১
তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫১৫
অধ্যায়- ৩ : মাদইয়ানবাসীর পাপাচারিতা
শুয়াইব (আঃ) মাদইয়ানবাসীদেরও নবী ছিলেন। তারা শিরকে লিপ্ত ছিল, ওজনে কম দিত, জমিনে ফাসাদ সৃষ্টি করত, পথেঘাটে ছিনতাই করত এবং দ্বীনের পথে বাধা দিত।
নবী তাদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দিলেন :
وَاِلٰى مَدْيَنَ اَخَاهُمْ شُعَيْبًاؕ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللهَ مَا لَكُمْ مِّنْ اِلٰهٍ غَيْرُهٗؕ قَدْ جَآءَتْكُمْ بَيِّنَةٌ مِّنْ رَّبِّكُمْ فَاَوْفُوا الْكَيْلَ وَالْمِيْزَانَ وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ اَشْيَآءَهُمْ وَلَا تُفْسِدُوْا فِى الْاَرْضِ بَعْدَ اِصْلَاحِهَاؕ ذٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ اِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِيْنَ
আমি মাদইয়ানবাসীদের কাছে তাদেরই ভাই শুয়াইবকে পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর সে তার স্বজাতিকে সম্বোধন করে বলেছিল, হে আমার জাতি! তোমরা (শিরক বর্জন করে) একমাত্র আল্লাহর ইবাদাত করো, তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোন সত্য উপাস্য নেই। তোমাদের প্রভুর পক্ষ হতে তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট দলীল এসে গেছে। সুতরাং তোমরা ওজন ও পরিমাপ পূর্ণ মাত্রায় দেবে, মানুষকে তাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না এবং দুনিয়ায় শান্তি–শৃঙ্খলা স্থাপনের পর ঝগড়া–ফাসাদ ও বিপর্যয় ঘটাবে না। যদি তোমরা প্রকৃতপক্ষে ঈমানদার হয়ে থাক, তবে এ পথই তোমাদের জন্য কল্যাণকর। (সূরা আ‘রাফু ৮৫)
وَاِلٰى مَدْيَنَ اَخَاهُمْ شُعَيْبًا ؕ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللهَ مَا لَكُمْ مِّنْ اِلٰهٍ غَيْرُهٗؕ وَلَا تَنْقُصُوا الْمِكْيَالَ وَالْمِيْزَانَ اِنِّۤيْ اَرَاكُمْ بِخَيْرٍ وَّاِنِّۤيْ اَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ مُّحِيْطٍ
মাদইয়ানবাসীদের নিকট তাদের ভাই শুয়াইবকে পাঠিয়েছিলাম। সে বলেছিল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করো, তিনি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোন ইলাহ্ নেই, মাপে ও ওজনে কম দিয়ো না। আমি তো তোমাদেরকে সমৃদ্ধশালী হিসেবেই দেখতে পাচ্ছি। আর আমি তোমাদের জন্য এক সর্বগ্রাসী দিবসের শাস্তির আশঙ্কা করছি। (সূরা হুদু ৮৪)
নবী নরম ভাষায় বুঝালেন :
قَالَ يَا قَوْمِ اَرَاَيْتُمْ اِنْ كُنْتُ عَلٰى بَيِّنَةٍ مِّنْ رَّبِّيْ وَرَزَقَنِيْ مِنْهُ رِزْقًا حَسَنًاؕ وَمَاۤ اُرِيْدُ اَنْ اُخَالِفَكُمْ اِلٰى مَاۤ اَنْهَاكُمْ عَنْهُؕ اِنْ اُرِيْدُ اِلَّا الْاِصْلَاحَ مَا اسْتَطَعْتُؕ وَمَا تَوْفِيْقِيْۤ اِلَّا بِاللهِؕ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَاِلَيْهِ اُنِيْبُ
তিনি বললেন, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কি ভেবে দেখেছ যে, আমি যদি আমার প্রতিপালক প্রেরিত স্পষ্ট প্রমাণে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকি এবং তিনি যদি তাঁর নিকট হতে আমাকে উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করে থাকেন (তবে কী করে আমি আমার কর্তব্য হতে বিরত থাকব?) আমি তোমাদেরকে যা নিষেধ করি আমি নিজে তা করতে ইচ্ছা করি না। আমি তো আমার সাধ্যমতো সংস্কার করতে চাই। আমার কার্যসাধন তো আল্লাহরই সাহায্যে; আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং আমি তাঁরই অভিমুখী। (সূরা হুদু ৮৮)
