পাপীরা হতাশ হয়ে পড়বে। (সূরা রূম- ১২)
তাদেরকে পাপের চিহ্ন দ্বারা চেনা যাবে :
يُعْرَفُ الْمُجْرِمُوْنَ بِسِيْمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِيْ وَالْاَقْدَامِ
অপরাধীদেরকে তাদের চেহারার আলামত দ্বারা চেনা যাবে। অতঃপর তাদেরকে পাকড়াও করা হবে কপাল (চুলের ঝুঁটি) ও পা ধরে। (সূরা আর রহমান- ৪১)
তারা মাথা নত করে থাকবে :
وَلَوْ تَرٰۤى اِذِ الْمُجْرِمُوْنَ نَاكِسُوْا رُءُوْسِهِمْ عِنْدَ رَبِّهِمْؕ رَبَّنَاۤ اَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَارْجِعْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا اِنَّا مُوْقِنُوْنَ
আর যদি আপনি দেখতেন, যখন পাপীরা তাদের প্রতিপালকের সামনে স্বীয় মাথা নীচু করে বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা দেখলাম ও শ্রবণ করলাম, এখন আপনি আমাদেরকে পুনরায় (পৃথিবীতে) প্রেরণ করুন; আমরা নেক কাজ করব। এখন আমরা দৃঢ় বিশ্বাসী হয়েছি। (সূরা সাজদা- ১২)
তারা শিকলে বাঁধা থাকবে :
وَتَرَى الْمُجْرِمِيْنَ يَوْمَئِذٍ مُّقَرَّنِيْنَ فِى الْاَصْفَادِ
সেদিন তুমি অপরাধীদেরকে দেখবে শৃঙ্খলিত অবস্থায়। (সূরা ইবরাহীম- ৪৯)
পাপীরা আমলনামা দেখে ভয় পাবে :
وَوُضِعَ الْكِتَابُ فَتَرَى الْمُجْرِمِيْنَ مُشْفِقِيْنَ مِمَّا فِيْهِ وَيَقُوْلُوْنَ يَا وَيْلَتَنَا مَالِ هٰذَا الْكِتَابِ لَا يُغَادِرُ صَغِيْرَةً وَّلَا كَبِيْرَةً اِلَّاۤ اَحْصَاهَاۚ وَوَجَدُوْا مَا عَمِلُوْا حَاضِرًاؕ وَلَا يَظْلِمُ رَبُّكَ اَحَدًا
অতঃপর কিতাব (আমলনামা) উপস্থিত করা হবে। তখন তুমি তাতে যা লিপিবদ্ধ আছে তার কারণে অপরাধীদেরকে ভীত অবস্থায় দেখতে পাবে। এমতাবস্থায় তারা বলতে থাকবে, হায় দুর্ভাগ্য আমাদের, এটা কেমন গ্রন্থ! এতে তো ছোট বড় কোনকিছুই বাদ দেয়া হয়নি; বরং সবকিছুই রেখে দেয়া হয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্ম সম্মুখে উপস্থিত পাবে; আর তোমার প্রতিপালক কারো প্রতি যুলুম করবেন না। (সূরা কাহফ- ৪৯)
সেদিন অপরাধীরা অপরাধ স্বীকার করে নেবে :
وَقَالُوْا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ اَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِۤيْ اَصْحَابِ السَّعِيْرِ – فَاعْتَرَفُوْا بِذَنْۢبِهِمْۚ فَسُحْقًا لِّاَصْحَابِ السَّعِيْرِ
তারা বলবে, যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেকবুদ্ধি দিয়ে অনুধাবন করতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসী হতাম না। অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করে নেবে। সুতরাং জাহান্নামবাসীদের জন্য অভিশাপ। (সূরা মুলক- ১০, ১১)
قَالُوْا رَبَّنَاۤ اَمَتَّنَا اثْنَتَيْنِ وَاَحْيَيْتَنَا اثْنَتَيْنِ فَاعْتَرَفْنَا بِذُنُوْبِنَا فَهَلْ اِلٰى خُرُوْجٍ مِّنْ سَبِيْلٍ
তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে দু’বার মৃত্যু দিয়েছেন এবং দু’বার জীবন দান করেছেন। আমরা আমাদের অপরাধ স্বীকার করছি। (সুতরাং এখন নিস্কৃতির জন্য) বহির্গমণের কোন পথ মিলবে কি? (সূরা মু’মিন- ১১)
তাদের থেকে বিনিময় গ্রহণ করা হবে না :
يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِيْ مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ ۢبِبَنِيْهِ – وَصَاحِبَتِهٖ وَاَخِيْهِ – وَفَصِيْلَتِهِ الَّتِيْ تُؤْوِيْهِ – وَمَنْ فِى الْاَرْضِ جَمِيْعًا ثُمَّ يُنْجِيْهِ – كَلَّاۤ اِنَّهَا لَظٰى
