১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪৫
অধ্যায়- ৬ : আল্লাহ যাদেরকে ক্ষমা করেন
যারা মূর্খতাবশত পাপ করার পর তাওবা করে :
مَنْ عَمِلَ مِنْكُمْ سُوْٓءًا ۢبِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابَ مِنْ ۢبَعْدِهٖ وَاَصْلَحَ فَاَنَّهٗ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অজ্ঞতাবশত মন্দকাজ করে, অতঃপর তাওবা করে এবং সংশোধন করে নেয়, তবে তো আল্লাহ (তার প্রতি) ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা আন‘আম- ৫৪)
وَمَنْ يَّعْمَلْ سُوْٓءًا اَوْ يَظْلِمْ نَفْسَهٗ ثُمَّ يَسْتَغْفِرِ اللهَ يَجِدِ اللهَ غَفُوْرًا رَّحِيْمًا
আর যে ব্যক্তি মন্দকাজ করে অথবা নিজের প্রতি যুলুম করে, অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু হিসেবেই পাবে। (সূরা নিসা- ১১০)
যারা পাপ থেকে বিরত হয়ে যায় :
فَاِنِ انْتَهَوْا فَاِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
যদি তারা বিরত হয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। (সূরা বাক্বারা- ১৯২)
যারা নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয় :
اِلَّا الَّذِيْنَ تَابُوْا مِنْ ۢبَعْدِ ذٰلِكَ وَاَصْلَحُوْاۗ فَاِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
তবে যারা পাপ করার পর তাওবা করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, নিশ্চয় আল্লাহ (তাদের ক্ষেত্রে) ক্ষমাশীল ও দয়াময়। (সূরা আলে ইমরান- ৮৯)
اِلَّا مَنْ ظَلَمَ ثُمَّ بَدَّلَ حُسْنًا ۢبَعْدَ سُوْٓءٍ فَاِنِّيْ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
তবে যারা যুলুম করার পর মন্দকর্মের পরিবর্তে সৎকর্ম করে, নিশ্চয় আমি তাদের প্রতি অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা নামল- ১১)
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে :
وَاِنِّيْ لَغَفَّارٌ لِّمَنْ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا ثُمَّ اهْتَدٰى
অবশ্যই আমি তার প্রতি ক্ষমাশীল, যে তাওবা করে, ঈমান আনে, সৎকর্ম করে ও সৎপথে অবিচল থাকে। (সূরা ত্বা-হা- ৮২)
فَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ مَّغْفِرَةٌ وَّرِزْقٌ كَرِيْمٌ
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা। (সূরা হজ্জ- ৫০)
যারা না দেখে আল্লাহকে ভয় করে :
اِنَّمَا تُنْذِرُ مَنِ اتَّبَعَ الذِّكْرَ وَخَشِيَ الرَّحْمٰنَ بِالْغَيْبِۚ فَبَشِّرْهُ بِمَغْفِرَةٍ وَّاَجْرٍ كَرِيْمٍ
আপনি কেবল তাকেই সতর্ক করতে পারেন, যে উপদেশ মেনে চলে এবং দয়াময় আল্লাহকে না দেখে ভয় করে। অতএব আপনি (এমন ব্যক্তিকে) ক্ষমা ও উত্তম পুরস্কারের সুসংবাদ দিন। (সূরা ইয়াসীন- ১১)
যারা তাক্বওয়া অর্জন করে :
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اِنْ تَتَّقُوا اللهَ يَجْعَلْ لَّكُمْ فُرْقَانًا وَّيُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْؕ وَاللهُ ذُوالْفَضْلِ الْعَظِيْمِ
হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে আল্লাহ তোমাদেরকে ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করার শক্তি দেবেন, তোমাদের গোনাহসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতিশয় মঙ্গলময়। (সূরা আনফাল- ২৯)
যারা জান-মাল দিয়ে জিহাদ করে :
فَالَّذِيْنَ هَاجَرُوْا وَاُخْرِجُوْا مِنْ دِيَارِهِمْ وَاُوْذُوْا فِيْ سَبِيْلِيْ وَقَاتَلُوْا وَقُتِلُوْا لَاُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَاُدْخِلَنَّهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِهَا الْاَنْهَارُ
যারা হিজরত করেছে, নিজেদের ঘরবাড়ি হতে বিতাড়িত হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে এবং সংগ্রাম করেছে ও নিহত হয়েছে, নিশ্চয় আমি তাদের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেব এবং তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাব, যার নিচ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হয়ে গেছে। (সূরা আলে ইমরান- ১৯৫)
যারা আল্লাহর পথে দান করে :
اِنْ تُقْرِضُوا اللهَ قَرْضًا حَسَنًا يُّضَاعِفْهُ لَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْؕ وَاللهُ شَكُوْرٌ حَلِيْمٌ
যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান কর, তবে তিনি তোমাদের জন্য তা বহু গুণে বৃদ্ধি করে দেবেন এবং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ গুণগ্রাহী ও সহনশীল। (সূরা তাগাবুন- ১৭)
যারা নবীর অনুসরণ করে :
قُلْ اِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِيْ يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ ؕ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
বলো, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস তবে আমার অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহও তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গোনাহসমূহ ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা আলে ইমরান- ৩১)
যারা সত্য ও সঠিক কথা বলে :
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَقُوْلُوْا قَوْلًا سَدِيْدًا- يُّصْلِحْ لَكُمْ اَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। আল্লাহ তোমাদের আমলগুলোকে সংশোধন করবেন এবং তোমাদের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। (সূরা আহযাব- ৭০)
যারা মানুষের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দেয় :
وَلْيَعْفُوْا وَلْيَصْفَحُوْاۤ اَ لَا تُحِبُّوْنَ اَنْ يَّغْفِرَ اللهُ لَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
সুতরাং তারা যেন মানুষকে ক্ষমা করে এবং তাদের দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি চাও না যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করুন? আর আল্লাহ তো অতিশয় ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা নূর- ২২)
যারা কবীরা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে :
اِنْ تَجْتَنِبُوْا كَبَآئِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُمْ مُّدْخَلًا كَرِيْمًا
তোমাদেরকে যে সকল কবীরা গোনাহ হতে নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা তা থেকে বিরত থাক, তবে আমি তোমাদের (অতীতের) গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেব এবং তোমাদেরকে সম্মানজনক স্থানে প্রবেশ করাব। (সূরা নিসা- ৩১)
مَنْ عَمِلَ مِنْكُمْ سُوْٓءًا ۢبِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابَ مِنْ ۢبَعْدِهٖ وَاَصْلَحَ فَاَنَّهٗ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অজ্ঞতাবশত মন্দকাজ করে, অতঃপর তাওবা করে এবং সংশোধন করে নেয়, তবে তো আল্লাহ (তার প্রতি) ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা আন‘আম- ৫৪)
وَمَنْ يَّعْمَلْ سُوْٓءًا اَوْ يَظْلِمْ نَفْسَهٗ ثُمَّ يَسْتَغْفِرِ اللهَ يَجِدِ اللهَ غَفُوْرًا رَّحِيْمًا
আর যে ব্যক্তি মন্দকাজ করে অথবা নিজের প্রতি যুলুম করে, অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু হিসেবেই পাবে। (সূরা নিসা- ১১০)
যারা পাপ থেকে বিরত হয়ে যায় :
فَاِنِ انْتَهَوْا فَاِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
যদি তারা বিরত হয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। (সূরা বাক্বারা- ১৯২)
যারা নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয় :
اِلَّا الَّذِيْنَ تَابُوْا مِنْ ۢبَعْدِ ذٰلِكَ وَاَصْلَحُوْاۗ فَاِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
তবে যারা পাপ করার পর তাওবা করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, নিশ্চয় আল্লাহ (তাদের ক্ষেত্রে) ক্ষমাশীল ও দয়াময়। (সূরা আলে ইমরান- ৮৯)
اِلَّا مَنْ ظَلَمَ ثُمَّ بَدَّلَ حُسْنًا ۢبَعْدَ سُوْٓءٍ فَاِنِّيْ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
তবে যারা যুলুম করার পর মন্দকর্মের পরিবর্তে সৎকর্ম করে, নিশ্চয় আমি তাদের প্রতি অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা নামল- ১১)
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে :
وَاِنِّيْ لَغَفَّارٌ لِّمَنْ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا ثُمَّ اهْتَدٰى
অবশ্যই আমি তার প্রতি ক্ষমাশীল, যে তাওবা করে, ঈমান আনে, সৎকর্ম করে ও সৎপথে অবিচল থাকে। (সূরা ত্বা-হা- ৮২)
فَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ مَّغْفِرَةٌ وَّرِزْقٌ كَرِيْمٌ
