১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৬০
অধ্যায়- ৫ : ঈমান না আনায় জাতির লোকেরা ধ্বংস হলো
জাতির লোকেরা রাসূলকে অস্বীকার করল :
كَذَّبَتْ عَادُنِ الْمُرْسَلِيْنَ
আদ সম্প্রদায় রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল। (সূরা শু‘আরা– ১২৩)
এজন্য তাদের উপর অভিশাপ আসল :
وَاُتْبِعُوْا فِيْ هٰذِهِ الدُّنْيَا لَعْنَةً وَّيَوْمَ الْقِيَامَةِ
এ দুনিয়ায় তাদেরকে অভিশপ্ত করা হয়েছিল। আর তারা কিয়ামতের দিনও অভিশপ্ত হবে। (সূরা হুদু ৬০)
আল্লাহ বাতাস পাঠালেন :
اِنَّاۤ اَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيْحًا صَرْصَرًا فِيْ يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম ক্রমাগত প্রবাহমান প্রচন্ডগতিসম্পন্ন বায়ু, (যা অবতীর্ণ হয়েছিল) দূর্ভোগের দিন। (সূরা ক্বামার– ১৯)
وَفِيْ عَادٍ اِذْ اَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الرِّيْحَ الْعَقِيْمَ
(নিদর্শন রয়েছে) আদ জাতির ঘটনায়, যখন আমি তাদের বিরুদ্ধে অকল্যাণকর বাতাস প্রেরণ করেছিলাম। (সূরা যারিয়াত – ৪১)
এ বাতাসকে লোকেরা মেঘ মনে করেছিল :
فَلَمَّا رَاَوْهُ عَارِضًا مُّسْتَقْبِلَ اَوْدِيَتِهِمْ قَالُوْا هٰذَا عَارِضٌ مُّمْطِرُنَاؕ بَلْ هُوَ مَا اسْتَعْجَلْتُمْ بِهٖؕ رِيْحٌ فِيْهَا عَذَابٌ اَلِيْمٌ
তারপর যখন তারা আযাবকে তাদের এলাকার দিকে আসতে দেখল, তখন তারা বলতে লাগল, এটা তো মেঘ যা আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করবে। না, তা নয় বরং এটা ঐ জিনিস যার জন্য তোমরা তাড়াহুড়া করছিলে। এটা এমন বাতাস, যার ভেতর রয়েছে কষ্টদায়ক আযাব। (সূরা আহকাফু ২৪)
এ বাতাস এক সপ্তাহ স্থায়ী ছিল :
سَخَّرَهَا عَلَيْهِمْ سَبْعَ لَيَالٍ وَّثَمَانِيَةَ اَيَّامٍ حُسُوْمًا
যা তিনি তাদের উপর প্রবাহিত করেছিলেন বিরামহীনভাবে সাত রাত ও আট দিন। (সূরা হাক্কাহ– ৭)
বাতাস সবকিছুকে নিশ্চিহ্ন করে দিল :
تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ ۢبِاَمْرِ رَبِّهَا فَاَصْبَحُوْا لَا يُرٰۤى اِلَّا مَسَاكِنُهُمْؕ كَذٰلِكَ نَجْزِى الْقَوْمَ الْمُجْرِمِيْنَ
তার রবের হুকুমে সে প্রত্যেক জিনিসকে ধ্বংস করে দেবে। শেষ পর্যন্ত তাদের এ অবস্থা হলো যে, তাদের থাকার জায়গাটুকু ছাড়া আর কিছুই দেখা যায়নি। এভাবেই আমি অপরাধীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। (সূরা আহকাফু ২৫)
প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় তাদেরকে ধ্বংস করল :
وَاَمَّا عَادٌ فَاُهْلِكُوْا بِرِيْحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ
আর আদ সম্প্রদায়, তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় দ্বারা। (সূরা হাক্কাহ– ৬)
তাদের অস্তিত্ব বাকী থাকল না :
فَهَلْ تَرٰى لَهُمْ مِّنْ ۢبَاقِيَةٍ