অপরাধী সেদিনের আযাবের বিনিময়ে তার সন্তান-সন্ততি, স্ত্রী, ভাই, গোষ্ঠী- যারা তাকে আশ্রয় দিত এবং পৃথিবীর সকলকে দিতে চাইবে, তবুও সে যেন (এগুলোর বিনিময়ে) মুক্তি পেতে পারে। কখনো নয় (সে মুক্তি পাবে না), এটা লেলিহান অগ্নিশিখা। (সূরা মা‘আরিজ, ১১-১৫)
তাদেরকে জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নেয়া হবে :
وَنَسُوْقُ الْمُجْرِمِيْنَ اِلٰى جَهَنَّمَ وِرْدًا
আর আমি অপরাধীদেরকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাব। (সূরা মারইয়াম- ৮৬)
بَلٰى مَنْ كَسَبَ سَيِّئَةً وَّاَحَاطَتْ بِهٖ خَطِيْٓئَتُهٗ فَاُولٰٓئِكَ اَصْحَابُ النَّارِۚ هُمْ فِيْهَا خَالِدُوْنَ
হ্যাঁ, যে ব্যক্তি পাপ অর্জন করেছে এবং স্বীয় পাপের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়েছে, বস্তুত তারাই জাহান্নামের অধিবাসী; সেখানে তারা চিরকাল অবস্থান করবে। (সূরা বাক্বারা- ৮১)
পাপীরা নিজেদের পিঠে পাপের বোঝা বহন করবে :
وَهُمْ يَحْمِلُوْنَ اَوْزَارَهُمْ عَلٰى ظُهُوْرِهِمْؕ اَ لَا سَآءَ مَا يَزِرُوْنَ
তারা তাদের পিঠে নিজেদের পাপ বহন করবে। সাবধান, তারা যা বহন করবে তা খুবই নিকৃষ্ট! (সূরা আন‘আম- ৩১)
পাপের প্রবর্তকরা পরবর্তীদের পাপের বোঝাও বহন করবে :
لِيَحْمِلُوْاۤ اَوْزَارَهُمْ كَامِلَةً يَّوْمَ الْقِيَامَةِ وَمِنْ اَوْزَارِ الَّذِيْنَ يُضِلُّوْنَهُمْ بِغَيْرِ عِلْمٍؕ اَ لَا سَآءَ مَا يَزِرُوْنَ
ফলে কিয়ামত দিবসে তারা তাদের পাপভার পূর্ণমাত্রায় বহন করবে এবং তাদেরও পাপভার (বহন করবে) যাদেরকে তারা অজ্ঞতাবশত বিভ্রামত্ম করেছে। সাবধান! তারা যা বহন করবে তা খুবই নিকৃষ্ট! (সূরা নাহল- ২৫)
কিয়ামতের দিন তাদের চোখ আলোহীন হয়ে যাবে :
يَوْمَ يُنْفَخُ فِى الصُّوْرِ وَنَحْشُرُ الْمُجْرِمِيْنَ يَوْمَئِذٍ زُرْقًا
যেদিন শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়া হবে এবং যেদিন আমি অপরাধীদেরকে দৃষ্টিহীন অবস্থায় সমবেত করব। (সূরা ত্বা-হা- ১০২)
ব্যাখ্যা : চোখ সাদাটে ও নীলচে ভাব ধারণ করবে। কারণ আতঙ্কে তাদের রক্ত শুকিয়ে যাবে। তাদের অবস্থা এমন হবে যে, যেন তাদের শরীরে এক বিন্দু রক্তও নেই। যখন কারো চোখ আলোহীন হয়ে পড়ে তখন তার চোখের মনি সাদা হয়ে যায়।
কিয়ামতের দিন পাপীদের জন্য কোন সুসংবাদ থাকবে না :
يَوْمَ يَرَوْنَ الْمَلَآئِكَةَ لَا بُشْرٰى يَوْمَئِذٍ لِّلْمُجْرِمِيْنَ وَيَقُوْلُوْنَ حِجْرًا مَّحْجُوْرًا
যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন অপরাধীদের জন্য কোন সুসংবাদ থাকবে না। তখন তারা বলবে, ‘রক্ষা করো, রক্ষা করো।’ (সূরা ফুরক্বান- ২২)
সেদিন পাপীরা হতাশ হয়ে পড়বে :
وَيَوْمَ تَقُوْمُ السَّاعَةُ يُبْلِسُ الْمُجْرِمُوْنَ
আর যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, সেদিন পাপীরা হতাশ হয়ে পড়বে। (সূরা রূম- ১২)
তাদেরকে পাপের চিহ্ন দ্বারা চেনা যাবে :
يُعْرَفُ الْمُجْرِمُوْنَ بِسِيْمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِيْ وَالْاَقْدَامِ
অপরাধীদেরকে তাদের চেহারার আলামত দ্বারা চেনা যাবে। অতঃপর তাদেরকে পাকড়াও করা হবে কপাল (চুলের ঝুঁটি) ও পা ধরে। (সূরা আর রহমান- ৪১)
তারা মাথা নত করে থাকবে :
وَلَوْ تَرٰۤى اِذِ الْمُجْرِمُوْنَ نَاكِسُوْا رُءُوْسِهِمْ عِنْدَ رَبِّهِمْؕ رَبَّنَاۤ اَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَارْجِعْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا اِنَّا مُوْقِنُوْنَ
