১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩০
অধ্যায়- ২ : পাপ ও পুণ্যের ফলাফল সমান নয়
পাপী ও পুণ্যবান সমান নয় :
اَمْ نَجْعَلُ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ كَالْمُفْسِدِيْنَ فِى الْاَرْضِؗ اَمْ نَجْعَلُ الْمُتَّقِيْنَ كَالْفُجَّارِ
যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে আমি কি তাদেরকে ঐসব লোকের সমান করে দেব, যারা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়? অথবা আমি কি মুত্তাক্বীদেরকে গোনাহগারদের সমান করে দেব?
(সূরা সোয়াদ- ২৮)
اَمْ حَسِبَ الَّذِيْنَ اجْتَرَحُوا السَّيِّئَاتِ اَنْ نَّجْعَلَهُمْ كَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَوَآءً مَّحْيَاهُمْ وَمَمَاتُهُمْ سَآءَ مَا يَحْكُمُوْنَ
দুষ্কৃতিকারীরা কি মনে করে যে, আমি জীবন ও মৃত্যুর দিক দিয়ে তাদেরকে ঐসব লোকের সমান বলে গণ্য করব, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে? তাদের সিদ্ধান্ত কতই না মন্দ! (সূরা জাসিয়া- ২১)
وَمَا يَسْتَوِى الْاَعْمٰى وَالْبَصِيْرُ وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَلَا الْمُسِيْٓءُ قَلِيْلًا مَّا تَتَذَكَّرُوْنَ
অন্ধ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন উভয়ে এক সমান নয়। আর যারা ঈমান আনয়ন করে ও সৎকর্ম করে এবং যারা গোনাহগার (তারাও এক সমান নয়)। তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ করে থাক। (সূরা মু’মিন- ৫৮)
ব্যাখ্যা : অর্থাৎ সৎ ও অসৎ উভয়ে সমান হয়ে যাবে না। সৎলোক তার সততার পুরস্কার পাবে এবং অসৎলোক তার অসৎকাজের শাস্তি ভোগ করবে। এ কথা সুস্পষ্ট যে, যদি আখিরাত না থাকত, আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন প্রকার জবাবদিহী না করা হতো এবং মানুষের সৎকাজের পুরস্কার ও অসৎকাজের জন্য শাস্তি না দেয়া হতো, তাহলে এর মাধ্যমে আল্লাহর প্রজ্ঞা ও ইনসাফ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ত এবং বিশ্বের সমগ্র ব্যবস্থা একটি অরাজক ব্যবস্থায় পরিণত হতো। এ ধারণার ভিত্তিতে বিচার করলে দুনিয়ায় আদৌ সৎকাজের কোন উদ্যোক্তা এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখার জন্য কোন প্রতিবন্ধকতাই থাকে না। আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্ব যদি এমনি অরাজক ব্যাপার হয়, তাহলে এ পৃথিবীতে যে ব্যক্তি কষ্টভোগ করে সৎ জীবন-যাপন করে এবং মানুষের সংস্কার সাধনের কাজে আত্মনিয়োগ করে সে বড়ই নির্বোধ। আর যে ব্যক্তি বাড়াবাড়ি করে সবধরনের ফাসিকী ও অশালীন কার্যকলাপের মাধ্যমে আনন্দ উপভোগ করতে থাকে সেই বুদ্ধিমান (নাউযুবিল্লাহ)। এ জাতীয় চিন্তাধারা কখনই সঠিক হতে পারে না।
পাপের পরিণাম মন্দ, পূণ্যের পরিণাম ভালো :
مَنْ كَفَرَ فَعَلَيْهِ كُفْرُهٗۚ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِاَنْفُسِهِمْ يَمْهَدُوْنَ
যে ব্যক্তি কুফরী করে, তার কুফরীর ফল তার উপরই বর্তাবে। আর যে ব্যক্তি নেক কাজ করে, সে তো নিজের জন্যই সুখের ঠিকানা করে নিচ্ছে। (সূরা রূম- ৪৪)
مَنْ عَمِلَ سَيِّئَةً فَلَا يُجْزٰۤى اِلَّا مِثْلَهَاۚ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا مِّنْ ذَكَرٍ اَوْ اُنْثٰى وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَاُولٰٓئِكَ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ يُرْزَقُوْنَ فِيْهَا بِغَيْرِ حِسَابٍ