তুমি কি তাদের কাউকে অবশিষ্ট পাচ্ছ? (সূরা হাক্কাহ– ৮)
তারা আবর্জনার মতো জমিনে পড়ে থাকল :
فَتَرَى الْقَوْمَ فِيْهَا صَرْعٰى كَاَنَّهُمْ اَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِيَةٍ
তুমি (উপস্থিত থাকলে) সেই সম্প্রদায়কে দেখতে যে, তারা খেজুর কান্ডের ন্যায় সেখানে পড়ে আছে। (সূরা হাক্কাহ– ৭)
تَنْزِعُ النَّاسَ كَاَنَّهُمْ اَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنْقَعِرٍ
তা মানুষকে উৎখাত করেছিল উৎপাটিত খেজুরকান্ডের ন্যায়। (সূরা ক্বামার– ২০)
অপরাধীদের পরিণতি এমনই হয় :
كَذٰلِكَ نَجْزِى الْقَوْمَ الْمُجْرِمِيْنَ
এভাবেই আমি অপরাধীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। (সূরা আহকাফু ২৫)
তারা যা অর্জন করেছিল তাতে কোন লাভ হয়নি :
وَلَقَدْ مَكَّنَّاهُمْ فِيْمَاۤ اِنْ مَّكَّنَّاكُمْ فِيْهِ وَجَعَلْنَا لَهُمْ سَمْعًا وَّاَبْصَارًا وَّاَفْئِدَةً فَمَاۤ اَغْنٰى عَنْهُمْ سَمْعُهُمْ وَلَاۤ اَبْصَارُهُمْ وَلَاۤ اَفْئِدَتُهُمْ مِّنْ شَيْءٍ اِذْ كَانُوْا يَجْحَدُوْنَ بِاٰيَاتِ اللهِ وَحَاقَ بِهِمْ مَّا كَانُوْا بِهٖ يَسْتَهْزِئُوْنَ
আমি তাদেরকে এমন সবকিছু দান করেছিলাম, যা তোমাদেরকে দান করিনি। আমি তাদেরকে কান, চোখ ও হৃদয় দিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের শোনার, দেখার ও বুঝার (এ শক্তিগুলো) কোন কাজে আসল না। কারণ তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছিল। তারা যা নিয়ে ঠাট্টা–বিদ্রূপ করত, তাই তাদেরকে ঘিরে ফেলল। (সূরা আহকাফু ২৬)
এটা ছিল দুনিয়ার আযাব :
فَاَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيْحًا صَرْصَرًا فِۤيْ اَيَّامٍ نَّحِسَاتٍ لِّنُذِيْقَهُمْ عَذَابَ الْخِزْيِ فِى الْحَيَاةِ الدُّنْيَا
অতঃপর আমি তাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করানোর জন্য তাদের বিরুদ্ধে এক অশুভ দিনে প্রেরণ করেছিলাম এক প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড়। (সূরা হা–মীম সিজদা– ১৬)
পরকালের আযাব আরো লাঞ্ছনাদায়ক :
وَلَعَذَابُ الْاٰخِرَةِ اَخْزٰى وَهُمْ لَا يُنْصَرُوْنَ
আর পরকালের শাস্তি তো অধিকতর লাঞ্ছনাদায়ক এবং তাদেরকে কোন সাহায্যও করা হবে না।
(সূরা হা–মীম সিজদা– ১৬)
আল্লাহ নবী ও ঈমানদারদেরকে বাঁচালেন :
وَلَمَّا جَآءَ اَمْرُنَا نَجَّيْنَا هُوْدًا وَّالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مَعَهٗ بِرَحْمَةٍ مِّنَّاۚ وَنَجَّيْنَاهُمْ مِّنْ عَذَابٍ غَلِيْظٍ
যখন আমার নির্দেশ এসে গেল, তখন আমি হুদ ও তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার অনুগ্রহে রক্ষা করলাম এবং তাদেরকে কঠিন শাস্তি হতে রক্ষা করলাম। (সূরা হুদু ৫৮)