জাতিকে আল্লাহর নিয়ামতের কথা স্মরণ করতে বললেন :
وَلَا تَقْعُدُوْا بِكُلِّ صِرَاطٍ تُوْعِدُوْنَ وَتَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ مَنْ اٰمَنَ بِهٖ وَتَبْغُوْنَهَا عِوَجًاۚ وَاذْكُرُوْاۤ اِذْ كُنْتُمْ قَلِيْلًا فَكَثَّرَكُمْ۪ وَانْظُرُوْا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُفْسِدِيْنَ
আর তোমরা প্রতিটি পথে এ উদ্দেশ্যে বসে থেকো না যে, ঈমানদার লোকদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করবে ও (মানুষকে) আল্লাহর পথ হতে বিরত রাখবে এবং সহজসরল পথকে ছেড়ে দিয়ে বক্রতা অন্বেষণে ব্যস্ত থাকবে। আর তোমরা (ঐ অবস্থাটির কথা) স্মরণ করো, যখন তোমরা সংখ্যায় স্বল্প ছিলে, অতঃপর তিনি (আল্লাহ) তোমাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে দিলেন। আর বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পরিণতি কী হয়েছিল তা লক্ষ্য করো। (সূরা আ‘রাফু ৮৬)
আল্লাহর কাছে তাওবা করার নির্দেশ দিলেন :
وَاسْتَغْفِرُوْا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوْبُوْاۤ اِلَيْهِؕ اِنَّ رَبِّيْ رَحِيْمٌ وَّدُوْدٌ
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো ও তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তন করো। নিশ্চয় আমার প্রতিপালক পরম দয়ালু ও প্রেমময়। (সূরা হুদু ৯০)
আল্লাহর ব্যাপারে জাতিকে সতর্ক করলেন :
قَالَ يَا قَوْمِ اَرَهْطِيْۤ اَعَزُّ عَلَيْكُمْ مِّنَ اللهِؕ وَاتَّخَذْتُمُوْهُ وَرَآءَكُمْ ظِهْرِيًّاؕ اِنَّ رَبِّيْ بِمَا تَعْمَلُوْنَ مُحِيْطٌ
সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমাদের নিকট কি আমার স্বজনবর্গ আল্লাহ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী? অথচ তোমরা তাঁকে সম্পূর্ণ পশ্চাতে ফেলে রেখেছ। (জেনে রেখো) তোমরা যা কর আমার প্রতিপালক অবশ্যই তা পরিবেষ্টন করে আছেন। (সূরা হুদু ৯২)
আখিরাতের ব্যাপারে সতর্ক করলেন :
وَاِلٰى مَدْيَنَ اَخَاهُمْ شُعَيْبًاؕ فَقَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللهَ وَارْجُوا الْيَوْمَ الْاٰخِرَ وَلَا تَعْثَوْا فِى الْاَرْضِ مُفْسِدِيْنَ
আমি মাদইয়ানবাসীদের প্রতি তাদের ভাই শুয়াইবকে পাঠিয়েছিলাম। সে বলেছিল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করো, শেষ দিবসকে ভয় করো এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না। (সূরা আনকাবূত– ৩৬)
পূর্ববর্তীদের পরিণামের কথা জানালেন :
وَيَا قَوْمِ لَا يَجْرِمَنَّكُمْ شِقَاقِۤيْ اَنْ يُّصِيْبَكُمْ مِّثْلُ مَاۤ اَصَابَ قَوْمَ نُوْحٍ اَوْ قَوْمَ هُوْدٍ اَوْ قَوْمَ صَالِحٍؕ وَمَا قَوْمُ لُوْطٍ مِّنْكُمْ بِبَعِيْدٍ
হে আমার সম্প্রদায়। আমার সাথে বিরোধ যেন কিছুতেই তোমাদেরকে এমন অপরাধ না করায় যাতে তোমাদের উপর অনুরূপ বিপদ পতিত হবে, যা পতিত হয়েছিল নূহের সম্প্রদায়ের উপর অথবা হুদের সম্প্রদায়ের উপর কিংবা সালেহের সম্প্রদায়ের উপর। আর লূতের সম্প্রদায় তো তোমাদের হতে দূরে নয়। (সূরা হুদু ৮৯)