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা। (সূরা হজ্জ- ৫০)
যারা না দেখে আল্লাহকে ভয় করে :
اِنَّمَا تُنْذِرُ مَنِ اتَّبَعَ الذِّكْرَ وَخَشِيَ الرَّحْمٰنَ بِالْغَيْبِۚ فَبَشِّرْهُ بِمَغْفِرَةٍ وَّاَجْرٍ كَرِيْمٍ
আপনি কেবল তাকেই সতর্ক করতে পারেন, যে উপদেশ মেনে চলে এবং দয়াময় আল্লাহকে না দেখে ভয় করে। অতএব আপনি (এমন ব্যক্তিকে) ক্ষমা ও উত্তম পুরস্কারের সুসংবাদ দিন। (সূরা ইয়াসীন- ১১)
যারা তাক্বওয়া অর্জন করে :
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اِنْ تَتَّقُوا اللهَ يَجْعَلْ لَّكُمْ فُرْقَانًا وَّيُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْؕ وَاللهُ ذُوالْفَضْلِ الْعَظِيْمِ
হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে আল্লাহ তোমাদেরকে ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করার শক্তি দেবেন, তোমাদের গোনাহসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতিশয় মঙ্গলময়। (সূরা আনফাল- ২৯)
যারা জান-মাল দিয়ে জিহাদ করে :
فَالَّذِيْنَ هَاجَرُوْا وَاُخْرِجُوْا مِنْ دِيَارِهِمْ وَاُوْذُوْا فِيْ سَبِيْلِيْ وَقَاتَلُوْا وَقُتِلُوْا لَاُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَاُدْخِلَنَّهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِهَا الْاَنْهَارُ
যারা হিজরত করেছে, নিজেদের ঘরবাড়ি হতে বিতাড়িত হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে এবং সংগ্রাম করেছে ও নিহত হয়েছে, নিশ্চয় আমি তাদের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেব এবং তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাব, যার নিচ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হয়ে গেছে। (সূরা আলে ইমরান- ১৯৫)
যারা আল্লাহর পথে দান করে :
اِنْ تُقْرِضُوا اللهَ قَرْضًا حَسَنًا يُّضَاعِفْهُ لَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْؕ وَاللهُ شَكُوْرٌ حَلِيْمٌ
যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান কর, তবে তিনি তোমাদের জন্য তা বহু গুণে বৃদ্ধি করে দেবেন এবং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ গুণগ্রাহী ও সহনশীল। (সূরা তাগাবুন- ১৭)
যারা নবীর অনুসরণ করে :
قُلْ اِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِيْ يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ ؕ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
বলো, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস তবে আমার অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহও তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গোনাহসমূহ ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা আলে ইমরান- ৩১)
যারা সত্য ও সঠিক কথা বলে :
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَقُوْلُوْا قَوْلًا سَدِيْدًا- يُّصْلِحْ لَكُمْ اَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। আল্লাহ তোমাদের আমলগুলোকে সংশোধন করবেন এবং তোমাদের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। (সূরা আহযাব- ৭০)
যারা মানুষের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দেয় :
وَلْيَعْفُوْا وَلْيَصْفَحُوْاۤ اَ لَا تُحِبُّوْنَ اَنْ يَّغْفِرَ اللهُ لَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
সুতরাং তারা যেন মানুষকে ক্ষমা করে এবং তাদের দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি চাও না যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করুন? আর আল্লাহ তো অতিশয় ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা নূর- ২২)
যারা কবীরা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে :
اِنْ تَجْتَنِبُوْا كَبَآئِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُمْ مُّدْخَلًا كَرِيْمًا
তোমাদেরকে যে সকল কবীরা গোনাহ হতে নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা তা থেকে বিরত থাক, তবে আমি তোমাদের (অতীতের) গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেব এবং তোমাদেরকে সম্মানজনক স্থানে প্রবেশ করাব। (সূরা নিসা- ৩১)