আর যদি আপনি দেখতেন, যখন পাপীরা তাদের প্রতিপালকের সামনে স্বীয় মাথা নীচু করে বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা দেখলাম ও শ্রবণ করলাম, এখন আপনি আমাদেরকে পুনরায় (পৃথিবীতে) প্রেরণ করুন; আমরা নেক কাজ করব। এখন আমরা দৃঢ় বিশ্বাসী হয়েছি। (সূরা সাজদা- ১২)
তারা শিকলে বাঁধা থাকবে :
وَتَرَى الْمُجْرِمِيْنَ يَوْمَئِذٍ مُّقَرَّنِيْنَ فِى الْاَصْفَادِ
সেদিন তুমি অপরাধীদেরকে দেখবে শৃঙ্খলিত অবস্থায়। (সূরা ইবরাহীম- ৪৯)
পাপীরা আমলনামা দেখে ভয় পাবে :
وَوُضِعَ الْكِتَابُ فَتَرَى الْمُجْرِمِيْنَ مُشْفِقِيْنَ مِمَّا فِيْهِ وَيَقُوْلُوْنَ يَا وَيْلَتَنَا مَالِ هٰذَا الْكِتَابِ لَا يُغَادِرُ صَغِيْرَةً وَّلَا كَبِيْرَةً اِلَّاۤ اَحْصَاهَاۚ وَوَجَدُوْا مَا عَمِلُوْا حَاضِرًاؕ وَلَا يَظْلِمُ رَبُّكَ اَحَدًا
অতঃপর কিতাব (আমলনামা) উপস্থিত করা হবে। তখন তুমি তাতে যা লিপিবদ্ধ আছে তার কারণে অপরাধীদেরকে ভীত অবস্থায় দেখতে পাবে। এমতাবস্থায় তারা বলতে থাকবে, হায় দুর্ভাগ্য আমাদের, এটা কেমন গ্রন্থ! এতে তো ছোট বড় কোনকিছুই বাদ দেয়া হয়নি; বরং সবকিছুই রেখে দেয়া হয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্ম সম্মুখে উপস্থিত পাবে; আর তোমার প্রতিপালক কারো প্রতি যুলুম করবেন না। (সূরা কাহফ- ৪৯)
সেদিন অপরাধীরা অপরাধ স্বীকার করে নেবে :
وَقَالُوْا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ اَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِۤيْ اَصْحَابِ السَّعِيْرِ – فَاعْتَرَفُوْا بِذَنْۢبِهِمْۚ فَسُحْقًا لِّاَصْحَابِ السَّعِيْرِ
তারা বলবে, যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেকবুদ্ধি দিয়ে অনুধাবন করতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসী হতাম না। অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করে নেবে। সুতরাং জাহান্নামবাসীদের জন্য অভিশাপ। (সূরা মুলক- ১০, ১১)
قَالُوْا رَبَّنَاۤ اَمَتَّنَا اثْنَتَيْنِ وَاَحْيَيْتَنَا اثْنَتَيْنِ فَاعْتَرَفْنَا بِذُنُوْبِنَا فَهَلْ اِلٰى خُرُوْجٍ مِّنْ سَبِيْلٍ
তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে দু’বার মৃত্যু দিয়েছেন এবং দু’বার জীবন দান করেছেন। আমরা আমাদের অপরাধ স্বীকার করছি। (সুতরাং এখন নিস্কৃতির জন্য) বহির্গমণের কোন পথ মিলবে কি? (সূরা মু’মিন- ১১)
তাদের থেকে বিনিময় গ্রহণ করা হবে না :
يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِيْ مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ ۢبِبَنِيْهِ – وَصَاحِبَتِهٖ وَاَخِيْهِ – وَفَصِيْلَتِهِ الَّتِيْ تُؤْوِيْهِ – وَمَنْ فِى الْاَرْضِ جَمِيْعًا ثُمَّ يُنْجِيْهِ – كَلَّاۤ اِنَّهَا لَظٰى
অপরাধী সেদিনের আযাবের বিনিময়ে তার সন্তান-সন্ততি, স্ত্রী, ভাই, গোষ্ঠী- যারা তাকে আশ্রয় দিত এবং পৃথিবীর সকলকে দিতে চাইবে, তবুও সে যেন (এগুলোর বিনিময়ে) মুক্তি পেতে পারে। কখনো নয় (সে মুক্তি পাবে না), এটা লেলিহান অগ্নিশিখা। (সূরা মা‘আরিজ, ১১-১৫)
তাদেরকে জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নেয়া হবে :
وَنَسُوْقُ الْمُجْرِمِيْنَ اِلٰى جَهَنَّمَ وِرْدًا
আর আমি অপরাধীদেরকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাব। (সূরা মারইয়াম- ৮৬)