فَاَنْجَيْنَاهُ وَالَّذِيْنَ مَعَهٗ بِرَحْمَةٍ مِّنَّا وَقَطَعْنَا دَابِرَ الَّذِيْنَ كَذَّبُوْا بِاٰيَاتِنَا وَمَا كَانُوْا مُؤْمِنِيْنَ
অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর সঙ্গীদেরকে আমার অনুগ্রহে উদ্ধার করেছিলাম। আর যারা আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করেছিল এবং যারা মুমিন ছিল না, তাদেরকে নির্মূল করেছিলাম। (সূরা আ‘রাফু ৭২)
এ আযাব ছিল খুবই কঠিন ও ভয়াবহ :
كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِيْ وَنُذُرِ
আদ সম্প্রদায় মিথ্যা মনে করেছিল, ফলে কতই না কঠোর হয়েছিল আমার আযাব ও সতর্কবাণী! (সূরা ক্বামার– ১৮)
اَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ ‐ اِرَمَ ذَاتِ الْعِمَادِ ‐ اَلَّتِيْ لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِى الْبِلَادِ
আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কী আচরণ করেছিলেন। যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং যাদের সমান (শক্তি ও বলবীর্যে) সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃষ্টি করা হয়নি। (সূরা ফাজর, ৬–৮)
এ ঘটনায় নিদর্শন রয়েছে :
فَكَذَّبُوْهُ فَاَهْلَكْنَاهُمْؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَةًؕ وَمَا كَانَ اَكْثَرُهُمْ مُّؤْمِنِيْنَ
অতঃপর তারা তাকে প্রত্যাখ্যান করল, ফলে আমি তাদেরকে ধ্বংস করলাম। নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই এর প্রতি বিশ্বাসী নয়। (সূরা শু‘আরা– ১৩৯)
كَذَّبَتْ عَادُنِ الْمُرْسَلِيْنَ
আদ সম্প্রদায় রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল। (সূরা শু‘আরা– ১২৩)
এজন্য তাদের উপর অভিশাপ আসল :
وَاُتْبِعُوْا فِيْ هٰذِهِ الدُّنْيَا لَعْنَةً وَّيَوْمَ الْقِيَامَةِ
এ দুনিয়ায় তাদেরকে অভিশপ্ত করা হয়েছিল। আর তারা কিয়ামতের দিনও অভিশপ্ত হবে। (সূরা হুদু ৬০)
আল্লাহ বাতাস পাঠালেন :
اِنَّاۤ اَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيْحًا صَرْصَرًا فِيْ يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম ক্রমাগত প্রবাহমান প্রচন্ডগতিসম্পন্ন বায়ু, (যা অবতীর্ণ হয়েছিল) দূর্ভোগের দিন। (সূরা ক্বামার– ১৯)
وَفِيْ عَادٍ اِذْ اَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الرِّيْحَ الْعَقِيْمَ
(নিদর্শন রয়েছে) আদ জাতির ঘটনায়, যখন আমি তাদের বিরুদ্ধে অকল্যাণকর বাতাস প্রেরণ করেছিলাম। (সূরা যারিয়াত – ৪১)
এ বাতাসকে লোকেরা মেঘ মনে করেছিল :
فَلَمَّا رَاَوْهُ عَارِضًا مُّسْتَقْبِلَ اَوْدِيَتِهِمْ قَالُوْا هٰذَا عَارِضٌ مُّمْطِرُنَاؕ بَلْ هُوَ مَا اسْتَعْجَلْتُمْ بِهٖؕ رِيْحٌ فِيْهَا عَذَابٌ اَلِيْمٌ