কেউ মন্দ আমল করলে সে কেবল তার আমলের অনুরূপ শাস্তি পাবে। আর পুরুষ কিংবা নারীদের মধ্যে যারা মুমিন হয়ে সৎ আমল করে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। সেখানে তারা অসংখ্য রিযিকপ্রাপ্ত হবে। (সূরা মু’মিন- ৪০)
মানুষ যা কিছু করে আল্লাহ তার হিসাব রাখেন :
يَوْمَ يَبْعَثُهُمُ اللهُ جَمِيْعًا فَيُنَبِّئُهُمْ بِمَا عَمِلُوْاؕ اَحْصَاهُ اللهُ وَنَسُوْهُؕ وَاللهُ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيْدٌ
সেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে পুনর্জীবিত করবেন, অতঃপর তারা যা করত তা তাদেরকে জানিয়ে দেবেন। আল্লাহ তা সংরক্ষিত করে রেখেছেন, অথচ তারা তা ভুলে গেছে। আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা। (সূরা মুজাদালা- ৬)
সকলেই তার কর্মফল দেখতে পাবে :
فَمَنْ يَّعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَّرَهٗ – وَمَنْ يَّعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَّرَهٗ
যে ব্যক্তি অণুপরিমাণ সৎকর্ম করবে, সে তা দেখতে পাবে এবং কেউ যদি অণুপরিমাণ অসৎকর্ম করে, তাও সে দেখতে পাবে। (সূরা যিলযাল- ৭, ৮)
يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍ مَّا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍ مُّحْضَرًاۚ وَمَا عَمِلَتْ مِنْ سُوْٓءٍ
প্রত্যেক মানুষ যা ভালো করেছে এবং খারাপ করেছে কিয়ামতের দিন সবই উপস্থিত পাবে। (সূরা আলে ইমরান- ৩০)
কিয়ামতের দিন সকলেই নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করবে :
فَكَيْفَ اِذَا جَمَعْنَاهُمْ لِيَوْمٍ لَّا رَيْبَ فِيْهِ وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُوْنَ
সেদিন কী অবস্থা হবে, যখন আমি তাদেরকে সমবেত করব এমন এক দিন, যে দিনের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। আর (সেদিন) প্রত্যেকে যা করেছে তার পুরোপুরি প্রতিদান দিয়ে দেয়া হবে এবং তাদের উপর কোন অন্যায় করা হবে না। (সূরা আলে ইমরান- ২৫)
وَلِكُلٍّ دَرَجَاتٌ مِّمَّا عَمِلُوْاۚ وَلِيُوَفِّيَهُمْ اَعْمَالَهُمْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُوْنَ
প্রত্যেকের মর্যাদা তার আমল অনুযায়ী হবে, যাতে আল্লাহ তার আমলের পূর্ণ প্রতিদান দিতে পারেন। আর তার উপর কোন যুলুম করা হবে না। (সূরা আহকাফ- ১৯)
ব্যাখ্যা : অর্থাৎ ভালো লোকদের ত্যাগ ও কুরবানী নষ্ট করা হবে না, আবার মন্দ লোকদেরকে তাদের প্রকৃত অপরাধের অধিক শাস্তি দেয়া হবে না। সৎলোক যদি তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত থাকে কিংবা প্রকৃত প্রাপ্যের চেয়ে কম পায়, তাহলে তা হবে যুলুম। আবার খারাপ লোক যদি তার কৃত অপরাধের শাস্তি না পায় কিংবা যতটা অপরাধ করেছে তার চেয়ে বেশি শাস্তি পায়, তাহলে সেটাও যুলুম হিসেবে গণ্য হবে।
اَمْ نَجْعَلُ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ كَالْمُفْسِدِيْنَ فِى الْاَرْضِؗ اَمْ نَجْعَلُ الْمُتَّقِيْنَ كَالْفُجَّارِ
যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে আমি কি তাদেরকে ঐসব লোকের সমান করে দেব, যারা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়? অথবা আমি কি মুত্তাক্বীদেরকে গোনাহগারদের সমান করে দেব?