নবী তাদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দিলেন :
وَاِلٰى مَدْيَنَ اَخَاهُمْ شُعَيْبًاؕ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللهَ مَا لَكُمْ مِّنْ اِلٰهٍ غَيْرُهٗؕ قَدْ جَآءَتْكُمْ بَيِّنَةٌ مِّنْ رَّبِّكُمْ فَاَوْفُوا الْكَيْلَ وَالْمِيْزَانَ وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ اَشْيَآءَهُمْ وَلَا تُفْسِدُوْا فِى الْاَرْضِ بَعْدَ اِصْلَاحِهَاؕ ذٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ اِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِيْنَ
আমি মাদইয়ানবাসীদের কাছে তাদেরই ভাই শুয়াইবকে পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর সে তার স্বজাতিকে সম্বোধন করে বলেছিল, হে আমার জাতি! তোমরা (শিরক বর্জন করে) একমাত্র আল্লাহর ইবাদাত করো, তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোন সত্য উপাস্য নেই। তোমাদের প্রভুর পক্ষ হতে তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট দলীল এসে গেছে। সুতরাং তোমরা ওজন ও পরিমাপ পূর্ণ মাত্রায় দেবে, মানুষকে তাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না এবং দুনিয়ায় শান্তি–শৃঙ্খলা স্থাপনের পর ঝগড়া–ফাসাদ ও বিপর্যয় ঘটাবে না। যদি তোমরা প্রকৃতপক্ষে ঈমানদার হয়ে থাক, তবে এ পথই তোমাদের জন্য কল্যাণকর। (সূরা আ‘রাফু ৮৫)
وَاِلٰى مَدْيَنَ اَخَاهُمْ شُعَيْبًا ؕ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللهَ مَا لَكُمْ مِّنْ اِلٰهٍ غَيْرُهٗؕ وَلَا تَنْقُصُوا الْمِكْيَالَ وَالْمِيْزَانَ اِنِّۤيْ اَرَاكُمْ بِخَيْرٍ وَّاِنِّۤيْ اَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ مُّحِيْطٍ
মাদইয়ানবাসীদের নিকট তাদের ভাই শুয়াইবকে পাঠিয়েছিলাম। সে বলেছিল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করো, তিনি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোন ইলাহ্ নেই, মাপে ও ওজনে কম দিয়ো না। আমি তো তোমাদেরকে সমৃদ্ধশালী হিসেবেই দেখতে পাচ্ছি। আর আমি তোমাদের জন্য এক সর্বগ্রাসী দিবসের শাস্তির আশঙ্কা করছি। (সূরা হুদু ৮৪)
নবী নরম ভাষায় বুঝালেন :
قَالَ يَا قَوْمِ اَرَاَيْتُمْ اِنْ كُنْتُ عَلٰى بَيِّنَةٍ مِّنْ رَّبِّيْ وَرَزَقَنِيْ مِنْهُ رِزْقًا حَسَنًاؕ وَمَاۤ اُرِيْدُ اَنْ اُخَالِفَكُمْ اِلٰى مَاۤ اَنْهَاكُمْ عَنْهُؕ اِنْ اُرِيْدُ اِلَّا الْاِصْلَاحَ مَا اسْتَطَعْتُؕ وَمَا تَوْفِيْقِيْۤ اِلَّا بِاللهِؕ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَاِلَيْهِ اُنِيْبُ
তিনি বললেন, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কি ভেবে দেখেছ যে, আমি যদি আমার প্রতিপালক প্রেরিত স্পষ্ট প্রমাণে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকি এবং তিনি যদি তাঁর নিকট হতে আমাকে উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করে থাকেন (তবে কী করে আমি আমার কর্তব্য হতে বিরত থাকব?) আমি তোমাদেরকে যা নিষেধ করি আমি নিজে তা করতে ইচ্ছা করি না। আমি তো আমার সাধ্যমতো সংস্কার করতে চাই। আমার কার্যসাধন তো আল্লাহরই সাহায্যে; আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং আমি তাঁরই অভিমুখী। (সূরা হুদু ৮৮)