তারপর যখন তারা আযাবকে তাদের এলাকার দিকে আসতে দেখল, তখন তারা বলতে লাগল, এটা তো মেঘ যা আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করবে। না, তা নয় বরং এটা ঐ জিনিস যার জন্য তোমরা তাড়াহুড়া করছিলে। এটা এমন বাতাস, যার ভেতর রয়েছে কষ্টদায়ক আযাব। (সূরা আহকাফু ২৪)
এ বাতাস এক সপ্তাহ স্থায়ী ছিল :
سَخَّرَهَا عَلَيْهِمْ سَبْعَ لَيَالٍ وَّثَمَانِيَةَ اَيَّامٍ حُسُوْمًا
যা তিনি তাদের উপর প্রবাহিত করেছিলেন বিরামহীনভাবে সাত রাত ও আট দিন। (সূরা হাক্কাহ– ৭)
বাতাস সবকিছুকে নিশ্চিহ্ন করে দিল :
تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ ۢبِاَمْرِ رَبِّهَا فَاَصْبَحُوْا لَا يُرٰۤى اِلَّا مَسَاكِنُهُمْؕ كَذٰلِكَ نَجْزِى الْقَوْمَ الْمُجْرِمِيْنَ
তার রবের হুকুমে সে প্রত্যেক জিনিসকে ধ্বংস করে দেবে। শেষ পর্যন্ত তাদের এ অবস্থা হলো যে, তাদের থাকার জায়গাটুকু ছাড়া আর কিছুই দেখা যায়নি। এভাবেই আমি অপরাধীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। (সূরা আহকাফু ২৫)
প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় তাদেরকে ধ্বংস করল :
وَاَمَّا عَادٌ فَاُهْلِكُوْا بِرِيْحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ
আর আদ সম্প্রদায়, তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় দ্বারা। (সূরা হাক্কাহ– ৬)
তাদের অস্তিত্ব বাকী থাকল না :
فَهَلْ تَرٰى لَهُمْ مِّنْ ۢبَاقِيَةٍ
তুমি কি তাদের কাউকে অবশিষ্ট পাচ্ছ? (সূরা হাক্কাহ– ৮)
তারা আবর্জনার মতো জমিনে পড়ে থাকল :
فَتَرَى الْقَوْمَ فِيْهَا صَرْعٰى كَاَنَّهُمْ اَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِيَةٍ
তুমি (উপস্থিত থাকলে) সেই সম্প্রদায়কে দেখতে যে, তারা খেজুর কান্ডের ন্যায় সেখানে পড়ে আছে। (সূরা হাক্কাহ– ৭)
تَنْزِعُ النَّاسَ كَاَنَّهُمْ اَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنْقَعِرٍ
তা মানুষকে উৎখাত করেছিল উৎপাটিত খেজুরকান্ডের ন্যায়। (সূরা ক্বামার– ২০)
অপরাধীদের পরিণতি এমনই হয় :
كَذٰلِكَ نَجْزِى الْقَوْمَ الْمُجْرِمِيْنَ
এভাবেই আমি অপরাধীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। (সূরা আহকাফু ২৫)
তারা যা অর্জন করেছিল তাতে কোন লাভ হয়নি :
وَلَقَدْ مَكَّنَّاهُمْ فِيْمَاۤ اِنْ مَّكَّنَّاكُمْ فِيْهِ وَجَعَلْنَا لَهُمْ سَمْعًا وَّاَبْصَارًا وَّاَفْئِدَةً فَمَاۤ اَغْنٰى عَنْهُمْ سَمْعُهُمْ وَلَاۤ اَبْصَارُهُمْ وَلَاۤ اَفْئِدَتُهُمْ مِّنْ شَيْءٍ اِذْ كَانُوْا يَجْحَدُوْنَ بِاٰيَاتِ اللهِ وَحَاقَ بِهِمْ مَّا كَانُوْا بِهٖ يَسْتَهْزِئُوْنَ
আমি তাদেরকে এমন সবকিছু দান করেছিলাম, যা তোমাদেরকে দান করিনি। আমি তাদেরকে কান, চোখ ও হৃদয় দিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের শোনার, দেখার ও বুঝার (এ শক্তিগুলো) কোন কাজে আসল না। কারণ তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছিল। তারা যা নিয়ে ঠাট্টা–বিদ্রূপ করত, তাই তাদেরকে ঘিরে ফেলল। (সূরা আহকাফু ২৬)