(সূরা সোয়াদ- ২৮)
اَمْ حَسِبَ الَّذِيْنَ اجْتَرَحُوا السَّيِّئَاتِ اَنْ نَّجْعَلَهُمْ كَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَوَآءً مَّحْيَاهُمْ وَمَمَاتُهُمْ سَآءَ مَا يَحْكُمُوْنَ
দুষ্কৃতিকারীরা কি মনে করে যে, আমি জীবন ও মৃত্যুর দিক দিয়ে তাদেরকে ঐসব লোকের সমান বলে গণ্য করব, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে? তাদের সিদ্ধান্ত কতই না মন্দ! (সূরা জাসিয়া- ২১)
وَمَا يَسْتَوِى الْاَعْمٰى وَالْبَصِيْرُ وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَلَا الْمُسِيْٓءُ قَلِيْلًا مَّا تَتَذَكَّرُوْنَ
অন্ধ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন উভয়ে এক সমান নয়। আর যারা ঈমান আনয়ন করে ও সৎকর্ম করে এবং যারা গোনাহগার (তারাও এক সমান নয়)। তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ করে থাক। (সূরা মু’মিন- ৫৮)
ব্যাখ্যা : অর্থাৎ সৎ ও অসৎ উভয়ে সমান হয়ে যাবে না। সৎলোক তার সততার পুরস্কার পাবে এবং অসৎলোক তার অসৎকাজের শাস্তি ভোগ করবে। এ কথা সুস্পষ্ট যে, যদি আখিরাত না থাকত, আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন প্রকার জবাবদিহী না করা হতো এবং মানুষের সৎকাজের পুরস্কার ও অসৎকাজের জন্য শাস্তি না দেয়া হতো, তাহলে এর মাধ্যমে আল্লাহর প্রজ্ঞা ও ইনসাফ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ত এবং বিশ্বের সমগ্র ব্যবস্থা একটি অরাজক ব্যবস্থায় পরিণত হতো। এ ধারণার ভিত্তিতে বিচার করলে দুনিয়ায় আদৌ সৎকাজের কোন উদ্যোক্তা এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখার জন্য কোন প্রতিবন্ধকতাই থাকে না। আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্ব যদি এমনি অরাজক ব্যাপার হয়, তাহলে এ পৃথিবীতে যে ব্যক্তি কষ্টভোগ করে সৎ জীবন-যাপন করে এবং মানুষের সংস্কার সাধনের কাজে আত্মনিয়োগ করে সে বড়ই নির্বোধ। আর যে ব্যক্তি বাড়াবাড়ি করে সবধরনের ফাসিকী ও অশালীন কার্যকলাপের মাধ্যমে আনন্দ উপভোগ করতে থাকে সেই বুদ্ধিমান (নাউযুবিল্লাহ)। এ জাতীয় চিন্তাধারা কখনই সঠিক হতে পারে না।
পাপের পরিণাম মন্দ, পূণ্যের পরিণাম ভালো :
مَنْ كَفَرَ فَعَلَيْهِ كُفْرُهٗۚ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِاَنْفُسِهِمْ يَمْهَدُوْنَ
যে ব্যক্তি কুফরী করে, তার কুফরীর ফল তার উপরই বর্তাবে। আর যে ব্যক্তি নেক কাজ করে, সে তো নিজের জন্যই সুখের ঠিকানা করে নিচ্ছে। (সূরা রূম- ৪৪)
مَنْ عَمِلَ سَيِّئَةً فَلَا يُجْزٰۤى اِلَّا مِثْلَهَاۚ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا مِّنْ ذَكَرٍ اَوْ اُنْثٰى وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَاُولٰٓئِكَ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ يُرْزَقُوْنَ فِيْهَا بِغَيْرِ حِسَابٍ