জাতিকে আল্লাহর নিয়ামতের কথা স্মরণ করতে বললেন :
وَلَا تَقْعُدُوْا بِكُلِّ صِرَاطٍ تُوْعِدُوْنَ وَتَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ مَنْ اٰمَنَ بِهٖ وَتَبْغُوْنَهَا عِوَجًاۚ وَاذْكُرُوْاۤ اِذْ كُنْتُمْ قَلِيْلًا فَكَثَّرَكُمْ۪ وَانْظُرُوْا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُفْسِدِيْنَ
আর তোমরা প্রতিটি পথে এ উদ্দেশ্যে বসে থেকো না যে, ঈমানদার লোকদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করবে ও (মানুষকে) আল্লাহর পথ হতে বিরত রাখবে এবং সহজসরল পথকে ছেড়ে দিয়ে বক্রতা অন্বেষণে ব্যস্ত থাকবে। আর তোমরা (ঐ অবস্থাটির কথা) স্মরণ করো, যখন তোমরা সংখ্যায় স্বল্প ছিলে, অতঃপর তিনি (আল্লাহ) তোমাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে দিলেন। আর বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পরিণতি কী হয়েছিল তা লক্ষ্য করো। (সূরা আ‘রাফু ৮৬)
আল্লাহর কাছে তাওবা করার নির্দেশ দিলেন :
وَاسْتَغْفِرُوْا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوْبُوْاۤ اِلَيْهِؕ اِنَّ رَبِّيْ رَحِيْمٌ وَّدُوْدٌ
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো ও তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তন করো। নিশ্চয় আমার প্রতিপালক পরম দয়ালু ও প্রেমময়। (সূরা হুদু ৯০)
আল্লাহর ব্যাপারে জাতিকে সতর্ক করলেন :
قَالَ يَا قَوْمِ اَرَهْطِيْۤ اَعَزُّ عَلَيْكُمْ مِّنَ اللهِؕ وَاتَّخَذْتُمُوْهُ وَرَآءَكُمْ ظِهْرِيًّاؕ اِنَّ رَبِّيْ بِمَا تَعْمَلُوْنَ مُحِيْطٌ
সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমাদের নিকট কি আমার স্বজনবর্গ আল্লাহ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী? অথচ তোমরা তাঁকে সম্পূর্ণ পশ্চাতে ফেলে রেখেছ। (জেনে রেখো) তোমরা যা কর আমার প্রতিপালক অবশ্যই তা পরিবেষ্টন করে আছেন। (সূরা হুদু ৯২)
আখিরাতের ব্যাপারে সতর্ক করলেন :
وَاِلٰى مَدْيَنَ اَخَاهُمْ شُعَيْبًاؕ فَقَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللهَ وَارْجُوا الْيَوْمَ الْاٰخِرَ وَلَا تَعْثَوْا فِى الْاَرْضِ مُفْسِدِيْنَ
আমি মাদইয়ানবাসীদের প্রতি তাদের ভাই শুয়াইবকে পাঠিয়েছিলাম। সে বলেছিল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করো, শেষ দিবসকে ভয় করো এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না। (সূরা আনকাবূত– ৩৬)
পূর্ববর্তীদের পরিণামের কথা জানালেন :
وَيَا قَوْمِ لَا يَجْرِمَنَّكُمْ شِقَاقِۤيْ اَنْ يُّصِيْبَكُمْ مِّثْلُ مَاۤ اَصَابَ قَوْمَ نُوْحٍ اَوْ قَوْمَ هُوْدٍ اَوْ قَوْمَ صَالِحٍؕ وَمَا قَوْمُ لُوْطٍ مِّنْكُمْ بِبَعِيْدٍ
হে আমার সম্প্রদায়। আমার সাথে বিরোধ যেন কিছুতেই তোমাদেরকে এমন অপরাধ না করায় যাতে তোমাদের উপর অনুরূপ বিপদ পতিত হবে, যা পতিত হয়েছিল নূহের সম্প্রদায়ের উপর অথবা হুদের সম্প্রদায়ের উপর কিংবা সালেহের সম্প্রদায়ের উপর। আর লূতের সম্প্রদায় তো তোমাদের হতে দূরে নয়। (সূরা হুদু ৮৯)