এটা ছিল দুনিয়ার আযাব :
فَاَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيْحًا صَرْصَرًا فِۤيْ اَيَّامٍ نَّحِسَاتٍ لِّنُذِيْقَهُمْ عَذَابَ الْخِزْيِ فِى الْحَيَاةِ الدُّنْيَا
অতঃপর আমি তাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করানোর জন্য তাদের বিরুদ্ধে এক অশুভ দিনে প্রেরণ করেছিলাম এক প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড়। (সূরা হা–মীম সিজদা– ১৬)
পরকালের আযাব আরো লাঞ্ছনাদায়ক :
وَلَعَذَابُ الْاٰخِرَةِ اَخْزٰى وَهُمْ لَا يُنْصَرُوْنَ
আর পরকালের শাস্তি তো অধিকতর লাঞ্ছনাদায়ক এবং তাদেরকে কোন সাহায্যও করা হবে না।
(সূরা হা–মীম সিজদা– ১৬)
আল্লাহ নবী ও ঈমানদারদেরকে বাঁচালেন :
وَلَمَّا جَآءَ اَمْرُنَا نَجَّيْنَا هُوْدًا وَّالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مَعَهٗ بِرَحْمَةٍ مِّنَّاۚ وَنَجَّيْنَاهُمْ مِّنْ عَذَابٍ غَلِيْظٍ
যখন আমার নির্দেশ এসে গেল, তখন আমি হুদ ও তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার অনুগ্রহে রক্ষা করলাম এবং তাদেরকে কঠিন শাস্তি হতে রক্ষা করলাম। (সূরা হুদু ৫৮)
فَاَنْجَيْنَاهُ وَالَّذِيْنَ مَعَهٗ بِرَحْمَةٍ مِّنَّا وَقَطَعْنَا دَابِرَ الَّذِيْنَ كَذَّبُوْا بِاٰيَاتِنَا وَمَا كَانُوْا مُؤْمِنِيْنَ
অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর সঙ্গীদেরকে আমার অনুগ্রহে উদ্ধার করেছিলাম। আর যারা আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করেছিল এবং যারা মুমিন ছিল না, তাদেরকে নির্মূল করেছিলাম। (সূরা আ‘রাফু ৭২)
এ আযাব ছিল খুবই কঠিন ও ভয়াবহ :
كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِيْ وَنُذُرِ
আদ সম্প্রদায় মিথ্যা মনে করেছিল, ফলে কতই না কঠোর হয়েছিল আমার আযাব ও সতর্কবাণী! (সূরা ক্বামার– ১৮)
اَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ ‐ اِرَمَ ذَاتِ الْعِمَادِ ‐ اَلَّتِيْ لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِى الْبِلَادِ
আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কী আচরণ করেছিলেন। যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং যাদের সমান (শক্তি ও বলবীর্যে) সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃষ্টি করা হয়নি। (সূরা ফাজর, ৬–৮)
এ ঘটনায় নিদর্শন রয়েছে :
فَكَذَّبُوْهُ فَاَهْلَكْنَاهُمْؕ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَةًؕ وَمَا كَانَ اَكْثَرُهُمْ مُّؤْمِنِيْنَ
অতঃপর তারা তাকে প্রত্যাখ্যান করল, ফলে আমি তাদেরকে ধ্বংস করলাম। নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই এর প্রতি বিশ্বাসী নয়। (সূরা শু‘আরা– ১৩৯)