কেউ মন্দ আমল করলে সে কেবল তার আমলের অনুরূপ শাস্তি পাবে। আর পুরুষ কিংবা নারীদের মধ্যে যারা মুমিন হয়ে সৎ আমল করে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। সেখানে তারা অসংখ্য রিযিকপ্রাপ্ত হবে। (সূরা মু’মিন- ৪০)
মানুষ যা কিছু করে আল্লাহ তার হিসাব রাখেন :
يَوْمَ يَبْعَثُهُمُ اللهُ جَمِيْعًا فَيُنَبِّئُهُمْ بِمَا عَمِلُوْاؕ اَحْصَاهُ اللهُ وَنَسُوْهُؕ وَاللهُ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيْدٌ
সেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে পুনর্জীবিত করবেন, অতঃপর তারা যা করত তা তাদেরকে জানিয়ে দেবেন। আল্লাহ তা সংরক্ষিত করে রেখেছেন, অথচ তারা তা ভুলে গেছে। আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা। (সূরা মুজাদালা- ৬)
সকলেই তার কর্মফল দেখতে পাবে :
فَمَنْ يَّعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَّرَهٗ – وَمَنْ يَّعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَّرَهٗ
যে ব্যক্তি অণুপরিমাণ সৎকর্ম করবে, সে তা দেখতে পাবে এবং কেউ যদি অণুপরিমাণ অসৎকর্ম করে, তাও সে দেখতে পাবে। (সূরা যিলযাল- ৭, ৮)
يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍ مَّا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍ مُّحْضَرًاۚ وَمَا عَمِلَتْ مِنْ سُوْٓءٍ
প্রত্যেক মানুষ যা ভালো করেছে এবং খারাপ করেছে কিয়ামতের দিন সবই উপস্থিত পাবে। (সূরা আলে ইমরান- ৩০)
কিয়ামতের দিন সকলেই নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করবে :
فَكَيْفَ اِذَا جَمَعْنَاهُمْ لِيَوْمٍ لَّا رَيْبَ فِيْهِ وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُوْنَ
সেদিন কী অবস্থা হবে, যখন আমি তাদেরকে সমবেত করব এমন এক দিন, যে দিনের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। আর (সেদিন) প্রত্যেকে যা করেছে তার পুরোপুরি প্রতিদান দিয়ে দেয়া হবে এবং তাদের উপর কোন অন্যায় করা হবে না। (সূরা আলে ইমরান- ২৫)
وَلِكُلٍّ دَرَجَاتٌ مِّمَّا عَمِلُوْاۚ وَلِيُوَفِّيَهُمْ اَعْمَالَهُمْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُوْنَ
প্রত্যেকের মর্যাদা তার আমল অনুযায়ী হবে, যাতে আল্লাহ তার আমলের পূর্ণ প্রতিদান দিতে পারেন। আর তার উপর কোন যুলুম করা হবে না। (সূরা আহকাফ- ১৯)
ব্যাখ্যা : অর্থাৎ ভালো লোকদের ত্যাগ ও কুরবানী নষ্ট করা হবে না, আবার মন্দ লোকদেরকে তাদের প্রকৃত অপরাধের অধিক শাস্তি দেয়া হবে না। সৎলোক যদি তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত থাকে কিংবা প্রকৃত প্রাপ্যের চেয়ে কম পায়, তাহলে তা হবে যুলুম। আবার খারাপ লোক যদি তার কৃত অপরাধের শাস্তি না পায় কিংবা যতটা অপরাধ করেছে তার চেয়ে বেশি শাস্তি পায়, তাহলে সেটাও যুলুম হিসেবে গণ্য হবে।